• অধ্যাপক-ডা.-রুহুল-আবিদ-এর-সা
    আজকাল,  সুজানগর উপজেলা

    অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ এর সাথে সাক্ষাৎ

    অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ এর সাথে সাক্ষাৎ   সুজানগর উপজেলা তথা পাবনার কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ এর সাথে সাহিত্য সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবেদিত অলাভজনক সংগঠন ‘আমাদের সুজানগর’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও ‘আমাদের সুজানগর’ ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্পাদক  প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেন এর বিশেষ সাক্ষাৎ হয়েছে। আজ (২৪ জুন, ২০২২) ঢাকার গুলশানে পাবনার সুজানগর উপজেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য বিষয়ে এক দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। “আমাদের সুজানগর” ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্মানিত উপদেষ্টা পর্ষদকে সাথে নিয়ে সুজানগর উপজেলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া এবং দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ডা.আবিদ। ডা. রুহুল আবিদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের…

  • পক্ষিরাজের-ডানা-১ম-পর্ব
    গল্প,  বিল,  সাইফুর রহমান,  সাহিত্য,  সুজানগর উপজেলা

    পক্ষিরাজের ডানা (১ম পর্ব)

    পক্ষিরাজের ডানা (১ম পর্ব) সাইফুর রহমান   চৈত্র মাস প্রায় শেষের দিকে। সুজানগরের গাজনার বিলের বিস্তীর্ণ নাবাল অঞ্চল এ সময়টাতে সাহারা মরুভূমির মত শুষ্ক ও উষ্ণ। অথচ ভরা বর্ষায় এই গাজনা বিলের প্রমত্ত উত্তাল ঢেউ ও জলরাশি দেখে কেউ হয়তো বিশ্বাসই করতে চাইবে না যে, গ্রীষ্মে এই বিলের কী এক করুণ পরণতি দৃশ্যমান হয়। যদিও চৈত্র-বৈশাখের খরতাপে অনেক প্রান্তিক কৃষক গভীর নলকূপ গেঁড়ে বোরো ধান জন্মানোর জন্যে সেচ ব্যবস্থাটি চালু রাখেন। কিন্তু তারপরও পেঁয়াজ ও অন্যান্য রবি শষ্যের জমিগুলো বেশিরভাগই বিরান, আবাদহীন ও পরিত্যাক্ত হয়ে পড়ে থাকে বর্ষা নামার পূর্ব পর্যন্ত। তবে এটা দেখে আশান্বিত হতে হয় যে বিরান এই…

  • আমাদের-সুজানগর
    পত্র-পত্রিকা,  সংগঠন,  সামাজিক সংগঠন,  সুজানগর উপজেলা

    আমাদের সুজানগর

    আমাদের সুজানগর: আমাদের সুজানগর পাবনা জেলার অন্তর্গত সুজানগর উপজেলা ভিত্তিক একটি ওয়েব ম্যাগাজিন।   এক নজরে আমাদের সুজানগর: প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ প্রতিষ্ঠাতা: ইঞ্জিনিয়ার মো. আলতাব হোসেন ওয়েবসাইট: www.amadersujanagar.com ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/amadersujanagar2021 ফেসবুক গ্রুপ: www.facebook.com/group/amadersujanagar ফেসবুক পেইজ: www.facebook.com/info.sujanagar ইউটিউব চ্যানেল: https://www.youtube.com/channel/UCbX4HgI_A_n2X4HxNUSqa9Q ইনস্ট্রাগ্রাম: www.instagram.com/amadersujanagar টুইটার: www.twitter.com/AmaderSujanagar ই-মেইল: editor.amadersujanagar@gmail.com লক্ষ্য: ◑ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে আদর্শিক ঐশ্বর্যে বিকশিত করা, সুস্থির সমাজ বিনির্মাণে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা। ◑ সুজানগর উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, কৃতি ব্যক্তিবর্গকে দেশ ও দেশের বাইরে সবার মাঝে তুলে ধরা। ◑ শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিকবোধ সম্পন্ন তরুণ প্রজন্ম সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখা।   উপদেষ্টামণ্ডলী:…

  • সুজানগর-হানাদার-মুক্ত-দিবস
    উপজেলার ইতিহাস,  মুক্তিযুদ্ধ,  মুক্তিযুদ্ধে সুজানগর,  সুজানগর উপজেলা

    সুজানগর হানাদার মুক্ত দিবস আজ

    সুজানগর হানাদার মুক্ত দিবস সুজানগর থানা দখল এবং আমার আহত হওয়া ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর। রাতে বকুল ভাই আর ইকবাল ভাই সুজানগর এলেন, সঙ্গে আরো ১৫ জন মুজিব বাহিনী এবং মকবুল হোসেন সন্টুসহ কয়েকজন এফএফ মুক্তিযোদ্ধা। থানা আক্রমণের জন্য আমি আর দুলাল ভারত থেকে ট্রেনিং নিয়ে আসার পর থেকেই পরিকল্পনা করছিলাম। সেই পরিকল্পনার সব বিষয় যেমন, ক’টার সময় আক্রমণ করলে ভালো হবে, বাঙ্কার থেকে শত্রুরা কখন বের হয়, হাতে আঁকা ম্যাপে দেখিয়ে কোথায় কোথায় পজিশন নিতে হবে সব বকুল ভাইকে দেখালাম। সুজানগর থানা এবং তার পাশে সুজানগর হাইস্কুলে তখন অবস্থান করছে রাজাকার ও মিলিশিয়া মিলে প্রায় দু’শত শত্রু। সবকিছু দেখে…

  • চরদুলাই-ফাউন্ডেশন
    চরদুলাই,  দুলাই,  সামাজিক সংগঠন,  সুজানগর উপজেলা

    চরদুলাই ফাউন্ডেশন

    চরদুলাই ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটি  চরদুলাই গ্রামের ঐতিহ্য রক্ষা, সামাজিক মূল্যবোধ অবক্ষয় রোধ, বিনামূল্যে রক্তদান কর্মসূচী প্রভৃতি বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছে। ২০২০ সালে চরদুলাই ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।   প্রতিষ্ঠাতা: সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মো. রাকিবুল ইসলাম জনি।   প্রধান কার্যালয়: চরদুলাই, দুলাই, সুজানগর, পাবনা।   পটভূমি: সংগঠনটি গড়ার জন্য মো. রাকিবুল ইসলাম জনি প্রথমে সজল আহসান সৌরভ ও আব্দুল্লাহ আল নোমান এবং অনিক হোসেন এর সাথে আলাপ-আলোচনা করেন। ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পরে দুলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মো গোলাম রসুল এবং ড. জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক জনাব কে এম ফজলুল হক এর সাথে আলোচনা করে…

  • সুজানগরের-ইতিহাস-বই-রিভিউ
    উপজেলার ইতিহাস,  বই পর্যালোচনা,  সাহিত্য,  সুজানগর উপজেলা

    সুজানগরের ইতিহাস বই রিভিউ

    সুজানগরের ইতিহাস বই রিভিউ আশরাফ খান   কিছুদিন আগেই হাতে পেয়েছি ড. আশরাফ পিন্টু ও মিজান খন্দকার রচিত ২০২১ সালের বই মেলায় পাললিক সৌরভ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘‘সুজানগরের ইতিহাস’’ বইটি। পড়ি পড়ি করে পড়া হয় না। পর্যাপ্ত সময় হয়ে উঠে না। একটু একটু করে পড়ি। ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে। ভালো লাগা বিষয়গুলো আন্ডার লাইন করি। কোনটি নোট নিই। অনেকটা সৌখিন পাঠক আমি। লেখার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। পড়াটা জরুরী। জানার জন্য। না জানলেও ক্ষতি নেই। শিক্ষার প্রধানত দুটি প্রক্রিয়া। প্রাতিষ্ঠানিক এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক। আমরা অপ্রাতিষ্ঠানিক অধ্যয়নে বেশি ব্যস্ত। অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দায়বদ্ধতায় বেশি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার একটা সুবিধা হলো নির্দিষ্ট সিলেবাস আছে। সিলেবাস শেষ করতে…

  • তালুকদার-বাড়ি-জামে-মসজিদ
    উলাট,  খয়রান,  গাবগাছি,  মসজিদ,  মানিকহাট,  মানিকহাট ইউনিয়নের ইতিহাস ও ঐতিহ্য,  সুজানগর উপজেলা

    তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদ

    তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদ   পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের খয়রান গ্রামটি একটি প্রসিদ্ধ ও ঐহিত্যবাহী গ্রাম। গ্রামের তালুকদাররা ছিল বেশ প্রভাবশালী ও বিত্তশালী। প্রায় ২০০ বছর পূর্বে তালুকদারদের পূর্বপুরুষ খয়রান তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রতিষ্ঠাতা: তালুকদার বংশের হাজি মো. মহসিন উদ্দিন তালুকদার (মহসিন মুন্সি) এলাকার ইসলাম ধর্মের লোকদের ইবাদতের জন্য খয়রান তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। মসজিদটি যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন খয়রান গ্রামের আশেপাশে উলাট, কাদোয়া, গাবগাছি গ্রামে কোনো মসজিদ ছিল না। তাই নামাজ পড়ার জন্য মুসল্লিরা এই মসজিদে আসতেন। পটভূমি: খয়রান মসজিদ স্থাপনের পূর্বে এই এলাকার মুসলমানরা শুক্রবারের জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য দুলাইয়ের জমিদার  আজিম…

  • রাধারমণ-মন্দির
    মন্দির,  সাগরকান্দি,  সাগরকান্দি (গ্রাম),  সাগরকান্দি ইউনিয়নের ইতিহাস ও ঐতিহ্য,  সুজানগর উপজেলা

    রাধারমণ মন্দির

    রাধারমণ মন্দির   পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের সাগরকান্দি গ্রামে ১৯০৫ সালে অনাদি কৃষ্ণ দত্ত প্রতিষ্ঠা করেন রাধারমণ মন্দির। অনাদি কৃষ্ণ দত্ত সাগরকান্দি গ্রামের জমিদার সুরেন্দ্রনাথ দত্তের ভাই ছিলেন। অনাদি কৃষ্ণ দত্ত মূলত ধর্মীয় দিকে মনযোগী ছিলেন। তিনি জমিদারী বুঝতেন না। তিনি ধর্মীয় রীতিনীতিতেই মগ্ন থাকতেন বলে জানা যায়।   ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করার জন্য এই রাধারমণ মন্দিরটি তিনি স্থাপন করেছিলেন। জমিদার বাড়ির আর্থিক সহযোগিতায় মন্দিরটি দ্রুত প্রতিষ্ঠা পায়।জমিদারের আনুকূল্যে মন্দিরটিতে ঝুলনযাত্রা, রাসলীলা, নিত্যপূজা, রাধাকৃষ্ণ, রাধারমণ, জন্মাষ্ঠমী পূজা মহাধুমধামে অনুষ্ঠিত হতো। প্রতিনিয়ত এই মন্দিরটিতে উৎসবের আমেজ লেগেই থাকত। এলাকার হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা এই মন্দিরকে ঘিরে তাদের নিত্যদিনের পূজা-অর্জনা করত।…

  • নবজাগরণ-পাঠক-মেলা
    সাগরকান্দি,  সাগরকান্দি (গ্রাম),  সামাজিক সংগঠন,  সুজানগর উপজেলা

    নবজাগরণ পাঠক মেলা (নপম)

    সুস্থ ধারার শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সুশিক্ষা চর্চার মাধ্যমে একটি সুশিক্ষিত, আলোকিত সমাজ গঠনে সবার সহযোগিতা প্রদানের নিমিত্ত্বে ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জুন  পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নে নবজাগরণ পাঠক মেলা’র জন্ম। এক নজরে নবজাগরণ পাঠক মেলা- ✪সংক্ষিপ্ত রূপ: নপম।  ✪বৈশিষ্ট্য: সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সমাজসেবা ✪মূলক সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। ✪প্রতিষ্ঠাতা: মো: রেজাউল করিম। ✪প্রতিষ্ঠার কাল: ২০১১ খ্রিস্টাব্দ। ✪মূলমন্ত্র: মানবতা আর সত্যের পক্ষে।   পটভূমি: দিনটি ছিলো ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুন রবিবার। অত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রেজাউল করিম শেখ সহপ্রতিষ্ঠাতা মো. আরিফুল ইসলাম, মো. সুরুজ হোসেন, মো. শরিফ খাঁন, মো. রুবেল বিশ্বাস ও মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ বসে ছিলেন সাগরকান্দি রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।…

  • এসো-দেশকে-ভালবাসি
    তৈলকুন্ডু,  মানিকহাট,  সামাজিক সংগঠন,  সুজানগর উপজেলা

    এসো দেশকে ভালবাসি

    এসো দেশকে ভালোবাসি একটি অরাজনৈতিক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটি মূলত দূর্নীতি, মাদক, বাল্য বিবাহ, খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে এবং বন্যপ্রাণী ও ইলিশ মাছ সংরক্ষণে কাজ করে আসছে। সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে এবং বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে এসো দেশকে ভালোবাসি সংগঠনের আত্ম প্রকাশ ঘটে।    প্রতিষ্ঠাতা:  সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম।    প্রধান কার্যালয়:  তৈলকুণ্ডু, মানিকহাট, সুজানগর, পাবনা।   বর্তমান কমিটি: ১। সভাপতি: আহমেদ ফররুখ কবির (বাবু) ২। সহ-সভাপতি:  ক) মো: আব্দুল মান্নান (মানু)   খ)  প্রফেসর মো: ইশানুর রহমান  গ) মো: আলমগীর কবির ৩। সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম  ৪। সাংগঠনিক সম্পাদক: মো: সাহেব আলী মাস্টার ৫৷…

  • বিল-গাজনার-ইতিহাস
    উল্লেখযোগ্য স্থান,  দর্শনীয় স্থান,  বিল,  সুজানগর উপজেলা

    বিল গাজনার ইতিহাস

    বিল গাজনার ইতিহাস জাহাঙ্গীর পানু বিল গাজনা বা গাজনার বিল হচ্ছে পাবনা জেলার একটি বৃহত্তম বিল।  এটি সুজানগর উপজেলার অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অন্যতম দর্শনীয় স্থান। অবস্থান: বিলটি সুজানগর উপজেলার মাঝখানে অবস্থিত যা পাবনা শহর থেকে প্রায় ৩৫-৩৬ কিলোমিটার দূরে। সাতবাড়িয়া-চিনাখড়া সড়ক বিলের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে বিখ্যাত খয়রান ব্রীজকে অতিক্রম করে। আয়তন: বিল গাজনার আয়তন প্রায় ১২ বর্গ মাইল বা ৩১০০ হেক্টর। এ বিলে (পানি না থাকা অংশ) আবাদি জমির পরিমান প্রায় ১০ হাজার হেক্টর। বিলের পূর্ব পাশে রানীনগর ও সাগরকান্দি ইউনিয়ন, দক্ষিণে হাটখালী ইউনিয়নের সাগতা, শোলাকুড়া, শ্রীপুর, কামালপুর, সৈয়দপুর; ভায়না ইউনিয়ন ও মানিকহাট ইউনিয়নের বোনকোলা, উলাটসহ অনেকগুলো গ্রাম…

  • বাংলার-সুবাদার-শাহ-সুজা
    উপজেলার ইতিহাস,  সুজানগর উপজেলা

    বাংলার সুবাদার শাহ সুজা

    বাংলার সুবাদার শাহ সুজা   শাহজাদা সুজা ছিলেন সম্রাট শাহজাহান ও সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের দ্বিতীয় পুত্র। ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন।  শাহজাহান ইসলাম খান শাহ সুজাকে মাত্র ২৪ বছর বয়সে ১৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন। ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে ঊড়িষ্যা প্রদেশের দায়িত্বও অর্পণ করা হয়। ১৬৩৯-১৬৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিশ বছরের কিছু অধিক সময় ধরে তিনি প্রদেশ দুটি শাসন করেন।  শাহ সুজার নিযুক্তির সময় ঢাকা সুবাহ-বাংলার রাজধানী ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে তিনি রাজধানী রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন । শাহ সুজার শাসনকালে বাংলা ও ঊড়িষ্যা প্রদেশ দুটিতে মোটামুটি শান্তি বিরাজ করছিল; কোন অংশেই কোন বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়নি। প্রকৃত পক্ষে জমিদার…

  • সুজানগরের-নামকরণের-ইতিহাস
    উপজেলার ইতিহাস,  সুজানগর উপজেলা

    সুজানগরের নামকরণের ইতিহাস

    সুজানগরের নামকরণের ইতিহাস   পাবনা জেলার সুজানগরের পূর্বনাম ছিল গোবিন্দগঞ্জ। মোগল সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালের শেষভাগে তার পুত্রদের মধ্যে রাজ সিংহাসনের দখল নিয়ে যে বিরোধের সূত্রপাত হয় তার ধারাবাহিকতায় যুবরাজ শাহ সুজা আরাকানে পালিয়ে যান। তিনি আরাকানে গমনকালে সুজানগরে ৩ রাত অবস্থান করেন। যুবরাজ শাহ সুজার এই অবস্থানকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এতদঞ্চলের মানুষ এ জনপদের নামকরণ করেন সুজানগর। রাধারমণ শাহা তার ‘পাবনা জেলার ইতিহাস’ গ্রন্থে লিখেছেন, “মোগল আমলে শাহ সুজা একদা ঢাকা গমন সময়ে পদ্মাতীরে এখানে কিয়ৎদিনের জন্য অবস্থান করেন, তখন হইতে এই স্থানের নাম সুজানগরে পরিণত হইয়াছে।” মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছায় তার ছোটবেলার বন্ধু, ঘনিষ্ঠ সহচর ও প্রধান সেনাপতি…

  • সুজানগর-পৌরসভার-ইতিহাস
    পৌরসভা,  পৌরসভার ইতিহাস ও ঐতিহ্য,  সুজানগর উপজেলা

    সুজানগর পৌরসভার ইতিহাস

    সুজানগর পৌরসভার ইতিহাস   পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নকে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দের ৫ অক্টোবর  পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। কিন্ত এর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুন। সুজানগর পৌরসভাটি ২০০৬ খ্রিস্টাব্দের ২ জানুয়ারিতে ‘গ’ শ্রেণি হতে ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীত হয় এবং ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুনে  স্থানীয় সরকার বিভাগ উক্ত পৌরসভাকে ‘ক’ শ্রেণি পৌরসভাতে উন্নীত করে।  সুজানগর পৌরসভার আয়তন ১১.০৮ বর্গকিলোমিটার। ৯টি ওয়ার্ডের ১৩ মহল্লাতে মোট জনসংখ্যা ২৭ হাজার ২৪০ জন। প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ২২৯৮ লোক বসবাস করে (২০১১ সালের আদমশুমারী রিপোর্ট অনুযায়ী)। পৌরসভায় ২টি কলেজ, ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাদ্রাসা, ৫টি সরকারি ও ৩টি বে-সরকারি মোট ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়,…

  • সুজানগর-উপজেলার-ইতিহাস
    উপজেলার ইতিহাস,  সুজানগর উপজেলা

    সুজানগর উপজেলার ইতিহাস

    সুজানগর উপজেলার ইতিহাস   মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন বাংলার সুবেদার শাহ সুজা। শাহ সুজার স্মৃতি বিজড়িত সুজানগর পাবনা জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা। এটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী পাবনা শহর থেকে ২০ কি.মি. পূর্বে অবস্থিত। পাবনা জেলার অন্যতম বৃহত্তম উপজেলা হলো সুজানগর। অতি প্রাচীনকালে তথা বৌদ্ধযুগে সুজানগর অঞ্চল পৌণ্ড্রবর্ধন বিভাগের অধীনে ছিল। সে সময় অধিকাংশ অঞ্চল ছিল জলমগ্ন। পাল ও সেন আমলে এই অঞ্চল বরেন্দ্র ভূমির আওতাভুক্ত ছিল। পাল শাসনামলে করমজা ও বরাট গ্রামের নাম, যশ ও গৌরব প্রচারিত ছিল। মোগল শাসনামলে এই অঞ্চল সুবা বাংলা সরকার, পরগণার আওতাভুক্ত ছিল। ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দের ১৬ অক্টোবর রাজশাহী জেলা থেকে পাবনা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ,…

error: Content is protected !!