• গাজনা-বিলের-ধান
    কবিতা,  সাহিত্য

    গাজনা বিলের ধান

    গাজনা বিলের ধান মো. শরিফুল ইসলাম   আমার এ সোনার ধান রবে কি মাঠে পরে? যারে ফলবার জন্য আমি অঙ্গ দিয়েছি ঝরে রাত নেই আমার, দিন নেই আমার, করেছি তারে যতন যেনো দেখে বলে তাকে, হয়েছে মনের মতন। কতো করেছি যতোন, তারে হতে দেয়নি রোগা দেখলে কোন শঙ্কা সংশয়, দিয়েছি কতো জোগা। ডোপ কাঁধে নিয়ে কতো দিয়েছি, ধানের ক্ষেতে বিষ কতো নিড়ানি দিয়েছি আমি, যতনে অহর্নিশ। ফলবে সোনার ফসল আমার, ঘুচবে মোর বেদনা মুছে যাবে ক্লান্তি হতাশা, যতো দূর্ভোগ যাতনা। বারে বারে আসি ছুটে আমি, দেখতে তার রূপ আমার দিকে তাকিয়ে হাসে খলখল করে খুব। দেখে আমার মন ভরে যায়,…

  • শাপলাদিঘির-পাড়ে
    কবিতা,  খোন্দকার আমিনুজ্জামান,  সাহিত্য

    শাপলাদিঘির পাড়ে, দু-হাত বাড়িয়ে, তুমি যত উন্নত, রূপকন্যা

    শাপলাদিঘির পাড়ে খোন্দকার আমিনুজ্জামান   নীরবে নির্জনে শাপলাদিঘির পাড়ে এসো বন্ধু দেখা হবে তমাল-তলাতে। পড়ন্ত বিকেলে, শোভিত পত্র-পল্লবে আসিবো চলতে চলতে পারিনি যা বলতে তাও বলিবো তুমি এলে বসবো দুজনে দিঘির চালাতে। সময় চেয়েছিলে কথা দিতে বলেছিলে খোলা মনে বলিও তুমি পুষ্পিত পরশে নৈসর্গিক এই স্বর্গে কিছু কথা বলবো আমি কথা হলে দুজনে, জানি বদল হবে মালা গলাতে। বসন্ত বিলাসে খোলা সমীকরণে বসিবো গল্প-কল্প-সুর আর গানে ভাসিবো এসো বন্ধু তোমার মোহন গান জাগবে গলাতে। আরও পড়ুন খোন্দকার আমিনুজ্জামানের কবিতা- ভালোবাসার গ্রাম হৃদয় ভেঙে যায় কবি ও কবিতা দেশের  মাটি     দু-হাত বাড়িয়ে দু-হাত বাড়িয়ে এক পায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছি বন্ধু…

  • ভালোবাসা
    কবিতা,  সাহিত্য

    ভালোবাসা

    ভালোবাসা রাফিয়া লাইজু   ভালোবাসা তুমি আছো- নবজাতকের নরম তুলতুলে হাতের ছোঁয়ায় ক্লান্ত পরিশ্রান্ত বিরামহীন মাতৃত্বের মমতায় বাবার কঠোর শাসনের আড়ালে শাশ্বত কোমলতায় ভাই-বোনের খুনসুটি আদি ও অকৃত্রিম সরসতায় আধো আধো কথা বলা শিশুর প্রথম ভাষায় শৈশব-কৈশোর-তারুণ্যের-উচ্ছ্বলতায়। ভালোবাসা তুমি আছো- নবোদিত সূর্যের ছড়িয়ে পরা নরম আলোয় বাঁক ডাকা-প্রাতের আগমনী বার্তায় প্রত্যূষে নির্মল বাতাস পাখির কলকাকলির মুখরতায় সবুজ ঘাসের ডগায় স্বচ্ছ শিশির কণায় কালপুরুষ-সপ্তর্ষিমন্ডল বাঁধভাঙা জোছনায়। ভালোবাসা তুমি আছো- প্রেমিকের না বলা কথার ব্যকুলতায় অপেক্ষারত প্রেমিকার উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় হতাশাগ্রস্ত বেকার যুবকের একগাল দাঁড়ির বিষন্নতায় রাত জাগা স্মৃতির তোরণ রোমন্থনায় যুবকের শেষ চুমুক হেমলকের বিষাক্ততায়। ভালোবাসা তুমি আছো- জ্যৈষ্ঠের রসালো ফলের সুঘ্রাণ…

  • কবিতা,  মযলুম মুসাফির,  সাহিত্য

    আমার সংসার

    আমার সংসার মযলুম মুসাফির   যেদিন আমার এ সংসারে আসলো ছেলের মায়ে, অসীম পথের যাত্রা কিছু শিখলো কঠিন ঘায়ে। বাপের বাড়ি শেখেনি কাজ, মায়ের স্নেহের ধন, এখন সেটা করতে গেলে ঘটায় অঘটন। পানি টানা রান্না করা কাপড় ধোয়ার কাজ, করছে বটে, কপালে তার ভাঁজের পরে ভাঁজ। সেদিন আমায় নাক ফুলিয়ে বলছে অনেক রাতে, এই সংসার এমন করে কোন পাগলে পাতে! আমি বুঝি আসলে তার নাই সংসার জ্ঞান, তাইতো আমার কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর ঘ্যান। একটুখানি বকা ঝকায় গুটিয়ে ফেলে ব্যাগ, আমি ভাবি এবার বুঝি করবে আমায় ত্যাগ। আবার তারে আদর করে কাছে টেনে আনি, সাথে সাথেই সব অভিমান ভোলে অভিমানী।…

  • শোকবার্তা
    কবিতা,  সাহিত্য

    শোকবার্তা, নগর সংস্করণ, আলোর বর্জ্যে মুদ্রিত সন্ধ্যা, বটগাছ নিরবে বাড়ে

    শোকবার্তা রিঙকু অনিমিখ   বিষাদের দ্বি-প্রহর; এ জাগতিক পূর্ণ সূর্য অর্জুনের দীক্ষা ভেঙে পূরণ করেছো ফাঁকি ভরেছো কলার ভাঁড়ার। ও আরাধ্যজন— স্বারাধনায় করেছো জয় তপ্ত সিংহাসন বাতাসের নম্রতা নিয়ে অনুকম্পা মেঘ পুজোর ভাষ্যে করে গুণকীর্তন—বজ্র-সংলাপে পরম আনুগত্যে, স্তুতিবাক্যে হাসে স্মিতা বিষাদ ছড়াও তুমি বিষাদের পিতা…. হেমন্তভোরে রৌদ্রের পায়ে পায়ে ঘাসের ডগায় মৃত্যুর মতো শোক জমা হয়; প্রতিটি ঘাসের চূড়ায় জ্বলে ওঠে একটি দুটি অসংখ্য চিতা বিষাদ ছড়াও তুমি বিষাদের পিতা…..   নগরসংস্করণ পোড়া মাংসের ঘ্রাণ জানিয়ে দিচ্ছে শ্মশানের নিকটতর খবর শহরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে এ সংক্রান্ত গুঞ্জন তবু কেউই পেছন ফিরে চাইছে না কেউই দেখছে না…

  • শিরোনামহীন;amadersujanagar.com
    কবিতা,  কে এম আশরাফুল ইসলাম,  সাহিত্য

    শিরোনামহীন, স্মৃতির পাতায়

    শিরোনামহীন কে এম আশরাফুল ইসলাম   (‘আমাদের সুজানগর’ সংকলন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান উপলক্ষে ) আমি নগন্য সমবেত গন্যমান্য যোগ্যদের আগমনে, সবাই অনন্য অযোগ্য আমি এই বিকশিত কাননে। করি বিচরণ পুলকিত মম আনন উপজেলার যত ফুল, করিতে চয়ন আসিয়াছি হেথায় নামিক আশরাফুল! ভালো লাগে তাই লিখে লিখে যাই বরেণ্য বরণীয় সুধী, তোমাতেই হারাই সেখানেই পাই সবাই পরাণের দরদি! কেউ হাসে কেউ পিপাসে মূল্যায়নের তুলাদণ্ডে, কেউ ভালোবাসে নব রূপায়নের অযাচিত রিমান্ডে! এই ভাষা বিন্যাস ঘাসফুলের চাষ শিশিরে মুক্তোর দানা, এলোকেশী নিবাস তাণ্ডবে মাতাল দিয়েও হারায় ঠিকানা! খুঁজি আরবার দোলায়িত পারাবার মহাশূন্য অটবী, জোসনায় হাহাকার প্রেমাঞ্জলি মোর অলকাপুরী পৃথিবী! মরু মরীচিকা প্রত্যাশার…

  • একজন-মুক্তিযোদ্ধার-কষ্ট
    কবিতা,  সাহিত্য

    একজন মুক্তিযোদ্ধার কষ্ট, ভুল, আত্ম বেদনা

    একজন মুক্তিযোদ্ধার কষ্ট (বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিফা আশরাফকে উৎসর্গকৃত) আজিজুল কায়সার   মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ভাঙার স্বপ্নে নগ্ন উল্লাসে যেনো মেতে উঠেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধাদের অশ্রু নয়নে নদী। ৭৫ এর নৃশংসতায় অকৃতজ্ঞ জাতি, নির্বাক দেখেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধারা সেদিনই স্তব্ধ হয়ে গেছে। জেল হত্যার ধৃষ্টতায় ধূর্ত শেয়াল, চেয়ে দেখেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধাদের বন্দুক ছিলো বারুদ হীন। হঠাৎ উদিত কালো চশমার দৌরাত্ম, দেখেছে পৃথিবীর সকলেই। মুক্তিযোদ্ধারা ছিলো নিরস্ত্র দেহে নিথর। জাতি ধ্বংসে বুদ্ধিজীবীর নৃশংস ইতিবৃত্ত অপলক দেখেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধারা সেদিন পরাজিত হয়েছে। হাতে পতাকা দেশদ্রোহীর অট্রহাসি , দেখেছে জন্মভূমির সকলেই।   ভুল ভুলে সব দিন পার, করে গেছি একাকার, মাটিতে পড়েনি পা, দিয়ে গেছি…

  • আমার-গ্রাম
    কবিতা,  সাহিত্য

    আমার গ্রাম, বাবা, নারী

    আমার গ্রাম দিলরুবা করিম   গ্রামখানি আমার সবুজ শ্যামলে ঘেরা পাশে বয়ে গেছে গাজনার বিলের ধারা। এখানে স্নিগ্ধ সকালে মৌসুমি ফুল ফোটে। শরতের আকাশে কাশফুলের ছায়া লুটে। হেমন্তের মাঠে সোনালি ফসলে কৃষকের ক্লান্ত মুখে ফুটে হাসি। আমার গ্রামের মাটিতে আমার প্রাণ আমি এই মাটিতেই খুঁজি নব জীবনের সন্ধান। এই গ্রামের মানুষেরা সবে মুক্ত উদার মনে হৃদয়ে তাদের জাগে আগামী দিনের আশা। এই গ্রামের এই মাটিতেই আমার প্রাণ,মধুর আমার ভাষা এই গ্রামেই আমার বাবা-মায়ের অন্তিম ডাক আসে, সেই ডাকাতে সাড়া দিয়ে নির্ভাবনায় ঘুমিয়ে তারা আছে। এই গ্রামেই আমি হারিয়ে যেতে চাই আমার কান্না হাসির অস্তিত্বের মাঝে।   বাবা বাবা, তোমায় খুঁজি…

  • মানুষ-হয়ে-উঠা
    কবিতা,  ফজলুল হক,  সাহিত্য

    মানুষ হয়ে উঠা, আলো-আঁধারি

    মানুষ হয়ে উঠা ফজলুল হক   তুমি তারুণ্য দীপ্ত রুদ্ধ দুয়ার ভেঙে আলোর মশাল জ্বালাতে চাও? একটু পিছনে তাকাও দেখতে পাবে ভুল পথে ছড়িয়ে আছে অমীমাংসিত কিছু বিস্মৃতি। আরো একটু পিছনে দ্যাখো সময়ের কৃষ্ণ গহ্বরে কিছু অনভিপ্রেত অভিজ্ঞতার মৃদু গন্ধ অনুভূত হবে। ব্যর্থতার এসব ভুল গল্প থেকে নির্ভয়ে বেরিয়ে এসো, কী দেখতে পাচ্ছো? চলার পথটা সংকোচিত করা হচ্ছে, তথাকথিত মানুষরুপী দানবেরা দুর্বলদের বাকস্বাধীনতা ও অধিকার আকণ্ঠ গ্রাস করছে জগদ্বাসী অসহায় কাঁদছে; চাওয়া-পাওয়ার মাঝে নিদারুণ অসন্তুষ্টির হাটবাজার বসেছে প্রতারিত হচ্ছে ভাবাবেগ মানচিত্র কে খামছে ধরছে উলঙ্গ সমৃদ্ধ শকুনের দল, নৈতিকতাকে পরাজিত করবার নির্লিপ্ত খায়েশে উদ্যমতার পায়ে শিকল পরানোর অপচেষ্টায় তারা প্রমত্ত,…

  • বেদনার-কূলে-কূলে
    কবিতা,  কে এম আশরাফুল ইসলাম,  সাহিত্য

    বেদনার কূলে কূলে, তবুও ভালোবাসা অমর হোক

    বেদনার কূলে কূলে কে এম আশরাফুল ইসলাম   ভাটাতে রেখা বুকেতে দেখা নদীর অন্তর কাঁদে, এসেছিলে সখা পদাঙ্ক তাই লুকানো নীলিমার চাঁদে! মম হিয়াখানি প্রচ্ছদ আসমানি অগণন তারার আঁখি, মায়ার খনি নিকষ অমায় খোঁজে অভিমানী পাখি। চলেই গেলে আর নাহি এলে অবাঞ্চিত অমানিশা, রেখে গেলে বেণু বনে জোনাক জ্বলা ভালোবাসা! তারারা হাসে আঁধারে ভাসে ঐন্দ্রজালিক স্বর্ণলতায় , টানে পিপাসে তোমার প্রেম শিশিরের মুক্তো কচুপাতায়! তবু কূলে কূলে প্রত্যয়ের বেদিমূলে সাজিয়ে ফুলের ডালি, ভুলে অভুলে হই ফেরারি অর্পি তপ্ত ভক্তির নয়ঞ্জলি! যেই কূলে যাই অকস্মাৎ হারাই তর্জনে গর্জনে পরাণ, শুনে নাই নাই বিষাক্ত শেলে ক্লান্তিতে হয় পেরেশান। ভিখারিনী নয়ন নন্দিনী কেনো…

  • আদ্যনাথ ঘোষ,  কবিতা,  সাহিত্য

    আনন্দের ধারা, হে তরুণ, কান্নার কৈলাসে

    আনন্দের ধারা আদ্যনাথ ঘোষ   প্রসন্ন আলোয় আনন্দের ধারা বহিছে অবিরল বুকে তার ছলছল ছোট বড় ঢেউ অঙ্গে তার আনন্দের উচ্ছল হাসির মুখরতা। উদাসি রোদ্দুরে কৃষ্ণচূড়ার দল চোখে ভেসে আসে তার সাথে জেগে ওঠে কামিনী কাঞ্চন আর রাধাচূড়া অসীম আনন্দে ওড়ে আকাশেতে পাখি। কতো যে স্বাধীন আজ তাদের আকাশ খাল বিলে ফোটে শাপলা, শালুক, কলমিলতা আরও কতো যে ভাগ্যের অলীক লতা তার পাড়ে মনসার ঝোপে ফোটে লাবণ্যভরা ফুল আশেপাশে আগাছার ছন্দময় বিস্তারের ছোট ছোট জাল উজ্জ্বল সোনালি রোদ্দুরে মেঠো পথও সেখানে পথ হারায়- উত্তাল বাতাস ডেকে নেয় আনমনা পথের ভাসমান ধূলি শব্দের পত্রালি আর স্নেহমাখা আদরের সাথে প্রজাপতিগুলো ঢেউ তুলে…

  • একটি-মেঘের-দৃশ্য
    আবু জাফর খান,  কবিতা,  সাহিত্য

    একটি মেঘের দৃশ্য, ব্যবধান

    একটি মেঘের দৃশ্য আবু জাফর খান   বলেছিলে, ‘যে কোনো দৃশ্যে মেঘ এঁকে দিতে পারি!’ অথচ তোমার আঙুলে থমকে গেল পাথর স্নানের দৃশ্য থেকে তুর পাহাড়ের চা-বাগান; মাঝের সময়টুকুও। বলেছিলে, আঙুল কিংবা মণিবন্ধ আসলে মেঘের ছায়াময় রূপকথা তরুণাস্থি ছুঁয়ে থাকা একজন রুয়াল ডালের ঐশ্বরিক টান; অথচ তিনদিক ঘিরে থাকা পাহাড় আমাকে বলল, মেঘ নয় মোটেই… এসব রৌদ্রের গল্প, কোটালের লুকনো বৃত্তান্ত, একটি দৃশ্য রচনার বাহানা । বস্তুত দুপুরের কোনো রূপকথা থাকতে নেই।   THE SIGHT OF THE CLOUD You said, At any sight I can sketch the cloud!” But on your fingers The sight of stone-bath and the tea garden…

  • শিরোনামহীন-সম্পর্ক; amadersujanagar.com
    কবিতা,  ফজলুল হক,  সাহিত্য

    শিরোনামহীন সম্পর্ক, মনের বীজতলা

    শিরোনামহীন সম্পর্ক ফজলুল হক   কিছু সম্পর্ক আজীবন শিরোনামহীন থেকে যায় দীর্ঘশ্বাসে পোড়ে ঘরহীন ঘরের আঙিনা; যাপিত জীবনের আয়নায় মুখ দেখে ইদানীং নিজেকে বড্ড অচেনা মনে হয়। বন্ধপ্রায় মনের দরজা খুলে তৃষ্ণার্ত দুপুরে যুবতি জলের ঘ্রাণ হৃদয়ঙ্গম করি, জলকেলি জলে পা ভিজিয়ে স্বপ্ন বোনার স্বপ্ন দেখি। জলসিঁড়ি ভেঙে তুমিতো পারো সমুদ্র অবগাহনে মেতে উঠতে, আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অপরিণামদর্শী প্রেম সীমাহীন সীমানায় বেপরোয়া ছুটে চলে শিরোনামহীন মুহূর্তগুলো সম্পর্কের বাইরে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, যেনো হৃদয়ের কতো কাছে বসবাস। চোখ বন্ধ করে চলে যাই আদিম পথে মনে হয় তুমি আমি ওখানেও পথ হেঁটেছি যুগপৎ। মৃত্যুর পথ ধরে হেঁটে হেঁটে কান্নার ধ্বনি শুনে শিউরে উঠি…

  • কবিতা,  খোন্দকার আমিনুজ্জামান,  সাহিত্য

    জাগতে হবে, অরূপের রূপ, মানবিকতা, যে ফুল ফুটলো মনে

    জাগতে হবে খোন্দকার আমিনুজ্জামান    স্বাধীন বাংলাদেশে এখনও মানুষ শান্তি খুঁটে খুঁটে খায় কখনও পায় কখনও হারায় সাম্য কাম্য ছিলো যাদের তাদের সোনা মুখ আজ মলিন-অসহায়। ‘৭১ বুকে রেখে আবার যুদ্ধে যাবার সময় হলো জাগো জাগো দুয়ার খোলো মিছিলে মিছিলে জোয়ার তোলো কাঁপিয়ে তোলো পাষাণ হৃদয় এখনই সময়। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়তে হাসিমুখে যারা দিয়ে গেল প্রাণ তাদের জন্য, অনাগত দিনের জন্য আনবো দেশের মান জাগতে হবে জাগাতে হবে নইলে আসবে দুঃসময়। আরও পড়ুন খোন্দকার আমিনুজ্জামানের কবিতা- কষ্ট বিবেক সাদা মন   অরূপের রূপ অরূপের রূপ আছে চমক আছে থরে থরে সাধন গুণে সে রূপ অপরূপ দেখে নেরে প্রাণভরে। গুণ…

  • বেআবরু-মন
    কবিতা,  সাহিত্য

    বেআবরু মন, উইপোকাদের ঘরবসতি

    বেআবরু মন মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান   প্রেয়সি, তোমার ঠোঁটের ভাঁজের দাম দিয়েছি বিধবা মায়ের চোখের জলে; তোমার চোখের গহিন জলে ডুবেছি কত! গোলাপি ঠোঁটে, মায়াবি কেশের বুননে অনেক দাম দিয়েছি; তুমি কি জানো—তোমার কণ্ঠে ঝুলছে যে মালা, তাতে বেশ্যার দেহের ভাগ রয়েছে; তোমার হাতের কাঁকনে, মার্ডার কেসের মিথ্যা আসামি ঐ বৃদ্ধটির ভাগ রয়েছে; তোমার দামী গাড়িতে, অসহায় শহীদ পরিবারের ভিটা দখলদারের ভাগ রয়েছে; তোমার রুপশৈলীর ঐ কসমেটিক্সে, ধর্ষিতা নারীর ভাগ রয়েছে; প্রেয়সী, তুমি কি জানো—তোমার সুরম্য বাড়ি ও ফ্লাটে, ঐ যুবকের নেশার টাকার ভাগ রয়েছে; তোমার হাজার শাড়ির রকমারি ভাঁজে, ভূমিদস্যুর ভাগ রয়েছে; তোমার ঐ বেলুয়াড়ী ঝাড়বাতিতে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটেরার ভাগ…

error: Content is protected !!