• সুমনা-নাজনীন
    লেখক পরিচিতি,  সাগরকান্দি,  সাগরকান্দি (গ্রাম),  সাহিত্য

    সুমনা নাজনীন

    সুমনা নাজনীন একজন কবি, কথাসাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা, কোট, অণুকবিতা লেখার সমস্ত শাখায় তাঁর বিচরণ। বর্তমানে তিনি একজন আন্তর্জাতিক লেখক হিসাবে পরিচিত। তিনি রাশিয়ান ও আলবানিয়ান ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় কবিতা ও গল্প অনুবাদ করেছেন। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই লেখেন। জন্ম: সুমনা নাজনীন ১৯৭৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত সাগরকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: সুমনা নাজনীনের বাবা রহমত আলী ফকির বুয়েট থেকে রিটিয়ার্ড করেছেন, মা নাজমুন নাহার গৃহিনী। তাঁরা দুই ভাই বোন, তিনি ছোট। স্বামী মিডিয়া কন্সালটেন্ট ও সংগঠক। তাঁদের সংসারে দুই ছেলেমেয়ে। তারা নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। আরও পড়ুন…

  • মোহাম্মদ-সেলিমুজ্জামান
    গুপিনপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাতবাড়িয়া,  সাহিত্য

    মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান

    মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান   সদালাপী এবং জীবনবাদী কথাশিল্পী মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান। তিনি কবি, কথাশিল্পী ও গবেষক হিসেবে সমাজে সমধিক পরিচিত। বর্তমানে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)  হিসেবে কর্মরত আছেন। জন্ম: পদ্মার পলিমাটি বিধৌত শ্যামল বাংলার প্রকৃতির সাথে বেড়ে ওঠা মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের গুপিনপুর গ্রামের সন্তান। সম্ভান্ত মুসলিম প্রামাণিক পরিবারে ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি-তে  তাঁর জন্ম। পারিবারিক জীবন: পিতা মহির উদ্দিন প্রামানিক ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা (শহীদ), মাতা মরহুমা হাজেরা খাতুন। ছয় ভাই বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। পিতামহ কফিল উদ্দিন প্রামাণিক ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। স্ত্রী জাফরিন আক্তার,…

  • আত্মকথন-১ম-পর্ব
    আত্মজীবনী,  সাহিত্য

    আত্মকথন (১ম পর্ব)

    আত্মকথন (১ম পর্ব) আদ্যনাথ ঘোষ   আমি আদ্যনাথ ঘোষ। নেশা লেখালেখি। মানুষের অন্তরে বসবাস। জন্ম পদ্মা নদীর তীরবর্তী হেমরাজপুর গ্রামে। পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায়। আমি যখন ছোটবেলায় সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি, তখন কবিতা লেখা শুরু করি। সেটা ছিল ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ। ছন্দে ছন্দে লিখতাম। হতো কিনা সেটা বলা মুশকিল। আমার পাশের গ্রামের একটি ছেলে পাবনা শহরে মাঝে মধ্যেই আসত। তার নাম এখন আর বললাম না। তার কাছে একটি কবিতা দিলাম পাবনার একটা পত্রিকায় দেওয়ার জন্য। সে কবিতাটি নিজের নামে পাবনার একটি পত্রিকায় ছাপিয়ে ফেলল। আমি দেখে হতাশ, হতবাক। যাহোক, পরবর্তীতে পাবনা শহরে ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে স্নাতক কোর্সে…

  • ড.-অশোক-কুমার-বাগচী-২
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  চিকিৎসক,  তাঁতিবন্ধ,  তাঁতীবন্দ (গ্রাম),  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    ডা. অশোক কুমার বাগচী

    ডা. অশোক কুমার বাগচী উপমহাদেশের চিকিৎসাশাস্ত্রের এক অত্যন্ত পরিচিত ব্যক্তিত্ব, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নিউরো সার্জন। তিনিই সর্বপ্রথম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসুস্থ জীবন সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দাখিল করেন। জন্ম: ডা. অশোক কুমার বাগচীর পৈত্রিক নিবাস পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত তাঁতিবন্দ গ্রামে। তিনি ১৯২৫ সালের ২৬ নভেম্বর রংপুরে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: ডা. বাগচীর পিতার নাম দ্বিজদাস বাগচি। তাঁর জন্মের সময় পিতা দ্বিজদাস বাগচী পাবনা শহরের ‘বাগচি ফার্মেসি’তে ডাক্তারি করতেন। পিতা ও পিতামহ উভয়েই সেকালের নাম করা ডাক্তার ছিলেন। শিক্ষা জীবন: ডা. বাগচী ১৯৩৪ সালে পাবনা জি.সি আইতে ভর্তি হন। সেখান থেকে কৃতিত্বের সাথে ম্যাট্রিকুলেশন পাস…

  • আবু-জাফর-খান
    আহম্মদপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য,  সৈয়দপুর (আহম্মদপুর)

    আবু জাফর খান

    আবু জাফর  খান  পেশায় একজন চিকিৎসক। ভাবনায় কবি, কথাশিল্পী ও সংগঠক। তাঁর পুরো নাম কে এম আবু জাফর। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য বিভাগে ডেপুটি সিভিল সার্জন পদে কর্মরত আছেন। লেখক হিসেবে আবু জাফর খান এর বিশেষত্ব, তিনি নিবিড় অন্তর অনুভবে প্রত্যহ ঘটে চলা নানান ঘটনা, জীবনের গতি প্রকৃতি, বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, ব্যক্তিক দহনের সামষ্টিক যন্ত্রণা তুলে আনেন নান্দনিক উপলব্ধির নিপুণ উপস্থাপনায়। তাঁর লেখায় ধ্বনিত হয় বিবেক কথনের অকৃত্রিম প্রতিভাষা। তিনি তাঁর লেখায় প্রতিধ্বনিত করেন নন্দনতাত্ত্বিকতায় জীবন বোধের সমকালীন বাস্তবতা। জন্ম: কবি ও কথাশিল্পী আবু জাফর খান ১৯৭৩ সালের ৩১ জানুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের…

  • বইমেলা-ও-সরদার-জয়েনউদ্দীন
    প্রবন্ধ,  সাহিত্য

    বইমেলা ও সরদার জয়েনউদ্দীন

    বইমেলা ও সরদার জয়েনউদ্দীন সাহিত্যকৃতি ছাড়াও ইতিহাসে পাবনার সুজানগরের সন্তান সরদার জয়েনউদ্দীনের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশের বইমেলার আন্দোলনের প্রবর্তক, পথ প্রদর্শক ও প্রধান সংগঠক হিসেবে। বইয়ের অসীম শক্তি যা মানুষের মেধা ও মননকে বিকশিত করে। সরদার জয়েনউদ্দীন যথার্থ উপলব্ধি করেছিলেন যে, দেশের মানুষ যত বই পড়বে দেশ ও জাতি তত উন্নত হবে। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান একটি নিবন্ধে (একুশে বইমেলার গোড়ার কথা, প্রথম আলো, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭) বাংলাদেশের বইমেলা প্রসঙ্গে যে বিবরণ দিয়েছেন, তা যেমন চমকপ্রদ তেমনি কৌতুহলোদ্দীপক। গত শতাব্দীর ষাট দশকের প্রথম দিকে সরদার জয়েনউদ্দীন বাংলা একাডেমি গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে নিয়োজিত ছিলেন। তখন বাংলা একাডেমিতে প্রচুর বিদেশি…

  • কে-এম-আশরাফুল-ইসলাম
    লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    কে এম আশরাফুল ইসলাম

    ঘটনাবহুল জীবনের অধিকারী কে এম আশরাফুল ইসলাম একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, গল্পকার ও গীতিকার। কে এম আশরাফুল ইসলাম পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের  তালিমনগর গ্রামে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর দেড় বছর পূর্বে দেওয়ান বংশে মঙ্গলবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা-মাতার ভাষ্যমতে, ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর/অক্টোবরে তাঁর জন্ম। শিক্ষা সনদ অনুযায়ী ১ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন:  পিতা মরহুম আনোয়ার হোসেন, মাতা মরহুমা জরিনা বেগম। পিতা-মাতার ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি চতুর্থ এবং সর্বকনিষ্ঠ আদরের ছোট ছেলে। অন্য ভাই বোনেরা পারিবারিক টানাপড়েনের কারণে পড়া-লেখা শিখতে পারেনি। পিতার কোনো আবাদযোগ্য ছিল না। সামান্য বসতভিটায় ছোট্ট ছনের ঘরে তাদের জন্ম এবং সে ঘরেই…

  • রিঙকু-অনিমিখ
    আহম্মদপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য,  সৈয়দপুর (আহম্মদপুর)

    রিঙকু অনিমিখ

    রিঙকু অনিমিখ একজন কবি ও চারুশিল্পী হিসেবে সমধিক পরিচিত। জন্ম: রিঙকু অনিমিখ ১৯৮২ সালের ৫ এপ্রিল পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত  আহম্মদপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মিয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এটি তাঁর পৈতৃক বাড়ি। পারিবারিক জীবন: পিতা মৃত সৈয়দ আব্দুস সাত্তার ও মাতা সৈয়দা রওশনারা সাত্তার। পিতা ছিলেন একজন সরকারি চাকরিজীবী এবং মা গৃহিণী। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি তৃতীয়। শিক্ষাজীবন: স্কুল কলেজ পাবনাতেই। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কেটেছে ঢাকায়। চারুকলায় ‘ড্রয়িং এন্ড পেইন্টিংয়ে স্নাতকোত্তর। কর্মজীবন: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চলাকালীন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্সসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় চাকরির মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। বছর তিনেক আগে একটি নিউজ মিডিয়ার প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে ইস্তফা দেয়ার মধ্য দিয়ে চাকরি থেকে…

  • সুজানগর-উপজেলার-লেখকবৃন্
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সুজানগর উপজেলার লেখকবৃন্দ

    সুজানগর উপজেলার লেখকবৃন্দ: পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার লেখকবৃন্দের তালিকা (জন্ম তারিখের ক্রমানুসারে)। পরিচিতি জানতে নামের উপর ক্লিক করুন। ১। মাওলানা রইচ উদ্দিন (১৮৯৬-১৯৬৫ খ্রি.)২। মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন (১৯০৪-১৯৮৭ খ্রি.)৩। মোহাম্মদ আবিদ আলী (১৯০৪-১৯৮৭ খ্রি.) ৪। মুহম্মদ খোয়াজউদ্দিন (১৯১১-১৯৮৫ খ্রি.)৫। এম. আকবর আলী (১৯১১-২০০১ খ্রি.)৬। মোহাম্মদ আবদুল জব্বার (১৯১৫-১৯৯৩ খ্রি.)৭। আব্দুল হাকিম (১৯১৫-  খ্রি.)৮। সরদার জয়েনউদ্দীন (১৯১৮-১৯৮৬ খ্রি.)৯। আবদুল গণি হাজারী (১৯২১-১৯৭৬ খ্রি.)১০। অশোক কুমার বাগচী (১৯২৫-২০০৬ খ্রি.)১১। আনন্দ বাগচী (১৯৩২-২০১২ খ্রি.)১২। বিমল কুণ্ড (১৯৪৮ খ্রি.) ১৩। হরে কৃষ্ণ দোবে (১৯৫০ খ্রি.)১৪। খ ম আবদুল আউয়াল (১৯৫১ খ্রি.)১৫। এ কে আজাদ দুলাল (১৯৫১ খ্রি.)১৬। খলিফা আশরাফ (১৯৫২ খ্রি.)১৭। আমিনুর রহমান খান…

  • ফকির-শরিফুল-হক
    লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য,  হাকিমপুর,  হাটখালী

    ফকির শরিফুল হক

    ফকির শরীফুল হক ১৯৮২ সালের ১৬ নভেম্বর, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত দুলাই ইউনিয়নের চরদুলাই গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রাম তাঁর পৈতৃক নিবাস। পারিবারিক জীবন: ফকির শরীফুল হক হাকিমপুর ফকির বাড়ির সন্তান। পিতা মো. হবিবুর রহমান ফকির এবং মাতা সালেহা বেগম। বাবা কৃষক আর মা গৃহিণী। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তিনি একই উপজেলার চরদুলাই গ্রামের রিক্তা পারভীনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। রিক্তা পারভীন সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে থেকে অর্থনীতিতে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। শাহরিয়ার হক রিদান নামে ৭ বছর বয়সী একটা ছেলে সন্তান রয়েছে তাঁদের। শিক্ষা জীবন: ফকির শরীফুল হকের পড়াশোনার হাতেখড়ি…

  • হাতেম আলী
    বিলক্ষেতুপাড়া,  মানিকহাট,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    মো. হাতেম আলী

    মো. হাতেম আলী ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ১০ মে, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার মানিক ইউনিয়নের বিলক্ষেতুপাড়া গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: মো. হাতেম আলীর পিতা মৃত সেরাজ উদ্দিন এবং মাতা মৃতা হাজেরা বেগম। তিনি পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে চতুর্থ। তাঁর স্ত্রীর নাম মিসেস হোসনেয়ারা বেগম (হাসি)। তাদের সংসারে তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রথম সন্তান মো. হাসানুজ্জামান (টুটুল) সি,আর,পি সাভার পঙ্গু হাসপাতাল থেকে ফিজিওথেরাপিতে অনার্স শেষ করে সেখানেই চিকিৎসক হিসাবে যোগদান করে। বর্তমানে পাবনা ডায়েবেটিস হসপিটালে সি,আর,পি শাখায় চিকিৎসক হিসাবে কর্মরত আছে। দ্বিতীয় সন্তান মো. হারুন উর রশিদ (ঝন্টু)  মেকানিক্যালে বি,এস,সি ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে চট্রগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)…

error: Content is protected !!