ভালো-মানুষ-হওয়ার-শিক্ষাই-প্রকৃত-শিক্ষা
প্রবন্ধ,  সাহিত্য

ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা

ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা

জয়িতা শিল্পী

 

‘সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায়- কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না।’
বাংলাদেশে পুলিশে যোগদান করে জীবনের অনেক বৈচিত্রময় ঘটনার অনুসন্ধান করতে হয়েছে। অভিজ্ঞতার ভান্ডারে জমা হয়েছে জটিল জীবন কাহিনী। যুক্ত হয়েছে বহু নাম। নিখোঁজ হওয়া সুমাইয়া আক্তার শিমু, কবিতা, নিপা, সোমা, আনিকা, চম্পা, এরা যেন খুবই পরিচিত। বিভিন্ন সময় নিখোঁজ সংবাদে এমন সব নাম পাওয়া যায়। হারিয়ে যাওয়া কিশোরী কন্যাকে খুঁজে পেতে বাবা-মায়ের যে কত ছুটাছুটি আর টেনশন তা শুধু ভুক্তোভূগীরাই জানেন। বাস্তব ঘটনার বিশ্লেষণে নবম থেকে দশম-একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ বেশি পাওয়া যায়। তদুপরি ২ বোন, ৩ বোন একসাথে নিখোঁজ হবার সংবাদ গণমাধ্যমে তোলপাড় হয়েছে বেশ কয়েকবার। কেন এই ঘটনা ঘটে?

যখন একটি কিশোর বা কিশোরী নিখোঁজ হয় অর্থাৎ কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে চলে যায় তখন সে চিন্তা করতে পারে না এর কি এক নেতিবাচক ফলাফল হতে পারে বা এর পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে?
এভাবে কাউকে কিছু না বলে নিখোঁজ হওয়ার প্রধান কারণ হলো:
১। কিশোর বয়সের এ্যাডভেঞ্জারাস মুড
২। নতুন কিছুতে রোমাঞ্চকর অনুভুতি
৩। অপরিপক্ক চিন্তা
৪। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার
৫। কিশোর গ্যাং এ জড়িয়ে পড়া
৬। অবিভাবকদের সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় না দেয়া
৭। পরিবারিক কলহ ও অসন্তোষ
৮। নৈতিক শিক্ষার অভাব
৯। হতাশা ইত্যাদি।

প্রযুক্তির ভালো দিকের পাশা পাশি ক্ষতিকর প্রভাব হলো শিক্ষার্থীদের বিনোদনমূলক বিভিন্ন অ্যাপস্ ব্যবহারে আসক্তি। শিক্ষা জীবনে প্রধান কাজ অধ্যাবসায়। এই কাজটির জন্য ইন্টারনেটে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানমালা সহায়ক হতে পারে। কিন্তু যখন শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেটে পাবজি গেম খেলে, ইমো আর টিকটকে মশগুল থাকে কিংবা ফেসবুকিংয়ে দিন পার করে তখন এটি আসক্তিতে পরিণত হয়। নেতিবাচক কোনকিছুতে আসক্তি জীবনের জন্য ক্ষতিকর।

আরও পড়ুন বইমেলা ও সরদার জয়েনউদ্দীন

মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন কেস স্টাডিতে দেখা গেছে যে সকল পরিবারে বাবা-মা তাদের সন্তানদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না বা যথাযথ ভাবে খেয়াল রাখতে পারেননা বা রাখেন না সে সকল সন্তানদের ক্ষেত্রে এইরূপ অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যায়। এটি এমন একটি ব্যপকতর বিষয়। এইরূপ সামাজিক সমস্যাগুলো নানাবিধ কারণে তৈরী হয়। বাবা-মা দুজনই কর্মে নিযুক্ত থাকলে সন্তানকে একাকীত্বে পড়তে হয়। সে কাউকে কিছু বলতে পারে না। বাবা-মায়ের স্নেহ ভালোবাসা থেকে যে বঞ্চিত হচ্ছে এই বিষয়টি অন্যভাবে সন্তানের মনে প্রভাব ফেলে ।

অবিভাবকগণ উপযুক্ত সময় দিতে ব্যর্থ হলে শিশুদের মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে ঘাটতি থেকে যায়। আবার কখনও আর্থিক অসচ্ছ্বলতার কারণে পিতা-মাতা সন্তানের চাহিদা পূরন করতে ব্যর্থ হলে সন্তান হতাশায় নিমজ্জিত হয়। সে অন্যদের সাথে নিজের তুলনা করতে শুরু করে। অন্য একজন কি পেল সে কি পেল না এগুলো ভাবতে থাকে এবং ক্রমশ বিষন্নতায় ভুগতে থাকে। পিতা-মাতা এবং অবিভাবকগণ সন্তানের এই বিষয়গুলো তাৎক্ষণিক বুঝতে পারলে প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা নিতে পারেন। সন্তানকে সকল প্রতিকূলতার মধ্যে লড়াই করে বেড়ে ওঠার মানসিকতা তৈরী করতে হবে।

কখনও কখনও বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে বাবা-মা যখন সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না এবং সন্তানের যত্ন নেবার যখন বিকল্প কেউ থাকেন না তখন এটি বিপদজনক হতে পারে। এটি স্বচ্ছল পবিবারে হতে পারে আবার অসচ্ছল পরিবারেও হতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল পরিবারেও বাবা মা দু’জন কর্মজীবী হলে তারা যদি সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালনে উদাসীন হয়ে পড়েন তখন সন্তানের মধ্যে জীবন সম্পর্কে হতাশা তৈরী হতে পারে। আবার নিম্ন আয়ের পরিবারে যদি বাবা-মা সারাদিন কায়িক প্ররিশ্রম করে যেমন-বাবা কোথাও দিন মুজুরের কাজ করছে মা হয়তো গৃহকর্মী বা গার্মেন্টস কর্মী। ফলে তারাও চাহিদামত সন্তানের যত্ন নিতে পারছেন না। তাদের সন্তান যখন স্কুলে বা কলেজে অন্য বন্ধুদের সাথে নিজেদের তুলনা করে তখন হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন  ভাষা নিয়ে ভাবনা

কখনো প্রয়োজন মত টিউটর না পেলে বা সময়মত স্কুলে ফিস জমা দিতে না পারলে বা একটি দামী কেডস্ বা দামী একটি ঘড়ি বা মোবাইল ফোন কিনে দিতে না পারলে মনে মনে ক্ষুদ্ধ হতে থাকে এবং এই ক্ষোভ দির্ঘদিন জমা থাকলে তা থেকে কোন দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। যেমন হঠাৎ করে কোন বন্ধুদের সাথে নিরুদ্দেশ হওয়া, কোন কাজের উদ্দেশ্যে কাউকে কিছু না বলে চলে যাওয়া, কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক থাকলে তাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

কিশোর বয়সের আবেগ থেকে এসব হয়। তাৎক্ষণিক পরিকল্পনায় বড় ধরনের দূঘর্টনায় পড়ে যেতে পারে আমাদের সন্তানেরা । অভিভাকের অজান্তে অনেক সন্তানই দুর্বৃত্তের হাতে পড়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। একটি দুর্ঘটনা ঘটে গেলে জীবনের বড় ক্ষতি হয়ে যায়। এই ক্ষতি আর পূরণ করা সম্ভব হয় না কোন ভাবেই। তাই প্রতিটি সন্তানের কিশোর বয়সটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর । শিশু থেকে কিশোর পর্যন্ত একটি সন্তানকে সঠিক নির্দেশনা ও পরিচর্যা দিয়ে বড় করা বাবা-মায়ের জন্য নিঃসন্দেহে কষ্টসাধ্য। কিন্তু এই কাজটি বাব মাকেই করতে হয়। এর কোন বিকল্প হয় না। তাই সন্তানের প্রতিটি কর্মকান্ডে বাবা-মায়ের নজর রাখা প্রয়োজন। সন্তান কাদের সাথে মিশেছে কখন কোথায় যাচ্ছে, কখন বাড়ি ফিরছে, পড়াশুনা ঠিকমত করছে কিনা, স্কুলে ঠিকমত যাচ্ছে কি না এ সকল ব্যপারে খোঁজ খবর নেয়া অভিভাবক হিসেবে পিতা-মাতারাই মূল দায়িত্ব।

আরও পড়ুন  আত্মকথন

একটি সন্তানের আবদার বা ইচ্ছা পূরণ করতে কে না চায়। প্রত্যেক বাবা-মাই চায় সাধ্যমত সন্তানের চাহিদা মেটাতে। কিন্তু তা যেন বাড়াবাড়িতে পরিণত না হয়। অথবা চাওয়া মাত্রই কোন কিছু দিয়ে দেয়া হলো এমন না হয়। সন্তানকে ধৈর্য্য ধারণ করা শিখাতে হবে, কষ্ট করা শিখাতে হবে বাবা-মায়ের সামর্থ্যরে কথা চিন্তা করতে হবে। নিজের কর্তব্য সম্পর্কে বুঝতে দিতে হবে। এসকল শিক্ষা পেলে একটি সন্তান আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে একটি সন্তানের মেধার বিকাশ হওয়া প্রয়োজন, সৃজনশীলতার প্রকাশ ও চর্চা প্রয়োজন। তার মধ্যে মানবিক গুনাবলীর সন্নিবেশ ঘটানো প্রয়োজন। কোন কোন শিশু এটা বংশগত ভাবে পেয়ে যায় আবার কোন কোন ক্ষেত্রে শিশুদের এই বিষয়গুলো চর্চার মাধ্যমে শেখাতে হয়।

আবশ্যিক শিক্ষণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে পারিবারিক শিষ্টাচার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিবারে বড়দের সম্মান করা ছোটদের স্নেহ করা সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করা, সকলের সাথে মানিয়ে চলা, সুখে-দুখে সকলের পাশে থাকা, একজনের বিপদের অন্যজন এগিয়ে যাওয়া, যে কোন কিছু পরিবারের সকলে ভাগাভাগি করে নেয়া, যে কোন পার্বণ বা উৎসবে সকলে মিলে আনন্দ উপভোগ করা। এগুলো পরিবার থেকে শেখার বিষয়, এসকল বিষয় চর্চা করতে হয়। শিশুরা ছোট বেলা থেকে এগুলো দেখলে তারমধ্যে স্বাভাবিক ভাবে এই বোধ গুলো জাগ্রত হয়। ভাতৃত্বের বন্ধন ও পরিবারের সকলের প্রতি মায়া-মমতা ও কর্তব্য বোধ তৈরি হয়। তাই বলা হয় পরিবারের শিক্ষাই একটি শিশুর জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা। এই বিষয়টি বাবা-মাকেও অনুধাবন করতে হবে।
যে শিশু এই শিক্ষা এবং এই ধরনের চর্চার বাইরে বড় হয় তারা নানারকম অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। তারা অসৎ সঙ্গ জড়িয়ে নিজেকে বিপদগামী করে। যেমন-
(১) কেউ মাদকসক্ত হয়ে পড়ে
(২) কিশোর গ্যাং এ জড়িয়ে পড়ে, এমনকি
(৩) পেশাগত অপরাধীদের সাথে যুক্ত হয়ে যায়।

আরও পড়ুন আমি ভিআইপি?

এইরকম পরিস্থিতিতে পড়লে শিশু স্বাভাবিক আচরণ থেকে বিচ্যূত হয়। বাস্তবতা থেকে সরে গিয়ে সব কিছুকে রোমাঞ্চকর মনে করে অথবা সবকিছুর মধ্যে হতাশা দেখতে পায় এবং অস্বাবাভিক জীবন যাপন করে এমনকি নৈতিক অধঃপতন ঘটে। মোট কথা একটি শিশু তখন স্বাভাবিক জীবন যাপন ভুলে যায়। অতিরিক্ত রাগ, কষ্ট, ক্ষোভ, এগুলো মনের মধ্যে জমতে জমতে সকলকে অসহ্য মনে হয়, সকলের সাথে অস্বাভাবিক আচরন করে । সকলের সাথে মেলামেশা স্বাভাবিক কথাবার্তা বন্ধ করে দেয় এবং একা থাকতে পছন্দ করে। ঠিকমত খাওয়াদাওয়া করে না এবং রাত জাগে। এরা কোন কিছু স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করতে পারে না। অন্যের নির্দেশনা মেনে চলতে চায় না। নিজের সিদ্ধান্তই সঠিক মনে করে।

কিশোর বয়সে একটি সন্তানকে সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য তাদের দিকে ভালোভাবে নজর দিতে হবে। কাউকে আঘাত দিয়ে কথা বলা যাবে না। সবকিছু সুন্দভাবে বুঝিয়ে বলতে হবে। ভুল করলে কথায় কথায় বকাবকি করা যাবে না। সবসময় তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা যাবে না। কখনও কখনও তাদের মতামতের গুরুত্ব দিতে হবে। কিশোর বয়সে মনে চরম আঘাত পেলে আত্মহত্যার মত ঘটনাও ঘটিয়ে ফেলতে পারে । তাই শিশু কিশোরদের হাসিমুখে বুঝিয়ে বলতে হবে। এটি অভিভাবকের মূল দায়িত্ব। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকমন্ডলী শিশু কিশোরদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে বড় ভুমিকা রাখতে পারেন।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের কথাই সবচেয়ে বেশি মন দিয়ে শোনে এবং মূল্যায়ণ করে। তাই নীতি নৈতিকতার শিক্ষা বাবা-মায়ের পাশাপাশি শিক্ষকের কাছ থেকে শিশুরা রপ্ত করতে পারে। এর ব্যাঘাত ঘটলে শিশুর জীবনে বড় ক্ষতি হতে পারে। একাটি শিশুর বেড়ে ওঠার পেছনে সকলের সমান ভূমিকা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আচরণগত শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষা সঠিক ভাবে দিতে পারলে তারা সঠিক ভাবে নিজেদেরকে পরিচালিত করতে পারবে। আদর্শ নাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে। শিশু-কিশোরদের সঠিকভাবে পরিচালিত করতে পারলে নানবিধি সামাজিক সমস্যা কমে যাবে যেমন-বাল্য বিবাহ, মাদকাশক্ত হওয়া প্রবণতা, ইভটিজিং ইত্যাদি কিশোর অপরাধমূলক কর্মকান্ড ইত্যাদি।

আরও পড়ুন  সমকালীন ভাবনা

শিশুরাই আগামীদিনে দেশের সম্পদ। তাদের মধ্যে এই জীবনবোধ তৈরী করে দেয়াটা খুবই জরুরী। তাদের দৃষ্টি শক্তি প্রসারিত করতে সাহায্য করতে হবে। শিশু-কিশোরদের স্বপ্ন দেখাতে হবে। দেশের জন্য প্রত্যেক নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা আছে তা বোঝাতে হবে। আমরা তাদের যে পথে পরিচালিত করবো তারা সেই পথেই যাবে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার যেমন কোন বিকল্প নেই তেমনি এর পাশাপাশি পারিবারিক শিক্ষা অত্যন্ত জরুরী। আর তার জন্য পারিবারিক সম্পর্ক গুলো মজবুত করা প্রয়োজন। পরিবারে সবাই মিলে একসাথে কিছুটা সময় কাঠানো , দিনের অন্তত একবেলা একসাথে খাবার গ্রহণ করা। এক সাথে বেড়াতে যাওয়া, একসঙ্গে টেলিভিশন দেখা ইত্যাদি।

বাবা-মাকে সন্তানের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে। সন্তান যাতে মন খুলে কথা বলতে পারে সেই পারিবেশ তৈরী করে দেওয়া। সন্তান শুধু ভালো রেজাল্ট করবে এটা যেন বাবা-মায়ের একমাত্র চাওয়া না হয়। ভালো মানুষ হিসেবে তৈরী করাই বড় বেশী দরকার। সন্তানদের মানবিক হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। ময়মনসিংহ মেডিকেলের শিক্ষার্থী ভূটানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং বলেছিলেন ভালো ডাক্তার হবার জন্য প্রয়োজন আগে ভালো মানুষ হওয়া। সত্যিই তাই, ভলো মানুষ হওয়ার শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। বিখ্যাত চীনা দার্শনিক লাও ঝু বলেছিলেন, ‘হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় একটিমাত্র পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে’। আমাদের সন্তানদের সেই পথটি ধরিয়ে দেয়া প্রয়োজন। যে পথে যাত্রা শুরু হলে তারা একটি সুন্দর গন্তব্যে পৌঁছাবে সে পথটি চিনিয়ে দেয়া অভিভাবকদেরই দায়িত্ব।

 

ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলফেসবুক পেইজে

ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা

Facebook Comments Box

জয়িতা শিল্পী একজন কবি ও প্রাবন্ধিক। পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী র‍্যাব-৪ এর উপ-পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। কর্মের পাশাপাশি লিখে চলেছেন নিরন্তর। প্রকাশনা:কাব্যগ্রন্থ-জলে দাগ কেটে দিও, উড়াল পাখি মন, ঘরের মধ্যে ঘর শূন্য, রক্তধারায় বঙ্গবন্ধু, করোনাময় সূর্যোদয়;গল্পগ্রন্থ-মানুষের কথা; প্রবন্ধ: রাজারবাগে প্রজার পুলিশ, বঙ্গবন্ধু একটি দর্শন ও বাংলাদেশ; মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক: ১৯৭১ সম্ভ্রমের স্বাধীনতা।তিনি ১৯৭৭ সালের ২৫ মে জন্মগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!