• ঊর্মিমালা-শেষ-পর্ব
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    ঊর্মিমালা (শেষ পর্ব)

    ঊর্মিমালা (শেষ পর্ব) শাহানাজ মিজান   এবাদ আলী চলে যাওয়ার পর, কেমন যেন একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম। বেশ কিছুক্ষণ বসে থাকার পর মনে হলো, অনেক দিন বললে ভুল হয়, কয়েক বছর হলো নামাজ পড়িনি। ভালো করে অজু করে এশার নামাজে দাড়ালাম। নামাজরত অবস্থায় আপনা আপনিই চোখের পানিতে বুক ভেসে যাচ্ছে। জায়নামাজে বসে অনেকক্ষণ ধরে দোয়া পড়লাম। কেন জানি না জায়নামাজ থেকে আজ উঠতে ইচ্ছে করছে না। শুধু ঊর্মির কথা মনে হচ্ছে। ধনী বাবার আদরের দুলালী, আমার মতো চাল চুলোহীন একটা ছেলের সাথে তার বাবা বিয়ে দিয়ে দিলো। সে আমাকে এবং আমার অবস্থানকে চুপচাপ মেনে নিয়ে আমার সংসার করে যাচ্ছে। আমার…

  • ঊর্মিমালা-২য়-পর্ব
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    ঊর্মিমালা (২য় পর্ব)

    ঊর্মিমালা (২য় পর্ব) শাহানাজ মিজান   কোনোরূপ আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই, আমার প্রতিবেশীদের মধ্যে দু-চারজন মুরুব্বি আর ওদের পক্ষের অল্প সংখ্যাক আত্মীয় স্বজনের উপস্থিতিতে আমাদের বিয়ে হলো। শিকদার সাহেব বললেন, বিয়ে উপলক্ষ্যে বড় অনুষ্ঠান হবে, আমাদের মাস্টার্স পড়া শেষ হলে। এত দিন যেন আমরা ভালোভাবে লেখাপড়া করি। আমার ভাঙা ঘরের পাট শোলার বেড়ার সাথে নতুন হলুদ শাড়ী, পেটিকোট, ব্লাউজ ছড়ানো। সকালে সূর্য ওঠার আগেই, ঊর্মির পিঠে ছড়িয়ে থাকা ভেজা চুল, তড়িঘড়ি করে করে আমার জন্য নাস্তা বানানো, বাড়িতে নতুনত্বের আলাদা একটা গন্ধ বাতাসে ভাসছে কিন্তু কোনোকিছুই আমার মনে কোন রকম দাগ কাটছে না। বরং, আমার সামনে ঊর্মিকে এমন ভাবে ঘুরতে দেখে, আমার…

  • ঊর্মিমালা-১ম-পর্ব; amadersujanagar.com
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    ঊর্মিমালা (১ম পর্ব)

    ঊর্মিমালা (১ম পর্ব) শাহানাজ মিজান   শেষ সম্বল বলতে বাকী ছিলো শুধু এই পুরোনো আম গাছটা। আজ সেটাও বিক্রি করে দিলাম। এছাড়া আর কোনো উপায় ছিলো না। কিন্তু এরপর কি হবে, কি করবো, কিভাবে মায়ের চিকিৎসার খরচ যোগাড় করবো জানি না। আমার মা কিডনির মারাত্মক রোগে আক্রান্ত। ডাক্তার বলেছেন, যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব অপারেশন করাতে হবে। তা না হলে, মাকে আর বাঁচানো যাবে না। আমরা খুব গরীব। সহায় সম্পত্তি বলতে বাপ দাদার রেখে যাওয়া এই ভিটে বাড়ি, আর বাড়িতে দোচালা টিনের একটা ঘর। এছাড়া আর কিছুই নেই। বাড়িতে কয়েকটি পুরোনো ফলজ গাছ ছিলো, আম, কাঁঠাল, আর নারিকেল গাছ। এসব ফলমূল বিক্রি…

  • বই পর্যালোচনা,  সাহিত্য

    অধরা চাঁদ উপন্যাস রিভিউ

    অধরা চাঁদ উপন্যাস রিভিউ শফিক নহোর   মানব জীবন ফুলের মতো। তবুও সব ফুলের সৌরভ সবাই গ্রহণ করতে পারে না। জীবন সহজ হলেও অদৃশ্য কিছু কূটিল মানুষের জন্য, সেই জীবন বাস করার অযোগ্য হয়ে পরে। বিয়োগ বেদনায় কেউ কেউ স্বস্তি পায়। মানব জনম বড়ই বিচিত্র। নিজের পাশেই হয়তো অতি প্রিয় মানুষটি থাকে। অন্তর চক্ষু দিয়ে তাকে দেখা হয় না । জীবন ও জীবনবোধের গল্প নিয়েই তরুণ লেখিকা শাহানাজ মিজান সহজ সাবলীল ভাষায় তার দেখা জীবনকে কিছু শব্দ দিয়ে বুনেছেন এক বিচিত্র মানব জীবন। উপন্যাসে প্রধানত সমাজ জীবন প্রতিফলিত হয়েছে। সমাজের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক সমস্যাসমূহও এতে প্রধান হয়ে…

  • প্রতীক্ষিত-বৃষ্টি
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    প্রতীক্ষিত বৃষ্টি

    প্রতীক্ষিত বৃষ্টি শাহানাজ মিজান   আকাশে মেঘ জমতে শুরু করলে ময়ূরী যেমন পেখম মেলে নাচে, মিনুর মনটাও তেমন করে নেচে ওঠে। এক দৌড়ে ছাদে চলে যায়। মেঘকালো লম্বা চুলগুলো বাতাসে উড়তে থাকে। সেই সাথে শাড়ির আঁচল। মিনু আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রাণ ভরে নিশ্বাস নেয়। এরপর নাচতে-নাচতে, গাইতে-গাইতে ফুলের টবগুলো এক সাথে করে। বৃষ্টিতে ভিজে, আবার সবকিছু ঠিকঠাক করে রেখে নিজের রুমে আসে। এটা ওর মা একদম পছন্দ করেন না। কিন্তু ওর বাবা মেয়ের এই আনন্দে, নিজে খুব আনন্দিত হন। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে মিনু বড়। মিনুকে তিনি একটু বেশিই ভালোবাসেন। ছয়তলা বাড়িটা ওদের নিজেদের। মিনু ছাদে হাটতে খুব পছন্দ করে।…

  • বড়-বাবা-শেষ-পর্ব
    শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    বড় বাবা (শেষ পর্ব )

    বড় বাবা (শেষ পর্ব ) শাহানাজ মিজান   রিফাতের মা বললেন, __না ভাইজান। এই বাড়িতে বউ হয়ে আসা থেকে শুরু করে সন্তানদের বড় হয়ে ওঠা, ওদের ভালো-মন্দ সবকিছু আপনি দেখাশোনা করেছেন। তাই আমি মনে করি শুধু রিফাত নয়, এ বাড়ির সব ছেলে-মেয়েদের সমস্ত ব‍্যাপারে কথা বলার, তাদের জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র অধিকার আপনার। __না রিফাতের মা। তোমরা শুনলে না, মেঝ কি বলল? __(চোখের পানি মুছে জোরে নিঃশ্বাস নিয়ে) শুনেছি ভাইজান। আমি আমার স্বামীর হয়ে আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। __ভাইজান, কারো অজানা নাই যে আপনি এই সংসারের জন‍্য, সব ভাই-বোনদের জন‍্য কি করেছেন। কেউ যদি সেটা অস্বীকার করতে চায় সেটা…

  • বড়-বাবা-৩য়-পর্ব
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    বড় বাবা (৩য় পর্ব)

    বড় বাবা (৩য় পর্ব) শাহানাজ মিজান   অলিদ থতমত খেয়ে বললো , __না, মানে তোর বাবা যে রাগি মানুষ, আমি তো খুব ভয় পাই। আর তুইও তো এখনো দিপাকে কিছু বলিসনি। তাই বলছিলাম আর কি… __হুম দিপাকে কালই বলবো। ছাত্রছাত্রীরা একে একে সবাই বের হয়ে যাওয়ার পরে, দিপা বই খাতা গোছাচ্ছিলো। এ সময় রিফাত এসে বললো, __দিপা তোমার সাথে আমার কিছু কথা ছিলো। দিপা মাথা নিচু করে, সবকিছু গোছাতে গোছাতেই বললো, __আমি জানি আপনি কি বলবেন। কিন্তু….. দিপাকে থামিয়ে দিয়ে রিফাত বললো, __প্লিজ, দিপা। কথা বলার আগেই, কথার মাঝখানে কিন্তু বসিয়ে দিও না। __কি করবো বলুন? কিন্তু যে বসাতেই হবে…

  • বড়-বাবা-২য়-পর্ব
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    বড় বাবা (২য় পর্ব)

    বড় বাবা (২য় পর্ব) শাহানাজ মিজান   পড়ন্ত বিকেল, রিফাত একটার পর একটা সিগারেট খেয়েই যাচ্ছে। আর ওর মনে হচ্ছে ঐ ধোয়ার মধ্যে দিয়ে হেটে হেটে আসছে দিপা। রিফাতের চোখ দুটো ফুলে লাল হয়ে আছে। মনে পড়ছে, এই তো সেদিনের কথা। রিফাত গ্রামের হাইস্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলো। প্রিয় বন্ধু অলিদই পরামর্শ দিলো, বাড়ির বাহিরে একটা ঘর তুলে, সেখানে কোচিং সেন্টার খুলতে। এখন সব শিক্ষকেরাই এভাবে কোচিং সেন্টার খুলে ছেলে-মেয়েদের পড়ান। তাতে শিক্ষকদের সময় বাঁচে আর ছেলেমেয়েদের ও সুবিধা হয়। বিশেষ করে যেসব পরিবারের, ছেলে-মেয়েদের জন্য একা একজন শিক্ষক বাড়িতে রেখে পড়ানোর সার্মথ‍্য নেই। তাদের জন‍্য তো খুবই ভালো সুবিধা…

  • বড়-বাবা-১ম-পর্ব
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    বড় বাবা (১ম পর্ব)

    বড় বাবা ( ১ম পর্ব) শাহানাজ মিজান   আকাশে প্রচণ্ড মেঘ জমেছে। সন্ধ্যা নেমে আসছে। রিফাত দোকানে এলো। তাড়াতাড়ি কয়েক প্যাকেট সিগারেট নিয়ে চলে যেতে উদ্যত হলে, দোকানদার চাচা বললেন, __বাবা রিফাত! তোমার কি এই কাম সাজে? কি মানুষ তুমি আর কি করছো? সব তো ঠিকই অয়া যাবি। এতো পাগলামি করো না বাবা। রিফাত সিগারেট ধরিয়ে একগাল ধোঁয়া ছেড়ে, দোকানদার চাচার দিকে একবার তাকালো। তারপর কোনো কথা না বলেই চলে গেল। রিফাত আগে দিনে দুটো সিগারেট খেত। ভার্সিটিতে লেখাপড়া করার সময় বন্ধুদের পাল্লায় পরে সিগারেট খাওয়া শিখেছিলো। শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর ভেবেছিল, আর কখনো সিগারেট খাবে না। আর যাই…

  • একটি-মিষ্টি-স্বপ্ন
    গল্প,  শাহানাজ মিজান,  সাহিত্য

    একটি মিষ্টি স্বপ্ন

    একটি মিষ্টি স্বপ্ন শাহানাজ মিজান বাসার ভেতর বসে থাকতে-থাকতে বিরক্ত লাগছিল। আম্মা বারবার বলছেন, বাহির থেকে একটু ঘুরে আসতে । তবে একা একা বাইরে যেতেও ভাল লাগছেনা। এই করোনাকালীন সময় বুঝিয়ে দিয়েছে, পৃথিবীতে সত্যি সত্যিই কেউ কারো না। আনমনে ল্যাপটপটা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম, উদ্দেশ্য তিনশোফিট। জায়গাটা বেশ দারুণ। আমি যে বাসায় থাকি ঠিক তার অদূরেই। বাবার সঙ্গে একবার গিয়েছিলাম। ঘরে একা থাকতে বিরক্ত লাগছিল, আবার এখানে এতো মানুষের ভিড় দেখেও বিরক্ত লাগছে। যা হোক একটু ফাঁকা জায়গায় গিয়ে বসলাম। ইচ্ছে না হলেও ল্যাপটপটা চালু করে কাজে মন দেয়ার চেষ্টা করলাম। কখন যে কাজের মধ্যে ডুবে গিয়েছি বুঝতে পারিনি। হঠাৎ চুলে…

  • তবুও-ভালোবাসলাম-শেষ-পর্ব
    গল্প,  সাহিত্য

    তবুও ভালোবাসলাম (শেষ পর্ব)

    তবুও ভালোবাসলাম (শেষ পর্ব) শাহানাজ মিজান   ইমনের মা ডাক্তারের অনুমতি নিয়ে ফারিহাকে একটু নরম ভাত খাওয়ালো, খাওয়ার সাথে সাথে বমি হয়ে গেল। ইমন আরো অস্থির হয়ে গেল। মাকে বারান্দায় ডেকে নিয়ে বললো- মা, ফারিহা কি বাঁচবেনা ? মা রেগে ওর দিকে তাকিয়ে চলে গেল। ইমন মনে মনে ভাবছে- সবাই শুধু আমার সাথেই কেন রাগ করছে? আমি তো বার বার ফারিহাকে বাসায় যেতে বলেছি, ও কেন গেল না। আরো দুদিন পর, আজ ফারিহা অনেকটাই সুস্থ। ইমন ফারিহার হাত ধরে আছে। ইমন: তুমি এখনো আমার উপর রেগে আছো? (হঠাৎ তুমি করে কথা বলছে)। ফারিহা: কেন রেগে থাকবো না? ইমন: কেন রেগে…

  • তবুও-ভালোবাসলাম-২য়-পর্ব
    গল্প,  সাহিত্য

    তবুও ভালোবাসলাম (২য় পর্ব)

    তবুও ভালোবাসলাম (২য় পর্ব) শাহানাজ মিজান   ফারিহা: তা কি বাচাতে বিয়ে করতে বাধ্য হলেন? বাবার জীবন নাকি সম্পত্তি? ইমন: মানে? ফারিহা: মানে, আপনার বাবা আপনাকে ত্যাজ্য করতে চেয়েছেন মানে তো সবকিছু থেকেই আপনি বঞ্চিত হতেন- তাই বলছিলাম। ইমন: বিশ্বাস করুন, বাবা মা, ছোট বোন সবাইকে আমি খুবই ভালোবাসি – – – – ফারিহা: আর বন্যাকে? ইমন:( থতমত করে) হ্যা, আমি বন্যাকেও খুব ভালোবাসি কিন্তু বাবা কিছুতেই আমার কোন কথা শুনতে চাইলেন না। ফারিহা: তো এখন কি করতে চাইছেন? ইমন: কি করবো? ফারিহা: আমার সাথে সংসার করবেন নাকি করবেননা? ইমন; আমি ঠিক বুঝতে পারছিনা কি করবো। ফারিহা: আশ্চর্য মানুষ আপনি,…

  • তবুও-ভালবাসলাম-১ম-পর্ব
    গল্প,  সাহিত্য

    তবুও ভালোবাসলাম (১ম পর্ব)

    তবুও ভালোবাসলাম (১ম পর্ব) শাহানাজ মিজান   ফারিহা অনেকক্ষণ ধরে বসে আছে বাসর ঘরে। বিয়ে বাড়িতে আগতো সমস্ত মেহমান হয়তো ঘুমিয়ে গেছে। আর কারো কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছেনা। ফারিহা ওয়ালক্লকটার দিকে তাকিয়ে দেখলো রাত প্রায় তিনটে বাজে। ফেব্রুয়ারি মাস। শেষ রাতে বেশ শীত শীত লাগছে। সেই রাত বারটার আগেই সবাই ফারিহাকে বাসর ঘরে বসিয়ে দিয়ে গেল কিন্তু এত রাত হয়ে গেল ইমন এখনো এলো না। বারান্দায় বসে আছে। এই শীতের মধ্যে বারান্দায় এভাবে বসে আছে, ঠান্ডা লেগে যাবে। ফারিহা সবই বুঝতে পারছে আর ভাবছে – আমার কি একবার যাওয়া উচিৎ?  ইমন একটার পর একটা সিগারেট খেয়েই যাচ্ছে। ফারিহা এসে ডাকলো- …

  • পৃথিবীর-মন-ভাল-নেই
    কবিতা,  সাহিত্য

    পৃথিবীর মন ভালো নেই

    পৃথিবীর মন ভালো নেই শাহানাজ মিজান    পৃথিবীর মন ভালো নেই, স্তব্ধ আজ জোনাক জ্বলা রাত্রি। ভ্রমরের গুঞ্জনে মূখরিত ছিলো যে পথ, অসহায় দৃষ্টিতে শুধু চেয়ে থাকি, এ পথের শেষ কোথায়? ক্লান্ত ঘড়ির কাটা, ক্লান্তিহীন ঘুরছে।   কতো কতো ইচ্ছে গুলো উকি দিয়ে যাচ্ছে বারে বার। কতো কথা, কতো ব্যাথা মনে মনেই খেলছে লুকোচুরি। দিগন্ত বিস্তৃত হলুদ শষ্য ক্ষেত, সেখানেও অন্তহীন নিঃসঙ্গতা স্বার্থপর পৃথিবীতে পর হয়েছে, যে ছিলো আপন সহযাত্রী।   শ্রাবণ আকাশের লুকোচুরি খেলা রোদে, কিংবা হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টিতে ভেজা হয়নি বহুদিন। আজো আকাশে ছিলো, জোছনার মাখামাখি। দুজন দুজনের হাত ধরে দাঁড়াতে পারিনি, ছাদের ঐ কার্নিশে   ঊষর…

error: Content is protected !!