আজিজুল কায়সার ১৯৭৩ সালের ১১ নভেম্বর, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের দ্বারিয়াপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

  • নীরব-অসন্তুষ্টি
    কবিতা,  সাহিত্য

    নীরব অসন্তুষ্টি, আমাদের সুজানগর, হুশ ফেরাও মানুষ

    নীরব অসন্তুষ্টি  আজিজুল কায়সার   অনেক রয়েছে তবুও তা যেন নিতান্তই অতি তুচ্ছ, অসন্তুষ্টিতে ভরপুর আজ শ্রেষ্ঠকুলের হৃদয় গুচ্ছ। সুদর্শনা ক্ষতবিক্ষত অভিযোগ করবে কার কাছে, শ্রেষ্ঠ কুলের যুবকেরা ছুটছে মরীচিকার পিছে পিছে। স্বাচ্ছন্দের সান্নিধ্য খুঁজি দিগন্তের প্রকৃতিকে ঘিরে, প্রকৃতিপ্রেমীরা সকলেই হতাশ অসন্তুষ্টির ভিড়ে। শিক্ষাঙ্গনের অনিয়মগুলো চলছে কিসের ইঙ্গিতে, শিক্ষা দীক্ষায় হায় হায় বুঝি ভুলে ভরা সব ভঙ্গিতে। অযোগ্যরা শিক্ষক হয়ে যায় ঘুষ মেশিনের জোরে, মেধাবীরা হয় সুযোগ বঞ্চিত ভালো হবে কি করে? নিয়ম অনিয়মের দৃশ্যগুলো আজ নির্লজ্জ প্রকাশিত, সম্মানের ভয়ে আড়ালে থাকা নয়তো ভালোয় নিহিত। কবিরা লিখবে বসে সুদর্শনার আলোকিত জোসনায়, অশুভ কালো মেঘের গর্জন পড়ে কবির স্বাধীনতায়। আরও পড়ুন…

  • একজন-মুক্তিযোদ্ধার-কষ্ট
    কবিতা,  সাহিত্য

    একজন মুক্তিযোদ্ধার কষ্ট, ভুল, আত্ম বেদনা

    একজন মুক্তিযোদ্ধার কষ্ট (বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিফা আশরাফকে উৎসর্গকৃত) আজিজুল কায়সার   মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ভাঙার স্বপ্নে নগ্ন উল্লাসে যেনো মেতে উঠেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধাদের অশ্রু নয়নে নদী। ৭৫ এর নৃশংসতায় অকৃতজ্ঞ জাতি, নির্বাক দেখেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধারা সেদিনই স্তব্ধ হয়ে গেছে। জেল হত্যার ধৃষ্টতায় ধূর্ত শেয়াল, চেয়ে দেখেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধাদের বন্দুক ছিলো বারুদ হীন। হঠাৎ উদিত কালো চশমার দৌরাত্ম, দেখেছে পৃথিবীর সকলেই। মুক্তিযোদ্ধারা ছিলো নিরস্ত্র দেহে নিথর। জাতি ধ্বংসে বুদ্ধিজীবীর নৃশংস ইতিবৃত্ত অপলক দেখেছে সকলেই। মুক্তিযোদ্ধারা সেদিন পরাজিত হয়েছে। হাতে পতাকা দেশদ্রোহীর অট্রহাসি , দেখেছে জন্মভূমির সকলেই।   ভুল ভুলে সব দিন পার, করে গেছি একাকার, মাটিতে পড়েনি পা, দিয়ে গেছি…

  • নাইংল্যাখালী-বিল
    আহম্মদপুর,  আহম্মদপুর ইউনিয়নের ইতিহাস ও ঐতিহ্য,  দ্বারিয়াপুর

    ইতিহাস ঐতিহ্যে দ্বারিয়াপুর

    ইতিহাস ঐতিহ্যে দ্বারিয়াপুর ~ আজিজুল কায়সার   দ্বারিয়াপুর গ্রাম পরিচিতি: পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহাম্মদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দ্বারিয়াপুর গ্রাম। পুরো গ্রামটি রয়েছে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের দক্ষিণে গা ঘেঁষে। হযরত শাহ সুলতানের স্মৃতি বিজড়িত পূণ্যভূমি এই গ্রামের প্রাণকেন্দ্র হলো বাস স্ট্যান্ড, চৌরাস্তা মোড়। পাবনা থেকে দ্বারিয়াপুরে ঢুকতেই প্রথমে চোখে পড়বে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী গ্রামীণ এবং রবি কম্পানির সুউচ্চ দুইটি টাওয়ার। একশত গজ সামনে ঈদগাহ ময়দান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বারিয়াপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও বিশাল খেলার মাঠ, ডান পাশে রয়েছে একটি মসজিদ। গ্রামের ইতিহাস ও নামকরণ: উত্তরে আত্রাই নদী, দক্ষিণে গাজনার বিল সহ এই অঞ্চল ছিল এক সময় যমুনা নদীর সাথে সম্পৃক্ত…

error: Content is protected !!