-
শরতের মেঘ (১ম পর্ব)
শরতের মেঘ (১ম পর্ব) শাহানাজ মিজান দু’চোখের পাতা এমনি এমনিই বন্ধ করে ছিলাম কিছুক্ষণ। ভাবলাম, ঘুম আসবে কিন্তু ওরাও পালিয়েছে। হয়তো চিরদিনের জন্য আসবে বলে ছুটি নিয়েছে আজ। জানালা খুলে আকাশের দিকে তাকালাম, ঝিরিঝিরি বাতাসে সমস্ত শরীর শিরশির করে উঠল একবার। সীমাহীন আকাশের এক চিলতে জায়গা জুড়ে বসে থাকা চাঁদটাকে বড়ো খুশি খুশি মনে হচ্ছে, সে ঝিকিমিকি জোৎস্নার ফুল ফুটিয়ে তারাদের নিয়ে খুশিতে মেতে উঠেছে। শরতের থোকা থোকা সাদা মেঘমালা, চাঁদের খুশিকে হিংসে করছে বোধহয়। সেও মুচকি মুচকি হেসে, নীলাভ পাখা মেলে উড়ে উড়ে চলে যাচ্ছে দূর-বহুদূর। চোখের সীমানায় যতদূর দেখা যায়, আমি ততদূর চেয়ে চেয়ে দেখলাম শুধু। কি যেন…
-
হোড় জমিদার বাড়ি
হোড় জমিদার বাড়ি পাবনার সুজানগর উপজেলার হাটখালি ইউনিয়নের কামালপুর গ্রাম, সুপ্রাচীনকালের স্মৃতিবাহী, ঐতিহ্যের বাতিঘর। এ গ্রামের মাটি গভীরভাবে ধারণ করে আছে অতীতের গৌরব, স্মৃতি, আর বংশপরম্পরায় চলে আসা প্রতাপের গল্প। এ গ্রামের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো হোড় জমিদার বাড়ি—একসময়কার ক্ষমতার প্রতীক, প্রভাবশালী হোড়ে বংশের কীর্তির সাক্ষী। সময়ের আবর্তে হয়তো ধূসরিত হয়েছে সেই দিনগুলো, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় রয়ে গেছে তাদের স্মৃতি। হোড়ে বংশের দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শ্রীনাথ হোড় ও অক্ষয়কুমার হোড়, ছিলেন এ জমিদার বাড়ির মূল কর্ণধার। তারা শুধুমাত্র ধনসম্পত্তির অধিকারীই ছিলেন না, ছিলেন এ জনপদের শাসক। দুলাই জমিদার আজিম চৌধুরীর অধীনস্থ থাকলেও, হোড়ে বংশের জমিদাররা ছিল তাদের নিজস্ব অঞ্চলে একচ্ছত্র…






