-
শানশি লাইব্রেরি ও মোরগ ডাক
শানশি লাইব্রেরি ও মোরগ ডাক ইমরুল কায়েস ২৫ জুন ছিল আরেকটা অনলাইন কর্মসূচি। ভার্চুয়ালি শানশি প্রদেশ পররাষ্ট্র দপ্তরের লাইব্রেরি পরিদর্শন। যথারীতি কর্মসূচিটি টেনসেন্ট অ্যাপসে হয়। টেনসেন্ট জুমের মতোই চীনাদের নিজস্ব অ্যাপস। মোবাইলের মাধ্যমে এদিনও জয়েন করতে গিয়ে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হল। আরও দু’একজনও একই সমস্যায় পড়ে। তবে পরে বুঝতে পারলাম ভুলটা আমাদেরই। ভিপিএন চালু রাখায় টেনসেন্টে জয়েন করা যাচ্ছে না। ভিপিএন বন্ধ করতে সহজেই টেনসেন্টে জয়েন করা সম্ভব হল। উইচ্যাটের সিএপিপিসি গ্রুপে আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করায় অন্যরাও দ্রুত জয়েন করতে সক্ষম হন। অর্থাৎ তারাও ভিপিএন চালু রেখে চেষ্টা করায় এতোক্ষণ জয়েন করতে পারে নাই। ভিপিএন চালু রাখলে চীনা যোগাযোগ…
-
ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম
পাবনার বরেণ্য সন্তান ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনা, বাণিজ্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলামের প্রত্যক্ষ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার যে কয়জন ব্যক্তিকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি তাদের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে অন্যতম একজন। জন্ম: ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম ১৯৪১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আলহাজ মির্জা আব্দুর রশীদ। তাঁরা চার ভাই ও তিন বোন। শিক্ষা জীবন:…
-
প্রচ্ছন্ন কুয়াশার দিন, ত্রিমোহনী, আমাদের ছোট নদী, পতঙ্গ, সহজ সমীকরণ
প্রচ্ছন্ন কুয়াশার দিন রিঙকু অনিমিখ সমুদ্রের দুঃখ তুমি কী আর বুঝবে যখন তার সমস্ত শরীরজুড়ে অশ্রুর স্বাদ! সমুদ্রের দুঃখ বুঝতে হলে আপাদমস্তক নেমে যেতে হয় তার সমস্ত জলে যদি নামো যদি তুলে ধরো খোলা চোখ অবারিত জলে তবে তুমিও লবণে প্রতারিত জেনে রেখো তোমারই চোখের অজুহাতে সমুদ্র কাঁদে আরও পড়ুন কবি রিঙকু অনিমিখের কবিতা- শোকবার্তা দ্বিধা ত্রিমোহনী বাংলাদেশ লাল টিপটি পরার আগে কিছুটা সবুজ মেখে নিও, আজকের সূর্য না হয় উঠলো তোমার কপালেই মুক্তিযুদ্ধ ন্যুনতম মানুষের খুনতম প্রতিবাদ টিয়া বাঙলাদেশের উড়ন্ত পতাকা আমাদের ছোট নদী আমাদের ছোট নদীগুলো বড় বড় ব্রিজের নীচে লুকিয়ে থাকে বালু ফোটে, বালু…
-
মরিচপোড়া (১ম পর্ব)
মরিচপোড়া (১ম পর্ব) সাইফুর রহমান আমি যখন বাড়িটির সামনে এসে দাঁড়ালাম, সূর্য তখন মধ্য গগন থেকে অল্প একটু হেলে পড়েছে পশ্চিমে। চারদিকে ঝাঁ ঝাঁ সোনা গলানো রোদ। আমিও এসেছি বহু পথ অতিক্রম করে। কত হবে? হাজার লক্ষ ক্রোশ। মাপজোক নেই। আমি কিছুটা ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত। যদিও রোগ, শোক, জরা আমাকে তেমন একটা ছুঁতে পারে না; তারপরও এই নশ্বর পৃথিবীর সবকিছু যেহেতু একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে, আমিই বা অবিনশ্বর থাকি কী করে। আমি যখন গৃহটিতে প্রবেশ করলাম মিতুজা তখন ঘরের ডুয়া লেপাপোছায় ব্যস্ত। বালতিতে মাটি ও গোবরের মিশ্রণ তৈরি করে সেগুলো দিয়ে লেপাপোছার কাজটি করছিল সে। গৃহের মূল ফটকে এসে…
-
মানুষ হয়ে উঠা, আলো-আঁধারি
মানুষ হয়ে উঠা ফজলুল হক তুমি তারুণ্য দীপ্ত রুদ্ধ দুয়ার ভেঙে আলোর মশাল জ্বালাতে চাও? একটু পিছনে তাকাও দেখতে পাবে ভুল পথে ছড়িয়ে আছে অমীমাংসিত কিছু বিস্মৃতি। আরো একটু পিছনে দ্যাখো সময়ের কৃষ্ণ গহ্বরে কিছু অনভিপ্রেত অভিজ্ঞতার মৃদু গন্ধ অনুভূত হবে। ব্যর্থতার এসব ভুল গল্প থেকে নির্ভয়ে বেরিয়ে এসো, কী দেখতে পাচ্ছো? চলার পথটা সংকোচিত করা হচ্ছে, তথাকথিত মানুষরুপী দানবেরা দুর্বলদের বাকস্বাধীনতা ও অধিকার আকণ্ঠ গ্রাস করছে জগদ্বাসী অসহায় কাঁদছে; চাওয়া-পাওয়ার মাঝে নিদারুণ অসন্তুষ্টির হাটবাজার বসেছে প্রতারিত হচ্ছে ভাবাবেগ মানচিত্র কে খামছে ধরছে উলঙ্গ সমৃদ্ধ শকুনের দল, নৈতিকতাকে পরাজিত করবার নির্লিপ্ত খায়েশে উদ্যমতার পায়ে শিকল পরানোর অপচেষ্টায় তারা প্রমত্ত,…
-
বেদনার কূলে কূলে, তবুও ভালোবাসা অমর হোক
বেদনার কূলে কূলে কে এম আশরাফুল ইসলাম ভাটাতে রেখা বুকেতে দেখা নদীর অন্তর কাঁদে, এসেছিলে সখা পদাঙ্ক তাই লুকানো নীলিমার চাঁদে! মম হিয়াখানি প্রচ্ছদ আসমানি অগণন তারার আঁখি, মায়ার খনি নিকষ অমায় খোঁজে অভিমানী পাখি। চলেই গেলে আর নাহি এলে অবাঞ্চিত অমানিশা, রেখে গেলে বেণু বনে জোনাক জ্বলা ভালোবাসা! তারারা হাসে আঁধারে ভাসে ঐন্দ্রজালিক স্বর্ণলতায় , টানে পিপাসে তোমার প্রেম শিশিরের মুক্তো কচুপাতায়! তবু কূলে কূলে প্রত্যয়ের বেদিমূলে সাজিয়ে ফুলের ডালি, ভুলে অভুলে হই ফেরারি অর্পি তপ্ত ভক্তির নয়ঞ্জলি! যেই কূলে যাই অকস্মাৎ হারাই তর্জনে গর্জনে পরাণ, শুনে নাই নাই বিষাক্ত শেলে ক্লান্তিতে হয় পেরেশান। ভিখারিনী নয়ন নন্দিনী কেনো…
-
সুমনা নাজনীন
সুমনা নাজনীন একজন কবি, কথাসাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা, কোট, অণুকবিতা লেখার সমস্ত শাখায় তাঁর বিচরণ। তিনি রাশিয়ান ও আলবানিয়ান ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় কবিতা ও গল্প অনুবাদ করেছেন। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই লেখেন। জন্ম: সুমনা নাজনীন ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে সেপ্টেম্বর পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত সাগরকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: সুমনা নাজনীনের বাবা রহমত আলী ফকির, মা নাজমুন নাহার গৃহিনী। তাঁরা দুই ভাইবোন, তিনি ছোটো। স্বামী মিডিয়া কনসালট্যান্ট ও সংগঠক। তাঁদের সংসারে দুই ছেলেমেয়ে। তারা নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। আরও পড়ুন কবি ও কথাসাহিত্যিক খলিফা আশরাফ শিক্ষা জীবন: বাবার চাকুরির সুবাদে ছোট থেকেই…
-
আনন্দের ধারা, হে তরুণ, কান্নার কৈলাসে
আনন্দের ধারা আদ্যনাথ ঘোষ প্রসন্ন আলোয় আনন্দের ধারা বহিছে অবিরল বুকে তার ছলছল ছোট বড় ঢেউ অঙ্গে তার আনন্দের উচ্ছল হাসির মুখরতা। উদাসি রোদ্দুরে কৃষ্ণচূড়ার দল চোখে ভেসে আসে তার সাথে জেগে ওঠে কামিনী কাঞ্চন আর রাধাচূড়া অসীম আনন্দে ওড়ে আকাশেতে পাখি। কতো যে স্বাধীন আজ তাদের আকাশ খাল বিলে ফোটে শাপলা, শালুক, কলমিলতা আরও কতো যে ভাগ্যের অলীক লতা তার পাড়ে মনসার ঝোপে ফোটে লাবণ্যভরা ফুল আশেপাশে আগাছার ছন্দময় বিস্তারের ছোট ছোট জাল উজ্জ্বল সোনালি রোদ্দুরে মেঠো পথও সেখানে পথ হারায়- উত্তাল বাতাস ডেকে নেয় আনমনা পথের ভাসমান ধূলি শব্দের পত্রালি আর স্নেহমাখা আদরের সাথে প্রজাপতিগুলো ঢেউ তুলে…
-
আমার নানি
আমার নানি ~তাহমিনা খাতুন ‘মিতব্যয়িতার’ শিক্ষা পেয়েছিলাম আমার নানির কাছ থেকে। আমার নানি মারা গেছেন আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে। মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে আমাদের বাড়িতে নানির একমাত্র সন্তান আমার মায়ের কাছে ছিলেন। সেই সময় একদিন নানিকে দেখলাম গোসলের পর নিজের পরনের বাসী ধুতি খানা বালতির অল্প পানিতে ধুয়ে নিচ্ছেন। নানি যতদিন বেঁচে ছিলেন আর সুস্থ ছিলেন সব সময় নিজের কাজ নিজেই করতেন।আমি নানির ধুতিটা ধুয়ে দিতে চাইলে তিনি কোনোভাবেই রাজি হলেন না। আমি নানিকে জিজ্ঞাসা করলাম, “নানি এতো অল্প পানি দিয়ে কাপড় ধুচ্ছ কেন?” নানি জবাব দিলেন, “আল্লাহ্ তায়ালার কাছে তো একদিন এই পানির জন্যও হিসাব দিতে হবে।”…
-
অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার (৪র্থ পর্ব)
অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার (৪র্থ পর্ব) ~ মোহাম্মদ আব্দুল মতিন ১৯৮৫ সালে হ্যালির ধূমকেতুর পুনরাবির্ভাবের সময় যখন এগিয়ে এলো, তখন সারা দুনিয়াতেই বেশ উৎসাহের সৃষ্টি হতে লাগল। তার জোয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলির কল্যাণে আমাদের দেশেও এসে পৌঁছলো। ধূমকেতু কি করে দেখা যায় এবং জনসাধারণকে দেখানো যায় তার উপায় খুঁজতে গিয়ে, উদ্যোক্তাগণ লক্ষ্য করলেন, দেশে ধূমকেতু সম্পর্কে সাধারণ তথ্যের অনেক বই পুস্তক আছে। তবে হ্যালির ধূমকেতু দেখতে হলে যে সমস্ত বিশেষ তথ্যের প্রয়োজন তা কোথাও নেই। যেমন হ্যালির ধূমকেতু কবে আকাশের কোন অঞ্চলে দেখা যাবে, তার উজ্জ্বলতা কেমন থাকবে, তার গতিপথ কি হবে, এসব তথ্য দেশের কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না। অতএব,…





























