• ড.-এ-বি-মির্জ্জা-মোঃ-আজিজুল-ইসলাম
    আহম্মদপুর,  কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গবেষক,  দূর্গাপুর (আহম্মদপুর),  লেখক পরিচিতি,  শিক্ষাবিদ,  সমাজসেবক

    ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম

    পাবনার বরেণ্য সন্তান ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনা, বাণিজ্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলামের প্রত্যক্ষ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার যে কয়জন ব্যক্তিকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি তাদের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে অন্যতম একজন। জন্ম: ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম ১৯৪১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: পিতা মরহুম আলহাজ্জ্ব মির্জা আব্দুর রশীদ। তাঁরা চার ভাই ও তিন বোন।…

  • পাশের-বাড়ির-আপনজন
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দ্বারিয়াপুর,  সাহিত্য

    পাশের বাড়ির আপনজন

    পাশের বাড়ির আপনজন তাহমিনা খাতুন   আমাদের ছোট পাড়াটিতে আমরা এবং আমাদের কয়েক জন ঘনিষ্ট আত্মীয়ের বসতি ছিল। আমার আপন চাচা আমাদের পাড়া থেকে সামান্য দূরে বাড়ি করে বসবাস করতেন। চাচারও ছিল আব্বার মত গাছ লাগানোর অভ্যাস। খুব গোছালো সংসারী মানুষ ছিলেন তিনি। ওনার হাতে সব সময় একটা কাস্তে বা নিড়ানি দেখা যেত, যা দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করতেন বা গাছ লাগাতেন। চাচীমাও খুব সৌখিন মানুষ ছিলেন। বাড়ি-ঘর সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেন। চাচিমা ছিলেন সদা হাস্যোজ্জল! ফুলের গাছ লাগানো, হাঁস মুরগী,কবুতর পোষা ইত্যাদি ছিল চাচীমার সখ। অতিথি আপ্যায়নেও চাচীমা ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক। যে সময়ে মেয়েদের লেখাপড়ার চর্চা করার কোন সুযোগই ছিল…

  • সংসার-ও-আইনজীবী-জীবন
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দ্বারিয়াপুর,  সাহিত্য

    সংসার ও আইনজীবী জীবন

    সংসার ও আইনজীবী জীবন তাহমিনা খাতুন   স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরুতেই আমাদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে আমাদেরকে সর্বস্বান্ত করেছিল পাকিস্তানি বাহিনী। পোড়া ভিটায় একখানা ছাপড়া তুলে কোন ক্রমে দিন গুজরান করছিলেন আমাদের পরিবারের সদস্যরা।আমাদের পরিবার ছিল মূলত কৃষিজীবী। পাক বাহিনীর অত্যাচারের ফলে কৃষি কাজে স্থিত হতে পারছিল না পরিবার। সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী আমার তৃতীয় ভাই মরহুম খন্দকার আবুল খায়ের। আমি সহ চার ভাই-বোনের লেখাপড়ার খরচ, সংসারের খরচ যোগানো একজনের পক্ষে সম্ভব ছিল না। এ কারণে আমার বিদ্যোৎসাহী ভাই আমাকে বিয়ে দিতে বাধ্য হলেন। স্বাধীনতার পর পরই আমার বিয়ে হয়ে গেল। আমার সৌভাগ্য, আমার ভাইয়ের মতো আমার স্বামীও বিদ্যোৎসাহী ছিলেন। বিয়ের পর আমি ম্যাট্টিক…

  • নাইংল্যাখালী-বিল
    আহম্মদপুর,  আহম্মদপুর ইউনিয়নের ইতিহাস ও ঐতিহ্য,  দ্বারিয়াপুর

    ইতিহাস ঐতিহ্যে দ্বারিয়াপুর

    ইতিহাস ঐতিহ্যে দ্বারিয়াপুর ~ আজিজুল কায়সার   দ্বারিয়াপুর গ্রাম পরিচিতি: পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহাম্মদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দ্বারিয়াপুর গ্রাম। পুরো গ্রামটি রয়েছে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের দক্ষিণে গা ঘেঁষে। হযরত শাহ সুলতানের স্মৃতি বিজড়িত পূণ্যভূমি এই গ্রামের প্রাণকেন্দ্র হলো বাস স্ট্যান্ড, চৌরাস্তা মোড়। পাবনা থেকে দ্বারিয়াপুরে ঢুকতেই প্রথমে চোখে পড়বে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী গ্রামীণ এবং রবি কম্পানির সুউচ্চ দুইটি টাওয়ার। একশত গজ সামনে ঈদগাহ ময়দান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বারিয়াপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও বিশাল খেলার মাঠ, ডান পাশে রয়েছে একটি মসজিদ। গ্রামের ইতিহাস ও নামকরণ: উত্তরে আত্রাই নদী, দক্ষিণে গাজনার বিল সহ এই অঞ্চল ছিল এক সময় যমুনা নদীর সাথে সম্পৃক্ত…

  • একাত্তরের-অগ্নিঝরা-দিনগুলি
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দ্বারিয়াপুর,  মুক্তিযুদ্ধ,  মুক্তিযুদ্ধে সুজানগর,  সাহিত্য,  সৈয়দপুর (আহম্মদপুর)

    একাত্তরের অগ্নিঝরা দিনগুলি 

    একাত্তরের অগ্নিঝরা দিনগুলি  তাহমিনা খাতুন   ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত হয় পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন। সে নির্বাচনে  জাতীয় পরিষদের ১৬৯ টি আসনের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ১৬৭ টি আসনে জয়লাভ করে। পক্ষান্তরে পশ্চিম পাকিস্তানে জুলফিকার আলী ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস্ পার্টি ৮১টি আসনে জয়লাভ করে। পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান, ৩ মার্চ ১৯৭১ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ আনন্দে উৎফুল্ল। সবার আশা এতদিনে বাঙ্গালীর হাতে পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাঙ্গালীর স্বপ্ন ভঙ্গ হতে দেরি হলো না। পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ সালের নির্বাচনের গণ রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ…

  • আমার-শিক্ষাজীবন
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দুলাই,  দুলাই (গ্রাম),  দ্বারিয়াপুর,  সাহিত্য

    আমার শিক্ষাজীবন

    আমার শিক্ষাজীবন তাহমিনা খাতুন   আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করলাম। পূর্বসূরী বড় বোনদের চেয়ে আলাদা নয় আমার গল্প! উচ্চশিক্ষার সুযোগের অভাব। প্রায় বছর খানেক কেটে গেল ঘরে বসেই। আমার তৃতীয় ভাই মরহুম খন্দকার আবুল খায়ের (বড় তিন ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ হওয়ায় আমরা  ছোট ভাই-বোনেরা তাঁকে ‘ছোট ভাই’ বলে সম্বোধন করতাম) যাঁর অবদান আমার জীবনে সবচেয়ে বেশী। শুধু আমার জীবনে নয়, আমার ছোট আরও তিন ভাই, বোনের জীবনেও ছোট ভাইয়ের অবদান অনস্বীকার্য! ছোট ভাই নিজে তখন ঢাকায় সামান্য বেতনে একটি চাকুরীর পাশাপাশি নৈশ কলেজে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছিলেন। ছোট ভাই ছুটিতে বাড়ি এলেন। আমার কাছে জানতে চাইলেন কি করে সময়…

  • আমার-মা
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দ্বারিয়াপুর,  সাহিত্য

    আমার মা

    আমার মা তাহমিনা খাতুন   আমার মায়ের তুলনা একমাত্র আমার মা নিজেই। নিজের মা বলে বলছি না। প্রত্যেকের মা প্রত্যেকের কাছে প্রিয়। কিন্তু কিছু অসাধারণ বৈশিষ্ট ছিল আমার মায়ের। মাকে নিরক্ষরই বলা যায়। কিন্ত নিজের সন্তানদের শিক্ষার ব্যাপারে মা ছিলেন সদা সতর্ক প্রহরী! সময় মত পড়তে বসলাম কিনা, ঠিক মতো স্কুলে গেলাম কিনা, পরীক্ষার ফলাফল কেমন করছি-প্রতিটি ব্যাপারে মায়ের ছিল তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। এছাড়া দেশ বিদেশের বিভিন্ন খবরাখবর নিয়ে মায়ের ছিল অপরিসীম আগ্রহ। আমার ছোট বেলায় আমাদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় গৃহিণীদের দেখেছি ঘরকন্না ছাড়া তাঁদের মধ্যে দেশের বা বহির্বিশ্বের ঘটনা জানার ব্যাপারে বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিল না। আমার মা যেটুকু রিডিং পড়তে পারতেন…

  • আমার-বাবা
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দ্বারিয়াপুর,  সাহিত্য

    আমার বাবা

    আমার বাবা তাহমিনা খাতুন   আমার বাবা মরহুম খন্দকার আবুল কাসেম। আমার বাবার শিশুকালটি শুরু হয়েছিল নিতান্তই দুঃখের মধ্য দিয়ে! অত্যন্ত অল্প বয়সে আমার আব্বা তাঁর ছোট দুই ভাই বোনসহ পিতৃ-মাতৃহীন হন। এতিম তিন শিশু তাঁদের নানী এবং খালাদের স্নেহ-মমতায় লালিত পালিত হন। আমার বাবার কাছে শুনেছি ওনার নানী খালারা আরবী এবং ফারসী শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন। আব্বা তাঁর নানী খালাদের নিকট আরবী এবং ফারসী ভাষায় শিক্ষাগ্রহণ করেছিলেন, তবে আব্বার বাংলা ভাষাতেও চমৎকার দখল ছিল। তাঁর বাংলা হাতের লেখা এবং ভাষাশৈলী ছিল অত্যন্ত গোছালো এবং পরিপক্ক। আব্বার সুনিপুণ হস্তাক্ষর এবং ভাষাশৈলী ছিল যে কোন উচ্চ শিক্ষিত মানুষকে চমৎকৃত করার মতো। আব্বার…

  • আমাদের-আত্রাই-নদী
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দ্বারিয়াপুর,  সাহিত্য

    আমাদের আত্রাই নদী

    আমাদের আত্রাই নদী তাহমিনা খাতুন   দ্বাড়িয়াপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে আত্রাই নদী। আমাদের ছেলেবেলায় দেখতাম বর্ষাকালে নদীটি কানায় কানায় পানিতে ভরে যেত। অনেক সময় যখন বেশ বড় বন্যা হত, নদীর কূল ছাপিয়ে হাইওয়ের উপর দিয়েও স্রোত বয়ে যেত। প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও বেশ কিছু দিনের জন্য বর্ষাকালীন ছুটিতে যেতে বাধ্য হত। কারণ বিদ্যালয়ের ঘরটিতেও বন্যার পানি ঢুকে পড়ত। বর্ষাকালে আত্রাই যখন পানিতে ভরে যেত, তখন কিছু লোক এক ধরনের জাল দিয়ে (যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হত ‘খরা’) ট্যাংরা, পুঁটি, খলশে, ছোট আকারের শোল, বোয়াল, নলা, মৃগেল, টাকিসহ আরও অনেক ধরনের সুস্বাদু মাছ  ধরতেন। আমাদের পাড়ার বাসিন্দারা সহ অনেকেই বর্ষার…

  • আবু-জাফর-খান
    আহম্মদপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য,  সৈয়দপুর (আহম্মদপুর)

    আবু জাফর খান

    আবু জাফর  খান  পেশায় একজন চিকিৎসক। ভাবনায় কবি, কথাশিল্পী ও সংগঠক। তাঁর পুরো নাম কে এম আবু জাফর। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে বর্তমানে তিনি পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক পদে কর্মরত আছেন। লেখক হিসেবে আবু জাফর খান এর বিশেষত্ব, তিনি নিবিড় অন্তর অনুভবে প্রত্যহ ঘটে চলা নানান ঘটনা, জীবনের গতি প্রকৃতি, বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, ব্যক্তিক দহনের সামষ্টিক যন্ত্রণা তুলে আনেন নান্দনিক উপলব্ধির নিপুণ উপস্থাপনায়। তাঁর লেখায় ধ্বনিত হয় বিবেক কথনের অকৃত্রিম প্রতিভাষা। তিনি তাঁর লেখায় প্রতিধ্বনিত করেন নন্দনতাত্ত্বিকতায় জীবন বোধের সমকালীন বাস্তবতা। জন্ম: কবি ও কথাশিল্পী আবু জাফর খান ১৯৭৩ সালের ৩১ জানুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের…

  • বোয়ালিয়া
    আহম্মদপুর,  বোয়ালিয়া

    বোয়ালিয়া গ্রাম পরিচিতি 

    পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি গ্রাম বোয়ালিয়া। উপজেলার অন্যতম স্বনির্ভর এবং কৃষি অর্থনৈতিক অঞ্চল এই গ্রাম। অবস্থান: বোয়ালিয়া গ্রামের পূর্বদিকে আহম্মদপুর গ্রাম, পশ্চিম দিকে বিল গাজনা, উত্তর দিকে সোনাতলা গ্রাম, দক্ষিণ দিকে আহম্মদপুর দক্ষিণচর গ্রাম অবস্থিত।  গ্রামের ইতিহাস ও নামকরণ : বোয়ালিয়া গ্রামের ইতিহাস সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ধারণা করা হয়  পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের ফলে কিছু লোক এসে এখানে বসতি স্থাপন করে।  অতীতে এখানকার খাল-বিলে প্রচুর বোয়াল মাছ পাওয়া যেত। দূর-দূরান্ত থেকে লোকেরা এখানে মাছ মারতে আসতো। এই ‘বোয়াল মাছ’-কে কেন্দ্র করেই স্থানটির নামকরণ হয় ‘বোয়ালিয়া’। আরো জানুন বোনকোলা গ্রাম পরিচিতি মতান্তরে, কোন…

  • রিঙকু-অনিমিখ
    আহম্মদপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য,  সৈয়দপুর (আহম্মদপুর)

    রিঙকু অনিমিখ

    রিঙকু অনিমিখ একজন কবি ও চারুশিল্পী হিসেবে সমধিক পরিচিত। জন্ম: রিঙকু অনিমিখ ১৯৮২ সালের ৫ এপ্রিল পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত  আহম্মদপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মিয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এটি তাঁর পৈতৃক বাড়ি। পারিবারিক জীবন: পিতা মৃত সৈয়দ আব্দুস সাত্তার ও মাতা সৈয়দা রওশনারা সাত্তার। পিতা ছিলেন একজন সরকারি চাকরিজীবী এবং মা গৃহিণী। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি তৃতীয়। শিক্ষাজীবন: স্কুল কলেজ পাবনাতেই। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কেটেছে ঢাকায়। চারুকলায় ‘ড্রয়িং এন্ড পেইন্টিংয়ে স্নাতকোত্তর। কর্মজীবন: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চলাকালীন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্সসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় চাকরির মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। বছর তিনেক আগে একটি নিউজ মিডিয়ার প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে ইস্তফা দেয়ার মধ্য দিয়ে চাকরি থেকে…

error: Content is protected !!