-
হেমন্তের বিকেল, সময়ের দাবি, দুখিনী পাখি
হেমন্তের বিকেল জিন্নাত আরা রোজী হেমন্তের পরন্ত বিকেলে আমি পাখনা মিলে উড়ি সোনালী ধানের ক্ষেতে সোনা মাখা আবেশে মিষ্টি আলো এসে পড়ে চোখে মৌ মৌ পাকা ধান ছুঁয়ে। আহা! কি যে শিহরণ জাগে মনেপ্রাণে, আমি অপার বিস্ময়ে চেয়ে দেখি পুরানোকে নতুন ভেবে। মৃদু হিল্লোলে দক্ষিণা বাতাস দোল খায় সোনালী ধানের ক্ষেতে। সোনালী ধানের শীষে বেঁধে রাখি রঙিন শিকল চারিদিকে বিস্তর সবুজ উপরে একফালি সাদা মেঘ, আমি মেঘের খোঁপায় উড়িয়ে দেব সোনলী ধানের ছড়া। স্মৃতির ছায়া পথ ধরে হেঁটে আসা আমাদের সেই গাঁ নওয়াগ্রাম। যেথায় জড়িয়ে আছে শৈশব, কিশোর, যৌবনের হাজারো স্মৃতি! আমি এখানে দেখেছি ছয়টি ঋতুর নানা উৎসব; এখানে…
-
ডাচ বাংলা ব্যাংক এসএসসি শিক্ষাবৃত্তি-২০২১
ডাচ বাংলা ব্যাংক এসএসসি শিক্ষাবৃত্তি-২০২১ ডাচ বাংলা ব্যাংক তার শিক্ষা বৃত্তির কর্মসূচীর আওতায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বৃত্তি প্রদান করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের এসএসসি/ সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবি ও শিক্ষাক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি প্রদান করবে ডাচ বাংলা ব্যাংক। বৃত্তির পরিমাণ ও সময়কাল: শিক্ষার স্তর: এইচ.এস.সি/সমমান সময়কাল: ২ বছর মাসিক বৃত্তি: ২৫০০ টাকা বার্ষিক অনুদান: পাঠ্য উপকরণের জন্য এককালীন ২৫০০ টাকা ও পোশাক পরিচ্ছদের জন্য ১,০০০ টাকা বৃত্তির জন্যে আবেদনের যোগ্যতা: গ্রামীণ অনগ্রসর অঞ্চলের স্কুল/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যঃ ন্যূনতম জিপিএ ৪.৮৩ জেলা শহর এলাকার…
-
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়া ২০২১
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়া-২০২১ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখ প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে যারা আশানুরুপ ফলাফল পাননি, তারা চাইলে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ (বোর্ড চ্যালঞ্জ) করতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য- ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ কি? পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর পরই শিক্ষা বোর্ডগুলো যাদের ফলাফল আশানুরুপ না হওয়াতে মনের মধ্যে অনিশ্চয়তা থাকে তাদের অনিশ্চয়তা দূর করতে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ দিয়ে থাকে যা ‘ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন’, ‘পুনঃনিরীক্ষণ’, ‘পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ’ ইত্যাদি নামে পরিচিত। অনেকের ধারণা বোর্ড কর্তৃপক্ষ খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করে। আসলে এই প্রক্রিয়ায় বোর্ড থেকে যা করা হয় তা হলো, নম্বর গণনা কিংবা কোথাও নম্বর…
-
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল-২০২১
সুজানগর উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল-২০২১ ১। সাতবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় বাণিজ্য: পাস=৩৬; ফেল=৬ মানবিক: পাস=৯৬; ফেল=৫; জিপিএ-৫=১ বিজ্ঞান: পাস=৫১; ফেল=২; জিপিএ-৫= ১৯ ২। সাতবাড়িয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বাণিজ্য: পাস=১২; জিপিএ-৫=৬ মানবিক: পাস=৬৬; ফেল=৪; জিপিএ-৫=৫ বিজ্ঞান: পাস=২২; ফেল=১; জিপিএ-৫=১৬ ৩। বোনকোলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বাণিজ্য: পাস=১৬; ফেল=১ মানবিক: পাস=৬৮; ফেল=৩ বিজ্ঞান: পাস=৭; ফেল=১; জিপিএ-৫=৩ ৪। মানিকহাট উচ্চ বিদ্যালয় বাণিজ্য: পাস=১২; ফেল=২; মানবিক: পাস=৮০; ফেল=২; জিপিএ-৫=১ বিজ্ঞান: পাস=৩৫; ফেল=৩; জিপিএ-৫=১৬ ৫। মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় বাণিজ্য: পাস=২৭; ফেল=১; জিপিএ-৫=২ মানবিক: পাস=২১ বিজ্ঞান: পাস=১৮; জিপিএ-৫=১১ আরও পড়ুন সুজানগর উপজেলার সকল কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল-২০২১ ৬। গোপালপুর…
-
কবির ভালোবাসা, তোমাকে ভালোবেসে, বসন্ত কোকিল
কবির ভালোবাসা কে এম আশরাফুল ইসলাম এই কবি আঁকে ছবি সকল সৃজন, হয় রবি সমতায় গড়িতে ভুবন! ভালোবাসে তাই হাসে সকলের প্রাণ, নাহি নাশে কারো সুখ হানিয়া তুফান। এই ধরা মনোহরা প্রশান্তির নিবাস, যায় গড়া নিরিবিলি করিতে আবাস। ভাবে কবি করে দাবি নিখিলের প্রাণ, সেই ছবি পৃথ্বী দেহ আপনার সমান। চায় সুখ নহে দুখ কভু কারো তরে, এতটুক অবহেলা কোনো অনাদরে। হিরোশিমা প্রিয়তমা নাগাসাকির বুকে, তিলোত্তমা করে তারে মরমে রাখে। রণাঙ্গন অপনয়ন কভু কাম্য নয়, কবি মন সুখ পাখি শান্তির কথা কয়। যত সৃজন তাহার নয়ন হাতছানি দেয়, অতি আপন আপনার ভেবে আপন করে নেয়! আরও পড়ুন কে এম…
-
বাংলাদেশ, ভালোবাসার পর্ব, দেশের মাটি, স্বাধীনতা, সাবাশ বাংলাদেশ
বাংলাদেশ খোন্দকার আমিনুজ্জামান রূপ-অপরূপ সবুজ-শ্যামল সোনার বাংলাদেশ কত ভালোবাসি তবু ভালোবাসার হয় না কভু শেষ। হাওর-বাওর পাহাড়-টিলা কী সুন্দর সমতল! নদী-নালা খাল-বিল জলে করে ছল ছল এমন দেশ বাংলাদেশ ভালোলাগার নেইকো শেষ। বারো মাস ফুল-ফল ফসলের জয়গান দোয়েল-কোয়েল-ঘুঘু-শ্যামা-কোকিলের কুহুতান এমন দেশ বাংলাদেশ এই মাটিতেই জীবনটা হোক শেষ। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খৃষ্টান একসাথে গড়ব দেশের মান এই চেতনা অমর হোক এটাই সর্বশেষ। আরও পড়ুন খোন্দকার আমিনুজ্জামানের কবিতা- কষ্ট বিবেক সাদা মন ভালোবাসা পর্ব ভালোবাসা ছিল বলে ত্যাগের মহিমা এল অঢেল রক্ত ঢেলে সোনার বাংলাদেশ হলো। বাংলাদেশ তুমি লাখো শহিদের পবিত্র আঙিনা বাংলাদেশ তুমি রক্তস্রোতে গড়া সাম্য চেতনা কত রক্ত রঙে স্বপ্নের স্বদেশ…
-
গল্প হলেও সত্য
গল্প হলেও সত্য এ কে আজাদ দুলাল সেই কুমার নদী আর নদী নেই এখন। জীর্ণ পুষ্টিহীনতায় আক্রান্ত এক কুমার। নেই তার দু’পাশে ঘন সবুজের বৃক্ষ ও তৃণ লতাপাতায় ঘেরা ছোট গ্রামটি। এই গ্রামে ধ্বংসাবশেষ জমিদার বাড়ি আজ শুধুই ইতিহাস। তবু স্মৃতিচিহ্ন তো আর মুছে ফেলা যায় না। প্রায় চার যুগ আগে ঘটে যাওয়া এক জীবন্ত কাহিনী। গ্রামটি সবুজে ঘেরা। সবুজের মত মানুষের সরল মন। সব শ্রেণির মানুষের বসবাস। রোজকার মত হাট সেরে সন্ধ্যা নামতেই সবাই গৃহে প্রবেশ করে এবং রাতের ভোজনের পর ঘুমাতে যায়। হয়ত কারো কারো বাড়িতে বসে ভক্তিমূলক গানের আসর। তাও সেটা কদাচিৎ। এই গ্রামের একটি মধ্যবিত্ত…
-
আবদুল গনি হাজারী (৩য় পর্ব)
আবদুল গনি হাজারী (৩য় পর্ব) আবদুল গনি হাজারীর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘‘জাগ্রত প্রদীপ’’ প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালের নভেম্বর মাসে। এ গ্রন্থেও কবি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি, বক্তব্য ও কবিভাষার উৎকৃষ্টতর উত্তরণের স্বাক্ষর রেখেছেন। মূলত এ কাব্যগ্রন্থেই তাঁর কবিপ্রতিভার পূর্ণতা প্রকাশ পেয়েছে। এ গ্রন্থের নামকবিতা ‘জাগ্রত প্রদীপ’-এ পাওয়া যায় মুমূর্ষ পিতাকে ঘিরে অসহায় সন্তানদের করূণ প্রার্থনার বিষন্নরুপ। পুরো কবিতাটির মধ্যে একটি নাটকীয় পরিবেশ বিরাজিত। এ কবিতাটির মধ্যে একজন যথার্থ কবির স্বরূপ প্রকাশিত হয়েছে। এ দীর্ঘ কবিতাটির শেষের পংক্তিগুলো সহসা আমাদের দৃষ্টি ফিরিয়েছে মৃত্যু অতীত রহস্যোলোকের প্রতি, নৈরাশ্যের অন্ধকার থেকে বিশ্বাসের আলোতে- “তোমাদের পিতাকে চড়িয়ে দিরাম সংশয়ের ভ্রুভঙ্গে প্রত্যয়ের অস্থিতে, বন্ধা রাত্রির উন্মুখ গর্ভে…
-
চোখে দেখা নীলকণ্ঠ (শেষ পর্ব)
চোখে দেখা নীলকণ্ঠ (শেষ পর্ব) শফিক নহোর খ. সেলিনা চরিত্রের মানুষটি আমার পাশের বাড়ির। স্বামী সংসার নিয়ে তিনি এখন ঢাকার শহরে থাকেন। রংপুর শহরে তিনি প্রথম যখন বাড়ি করেন; বাবা যে খাটে ঘুমাতো তা নিয়ে যেতে সেলিনা ভাবি যে পরিমাণ কূট কৌশল প্রয়োগ করেছিলেন! আমেরিকা ইরাকে যুদ্ধ করবোর সময় প্রেসিডেন্ট বুশ এমন কূট কৌশল অবলম্বন করেছিল না। বাবা মনে মনে ভীষণ কষ্ট পেয়েছিল। কিন্তু কারো কাছে কখনো মন খুলে কিছু বলেনি। অন্য ছেলের বউ যদি কিছু বলে। বাবা শুধু সন্তানের সুখের জন্য ব্যস্ত ছিল। বউমার কূট কৌশলে পরিবারের সবার কাছে নিজেকে সে এমন একজন খারাপ মানুষ হিসেবে বহিঃপ্রকাশ করেছে;…
-
সুজানগর হানাদার মুক্ত দিবস
সুজানগর হানাদার মুক্ত দিবস সুজানগর থানা দখল এবং আমার আহত হওয়া ১৯৭১ সালের ৯ই ডিসেম্বর। রাতে বকুল ভাই আর ইকবাল ভাই সুজানগর এলেন, সঙ্গে আরো ১৫ জন মুজিব বাহিনী এবং মকবুল হোসেন সন্টুসহ কয়েকজন এফএফ মুক্তিযোদ্ধা। থানা আক্রমণের জন্য আমি আর দুলাল ভারত থেকে ট্রেনিং নিয়ে আসার পর থেকেই পরিকল্পনা করছিলাম। সেই পরিকল্পনার সব বিষয় যেমন, ক’টার সময় আক্রমণ করলে ভালো হবে, বাঙ্কার থেকে শত্রুরা কখন বের হয়, হাতে আঁকা ম্যাপে দেখিয়ে কোথায় কোথায় পজিশন নিতে হবে সব বকুল ভাইকে দেখালাম। সুজানগর থানা এবং তার পাশে সুজানগর হাইস্কুলে তখন অবস্থান করছে রাজাকার ও মিলিশিয়া মিলে প্রায় দু’শত শত্রু। সবকিছু…






























