-
সুজানগরের নামকরণের ইতিহাস
সুজানগরের নামকরণের ইতিহাস পাবনা জেলার সুজানগরের পূর্বনাম ছিল গোবিন্দগঞ্জ। মোগল সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালের শেষভাগে তার পুত্রদের মধ্যে রাজ সিংহাসনের দখল নিয়ে যে বিরোধের সূত্রপাত হয় তার ধারাবাহিকতায় যুবরাজ শাহ সুজা আরাকানে পালিয়ে যান। তিনি আরাকানে গমনকালে সুজানগরে ৩ রাত অবস্থান করেন। যুবরাজ শাহ সুজার এই অবস্থানকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এতদঞ্চলের মানুষ এ জনপদের নামকরণ করেন সুজানগর। রাধারমণ শাহা তার ‘পাবনা জেলার ইতিহাস’ গ্রন্থে লিখেছেন, “মোগল আমলে শাহ সুজা একদা ঢাকা গমন সময়ে পদ্মাতীরে এখানে কিয়ৎদিনের জন্য অবস্থান করেন, তখন হইতে এই স্থানের নাম সুজানগরে পরিণত হইয়াছে।” মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছায় তার ছোটবেলার বন্ধু, ঘনিষ্ঠ সহচর ও প্রধান সেনাপতি…
-
সুজানগর পৌরসভার ইতিহাস
সুজানগর পৌরসভার ইতিহাস পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নকে ১৯৯৮ সালের ৫ অক্টোবর পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। কিন্ত এর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৩ সালের ১২ জুন। সুজানগর পৌরসভাটি ২০০৬ সালের ২ জানুয়ারিতে ‘গ’ শ্রেণি হতে ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীত হয় এবং ২০১৪ সালের ২৩ জুনে স্থানীয় সরকার বিভাগ উক্ত পৌরসভাকে ‘ক’ শ্রেণি পৌরসভাতে উন্নীত করে। সুজানগর পৌরসভার আয়তন ১১.০৮ বর্গকিলোমিটার। ৯টি ওয়ার্ডের ১৩ মহল্লাতে মোট জনসংখ্যা ২৭ হাজার ২৪০ জন। প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ২২৯৮ লোক বসবাস করে (২০১১ সালের আদমশুমারী রিপোর্ট অনুযায়ী)। পৌরসভায় ২টি কলেজ, ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাদ্রাসা, ৫টি সরকারি ও ৩টি বে-সরকারি মোট ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়,…
-
সুজানগর উপজেলার ইতিহাস
সুজানগর উপজেলার ইতিহাস মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন বাংলার সুবেদার শাহ সুজা। শাহ সুজার স্মৃতি বিজড়িত সুজানগর পাবনা জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা। এটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী পাবনা শহর থেকে ২০ কি.মি. পূর্বে অবস্থিত। পাবনা জেলার অন্যতম বৃহত্তম উপজেলা হলো সুজানগর। অতি প্রাচীনকালে তথা বৌদ্ধযুগে সুজানগর অঞ্চল পৌণ্ড্রবর্ধন বিভাগের অধীনে ছিল। সে সময় অধিকাংশ অঞ্চল ছিল জলমগ্ন। পাল ও সেন আমলে এই অঞ্চল বরেন্দ্র ভূমির আওতাভুক্ত ছিল। পাল শাসনামলে করমজা ও বরাট গ্রামের নাম, যশ ও গৌরব প্রচারিত ছিল। মোগল শাসনামলে এই অঞ্চল সুবা বাংলা সরকার, পরগণার আওতাভুক্ত ছিল। ১৮২৮ সালের ১৬ অক্টোবর রাজশাহী জেলা থেকে পাবনা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ,…









