-
পাপ, মানবতার ঢাল, গোরু
পাপ এ এফ এম মনিরুল ইসলাম তরুন পাপের ভয় নাই বলে, পূণ্যের আগ্রহ এত কম এমন মানসিকতা না ছাড়লে, ধরবে কিন্তু যম। কীসে কখন পাপ হয়, জানবে তুমি কেমনে? পাপ বোধ অন্তরে রেখে, এগিয়ে চল সামনে। হাজারো কাজের মাঝে, লাগবে পাপের ছোঁয়া নমনীয়তায় জীবন চালাও, নাও সবার দোয়া। নবী রসূল পয়গম্বর, সবাই চলেছে অতি ভেবে যদি কখনো কিছু ভুল হয়, আল্লাহ অসন্তুষ্ট হবে। পাপীও ভাবে পাপ কাজে, হচ্ছে না কোনো ভুল যা করছি ঠিক করছি, সবই হচ্ছে নির্ভুল। এমনি ভাবে অবহেলা করে, করছি সবাই পাপ এখনো সময় আছে, শুধরে পথে আসো বাপ। হালাল রুজি ন্যায়ে চলো, করো আল্লাহর বন্দেগী…
-
জয় বাংলা জয়, বঙ্গমাতা
জয় বাংলা জয় মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান পিতা তোমায় ভালো লাগে দেখতে মুজিব কোটে। কি চমৎকার দেখায় তোমার রাখলে পাইপ ঠোঁটে! কালো ফ্রেমের চশমা তোমায় মানায় ভালো বেশ পাজামা আর পান্জাবিতে-ই এলো বাংলাদেশ। তোমার চুলের উল্টো ভাজে জানায় ‘ডোন্ট কেয়ার।’ শত্রু তোরা অনেক করেছিস এবার বাংলা ছাড়। তোমার কথা ভালো লাগে ‘মুক্তির সংগ্রাম’ আগুল তুলে দেখিয়ে দিলে স্বাধীনতা তার নাম। আকাশ ছোঁয়া তর্জনীতে শত্রু পেল ভয়। বিশ্ববাসি দেখলো বসে বাংলা স্বাধীন হয়। বীর বাঙালি আওয়াজ দিলো শেখ মুজিবের জয় বাংলাদেশ স্বাধীন হলো জয় বাংলার জয়। আরও পড়ুন মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামানের কবিতা- রক্তে স্বাধীনতার নেশা উইপোকাদের ঘরবসতি বঙ্গমাতা ঠিকানা আমার বঙ্গবন্ধু জয়…
-
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এ এফ এম মনিরুল ইসলাম তরুন ১৯২০ ১৭ই মার্চ রাত ৮টায় জন্ম ফরিদপুর গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া, শেখ পরিবার আলোকিত বাবা-মা সবাই খুশিতে আত্মহারা। ১৯৪৭ ধর্মীয় ভিত্তিতে ভারত বিভাগ কায়দে আজম জিন্না জাতির পিতা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শেখ মুজিবের গুরু আদর্শিক নেতা। ১৯৬৬ শেখ মুজিব আন্দোলন সংগ্রামের একমাত্র অধিবক্তা, পূর্ব পাকিস্তান বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনিই প্রধান প্রবক্তা। স্বাধিকা প্রতিষ্ঠার ছয় দফা আন্দোলন প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, পাকিস্তান সরকার শুরু জনতার উপর নির্যাতন নিপীড়ন। ১৯৬৮ পশ্চিমা সরকার দায়ের করেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, নেতাদের ধরপাকড় অভিযান শুরু বাসায় করা হয় হামলা। ১৯৬৯ আন্দোলন সংগ্রাম গণঅভ্যুত্থানে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার, ক্ষমতার ভিত নড়ে যায় পশ্চিমাদের…
-
আত্রাই নদী
আত্রাই নদী তাহমিনা খাতুন আত্রাই! ছোট্ট এক নদী ছোট্ট! তবু সে ছুটিতেছে বুঝি নিরবধি। ছোট্ট তার দুটি কূল এপার ওপার যায় দেখা তার না হয় কোন ভুল। কূল ঘেঁষে আছে তার ছোট ছোট গ্রাম। স্নেহে আর মমতায় ঘিরে রাখে অবিরাম। হয়তো বা ছিল কভু বিশাল জলধি কঠিন সময়ের সাথে হইয়াছে শীর্ণকায়া নদী। বড় বড় পানশি আর পাল তোলা নাও ছুটে যেত বহু দূরে কোন দূর গাঁও। গুন টেনে যেত নাও কোন সে দূরের পানে ভাটিয়ালি সুরের যাদু ভেসে আসত কানে। বিশাল জলধির চিহ্ন আজ নাহি খুঁজে পাই, ধুঁকিয়া বাঁচার আকুলতা তার দেখি যে সদাই। নিষ্প্রাণ স্রোত ধারা নিয়ে তবু…
-
ভালোবাসার উপহার, যেওনা অন্য কোথাও, ফিরে এসো
ভালোবাসার উপহার কে এম আশরাফুল ইসলাম ভালো লাগে তাই ভালোবেসে যাই ভাবনায় হই হারা, ঠিকানা জানাই হৃদয় আকাশে হয়ে আছো ধ্রবতারা। চির অনির্বাণ তুমিই প্রিয় প্রাণ কল্পিত আরাধ্য নীড়ে, দীপ্ত নিশান উড়ায়ে চলি এ জীবনের তীরে তীরে। এই যে আঁখি তৃষিত পাখি প্রত্যাশার পাখায় ভর, প্রণয় রাখী দিয়ে বাঁধি ভালোবাসার নব ঘর। সেই ঘরে রহিবো চিরতরে যেখানে দু’জনায়, পরম আদরে সুখের জীবনে হারাবো আপনায়। নহে ফুল কোনো ভুল সুরম্য অট্টালিকার স্বপন, তুমি অতুল প্রশান্ত চিত্তের স্পন্দিত আরাধ্য জীবন। এই মন এই জীবন মরমে থাকা যত ভালোবাসা, প্রিয়জন তুমিই আমার নিও উপহার মিটিবে তিশা। আরও পড়ুন কে এম আশরাফুল ইসলামের…
-
অনন্য বাতিঘর
অনন্য বাতিঘর এ এফ এম মনিরুল ইসলাম তরুন ফেসবুকে যখনই চোখ বুলাই আমাদের সুজানগরের পোস্ট সর্বাগ্রে খুঁজে বেড়াই। উৎসাহ উদ্দীপনা জাগরণ সৃষ্টি, করেছে মন জয় লেখনিতে ফুটিয়ে তুলেছেন, শিক্ষনীয় নানা বিষয়। বুদ্ধিদীপ্ত সুশিক্ষিত এক ঝাঁক উদীয়মান লেখক-কবি লেখালেখিতে আঁকিয়ে চলেছেন এলাকার প্রতিচ্ছবি। বিমল কুন্ডু, খলিফা আশরাফ উভয়ই বীরমুক্তিযোদ্ধা কর্মজীবন বর্ণাঢ্য, ছিলেন সরকারের সাবেক কর্মকর্তা। বিমল কুন্ডু’র ঔপন্যাস-গল্প-প্রবন্ধ কিংবা কবিতা বহু বইয়ের রচয়িতা, পাঠকের বাড়ায় সচেতনতা। খলিফা আশরাফ কবি ও গল্পকার দেশব্যাপী আলোচিত, তার লেখা বই প্রিয় সবার। উভয়ই গুরুজন লেখালেখি করেন প্রতিদিন মাঝে মধ্যেই আবৃত্তি করেন ড. জয়নুল আবেদীন। এ কে আজাদ দুলাল, সেলিমুজ্জামান, জিন্নাত আরা রোজী গল্প প্রবন্ধ…
-
চোখের ইশারায়, কদম ফুলের হাসি, সাত দিন, পরান-পাখি
চোখের ইশারায় খোন্দকার আমিনুজ্জামান হঠাৎ বৃষ্টি দারুণ সৃষ্টি বন্ধু ভিজে যায় হৃদয় আমার ছবি আঁকে চোখের ইশারায়। চমকে চমকিত হই পুলকে আচ্ছাদিত চিত্ত নৃত্য করে ওঠে চলে অবিরত ভিজে ভিজে বন্ধু এ কোন আলো ছড়ায়? এ যে আগুনের জলছাপ হৃদয় উথলিয়া ওঠে কিছুতেই থামে না উত্তাপ। ঝর-ঝর-ঝরছে বৃষ্টি সে তো থামছে না বন্ধুকে লাগছে দারুণ মিষ্টি মন তো মানছে না ভিজে ভিজে প্রিয় এ কোন আগুন ছড়ায়। আরও পড়ুন খোন্দকার আমিনুজ্জামানের কবিতা- মানবিকতা অপেক্ষা সাদা মন কদম ফুলে হাসি বাদল বসন্তে হৃদ আকাশে দোলা দেয় গো কদম ফুলের হাসি বন্ধুর বাড়ির কদম ফুল আমি কতো ভালোবাসি। বন্ধুর বাড়ির…
-
আত্মতৃপ্তি, ভালোবাসা ভুল নয়, সাময়িক হতাশা শেষে
আত্মতৃপ্তি পূর্ণিমা হক ধরেছি হাত তোমার দিনের দ্যুতি, রাতের তারায় ভালো থাকার আশায়। পার হয়ে এসেছি কতো পথ অন্ধকার বিষাদের কষ্টের- নির্ভরতার আশে। কতো যে কেটেছে রাত নির্ঘুম নয়নের বিদগ্ধতায় যোজন যোজন পথের সীমানা পেরিয়ে শ্রান্ত দেহ-মনে ধরেছি হাত তোমার। শুদ্ধ শিকলে অটুট আপনে বেঁধেছো আমায় জলসা ঘরে তোমার আলিঙ্গনে। তোমার প্রেরণায় চলেছি আজও ভ্রান্তিবিদ্ধ এ আবাসে আপন করে, ভালো রেখেছো বলে – আত্মতৃপ্ত হয়েছে বিবেক পাওয়ার পরিসীমায় আপন আত্মার ভুবনে। আরও পড়ুন কবি পূর্ণিমা হকের কবিতা- হৃদয়পটে সন্ধ্যা অনুভবে ভালোবাসা ভুল নয় তোমায় পেয়েছিলাম বর্ষার এক ভোরে দেখেছিলাম বর্ষার বারিধারায় অস্পষ্ট করে শরতের মেঘে ঢাকা চাঁদ যেমন,…
-
কবি নজরুল
কবি নজরুল তাহমিনা খাতুন সাম্যের কবি তুমি, তাই গাহিয়াছ সদা সাম্যের গান তোমার গানেতে উঠিয়াছে বাজি, মানবতার জয়গান। ধর্ম, বর্ণ, স্থান, কাল, পাত্র অভেদ করি তুমি উড়ায়েছ বিজয় কেতন, আহা! অপরুপ মরি। বিদ্রোহী কবি তুমি তোমার লেখনী হয়েছে শাণিত, প্রনমি আপন ভূমি। দ্রোহের মন্ত্রে জাগিয়াছিলো, নিদ্রাতুর জাতি উৎসাহিলে তাদেরে পাড়ি দিতে, কঠিন ভয়াল রাতি। যেথা দেখিয়াছ অন্যায়, আর যেথায় অবিচার গর্জিয়া উঠেছে লেখনী তোমার, হইয়াছে ক্ষুরধার বিদ্রোহী তুমি, কবিতায় তব জ্বালালে অগ্নি শিখা বাংলা কাব্যের ভালে পরায়েছ, জলন্ত রাজটীকা। কি দুর্মর বাজি ধরিয়াছ তুমি, ভয় শূন্য চিতে ‘শৃঙ্খল ভাঙার’ গান শুনায়েছো, তোমার অভয় গীতে। ‘শিকল পরা’ পায়ে বেজেছিল, শিকল ভাঙ্গার…
-
রঙিন খামে চিঠি, তোমার জন্য তারার ফুল, অগ্নি স্রোত
রঙিন খামে চিঠি জিন্নাত আরা রোজী বুকটা দুরু দুরু কাঁপছে,বাইরে চোখ পড়তেইখোলা রাস্তায় জোড়া শালিকমাথার উপর আকাশটাওমেঘে মেঘে ভেসে যাচ্ছে।সকাল থেকেই ভাবনাগুলোকেন যেন এলোমেলো। মনে হয় কিছু একটার জন্য অপেক্ষা করছি।হঠাৎ বাহির থেকে জোরে আওয়াজ এলো,মনটা কেন যেন আঁতকে উঠলো,এমনটাতো কখনো হয় না।আবার চিৎকার; চিঠি আছে, চিঠি।মা বললো, কার চিঠি?দেখতো মা, কার চিঠি, কে পাঠিয়েছে?হলুদ খাম, বড় বড় অক্ষরে লিখা খামের উপরে,খান বাড়ি, নওয়াগ্রাম নাজিরগঞ্জ, পাবনা। ভয়ে ভয়ে খুব আস্তে আস্তেখামের উপরের অংশটুকু ছিড়লাম।ভিতরে গাঢ় নীল কাগজ;ভাঁজ খুলতেই, ‘প্রিয় রজন শুধু তোমার জন্য।তোমার জন্য একটুকরো রঙিন কাগজ,ভালোবাসা তোমার জন্য।ভালোবাসা নিও, ভালো থেকো। আরও পড়ুন জিন্নাত আরা রোজীর কবিতা- কবির…






























