ড.-মোহাম্মদ-জয়নুল-আবেদীন
কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গবেষক,  বিজ্ঞানী,  শ্রীপুর (হাটখালী),  হাটখালী

কৃষি বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কৃষি বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন দেশ ও দেশের বাইরে কৃষি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। 

জন্ম: ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন ১৯৪৭ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের কাশীমনগর শ্রীপুর (শ্রীপুর নামেই বেশী পরিচিত) গ্রামের এক কৃষক  পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 

পারিবারিক জীবন: ড. আবেদীনের বাবার নাম মো. রহিম উদ্দিন শেখ এবং মায়ের নাম মোছা. আকিরন্নেসা। তিনি ৯ ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয়তম। বড় এক বোন আছেন। কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ায় কার্যত বড় সন্তান এর দায়িত্বই পালন করতে হয়েছে সব সময়।  

ড. আবেদীন ১৯৭২ সালে পাবনা শহরের নিলুফার তাসনিমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের তিন কন্যা সন্তান আছে। এরা সবাই উচ্চ শিক্ষিত। বড় মেয়ে জাকিয়া আবেদীন আমেরিকাতে শিক্ষকতা করেন। তার স্বামী ড. মাহমুদুর রহমান একজন পরিবেশ বিজ্ঞানী। মেজো মেয়ে তুনাজ্জিনা আবেদীন কানাডায় প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। আর তার স্বামী সাজ্জাদ আলমও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। ছোট মেয়ে জীশান আবেদীন কানাডায় আর  পেশায় একজন প্রত্নতত্ববিদ। তার স্বামী ডা. শাহরিয়ার আলম একজন চিকিৎসক। 

বাল্যকাল: শ্রীপুর গ্রামটি গাজনার বিলের মধ্যেকার একটা অনগ্রসর অজ পাড়াগ্রাম ছিল, যা প্রায় ৫ মাস পানির তলায় থাকতো। যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্গম ছিল। বন্যা, খরা, কৃষিকাজে অনগ্রসরতা  ইত্যাদির কারণে অধিকাংশ গ্রামবাসী দারিদ্রসীমার নীচে ছিল।

গ্রামে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল না। নিকটস্থ উচ্চ বিদ্যালয়  প্রায় ছয়-সাত কিলোমিটার দুরে খলিলপুরে ছিল। এমতবস্থায় গ্রামের হাতে গোনা দুই চারজন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়েছেন। এ রকম একটা পরিবেশে গ্রামের ধনী ব্যক্তি ড. আবেদীনের আব্বার চাচা দেলবর সেখের ছেলেদের পড়ানোর জন্যে সৈয়দপুর গ্রামের নগেন্দ্রনাথ  বিশ্বাস আসেন। কালক্রমে তিনি গ্রামে একটা পাঠশালা খোলেন। ড. আবেদীনও ঐ পাঠশালায় পড়াশোনা শুরু করেন। আর শুরু থেকে উচ্চ বিদ্যালয়  পর্যন্ত লেখাপড়ায় উনার যথেষ্ঠ অবদান ছিল। পড়াশোনার প্রতি বরাবরই উনার টান ছিল। তাই ছোট বয়সেই বাবা-মা আর খেলার সাথীদের ছেড়ে অনেক দূরে চলে যান। 

আরও পড়ুন মাওলানা রইচ উদ্দিন

শিক্ষা জীবন:  ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার পিড়ালীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণিতে পড়েন আর ৬ষ্ঠ শ্রেণি একই উপজেলার কসবামাজাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে। তিনি ১৯৫৯ সালে পাবনা জিলা স্কুলে ৭ম শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং ১৯৬৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় লেটার সহ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। মেরিট বৃত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  ১৯৬৮ সালে বিএসসি (কৃষি) ও ১৯৬৯ সালে এমএসসি (কৃষি) ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপরে তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার (বর্তমানে চেক রিপাব্লিক) রাজধানী প্রাগ থেকে ১৯৭৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।

কর্ম জীবন: ড. আবেদীনের কর্ম জীবন বর্ণাঢ্য। তিনি ১৯৭০ সালে সরকারী গেজেটেড পদমর্যাদায় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে মহকুমা কৃষি অফিসার (পাট) হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু ছয়মাসের মাথায় চাকুরি ছেড়ে দিয়ে তিনি ১৯৭০ সালেই বিএডিসির রাজশাহী জেলা বীজ উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন। কয়েক মাসের মাথায় মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তি যুদ্ধের পরে বিএডিসির চাকুরীতে পূর্বপদে যোগদান করেন। ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে বিএডিসির চাকুরীতে ইস্তফা দিয়ে পিএইচডি করতে চলে যান। বলে রাখা ভালো, একই সময়ে তিনি বালাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসাবেও নিয়োগ পান। কিন্তু উচ্চ শিক্ষার অদম্য ইচ্ছা ২৫ বছরের যুবককে অন্য কিছুতে টলাতে পারে নাই। ফলে তিনি ‘উচ্চ শিক্ষা আগে’ নীতিতে অটল থাকেন। ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করে ১৯৭৬ সালে দেশে ফিরে চাকুরি খুজতে থাকেন।  তখনই ডাক পড়ে কারিতাস নামের এক বিদেশী এনজিও তে কাজ করার।

স্কুল থেকে ঝড়েপড়া কৃষকদের নিয়ে তিনি ১ বছর মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্চ চালু করেন। তিনি যা করছিলেন তা নিয়েই খুশি ছিলেন। কিন্তু দ্রুতই অনুধাবন করেন যে, তিনি যে জন্য উচ্চ শিক্ষা নিয়েছিলেন তার সাথে সামঞ্জস্য হচ্ছে না।

আরও পড়ুন জ্যোতির্বিজ্ঞানী মোহাম্মদ আবদুল জব্বার

১৯৭৭ সালে তিনি ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এ যোগদান করেন এবং ১৯৭৯ সালে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে পদন্নোতি পান। পরবর্তীতে তাঁকে বিশ্ব-ব্যাংক এর অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পে প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই প্রকল্পে তাঁকে কৃষকদের সংস্পর্শে কাজ করতে হয়েছে। তিনি বুঝতে পারেন যে, একজন বিজ্ঞানীকে কৃষকদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। এর ভিত্তিতে তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটকে পুনর্গঠন এবং কৃষকদের সাথে আরো কাছাকাছি কাজ করার জন্য একটি নতুন গবেষণা বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। অবশেষে বিভাগটি প্রতিষ্ঠিত হয়, তিনি ১৯৮৪ সালে মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং নতুন সৃষ্ট সরেজমিন গবেষণা বিভাগের  প্রথম বিভাগীয় প্রধান হিসেবে পদন্নোতি পান।

দেশের জন্য ১৮ বছর সেবার করার পর, ১৯৯১ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত আন্তর্জাতিক  কৃষি বনায়ন গবেষণা কেন্দ্রে (ICRAF) ঊর্ধ্বতন ফেলো/এগ্রনোমিস্ট হিসেবে ১ বছর কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ পান। এজন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে ইস্তফা দেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। আন্তর্জাতিক কৃষি বনায়ন গবেষণার কাজ শেষ হওয়ার পর তিনি কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত বিশ্ব ব্যাংকের আঞ্চলিক অফিসে প্রথমে স্বল্পমেয়াদী এবং পরে দীর্ঘমেয়াদী পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেন। দীর্ঘমেয়াদী পরামর্শদাতা হিসেবে তিনি কেনিয়ার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটকে তাদের অভিযোজিত গবেষণা ও অন-ফার্ম গবেষণাকে আরো শক্তিশালী করার পরামর্শ দিতেন।

১৯৯৬ সালে শুষ্ক এলাকায় আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (ICARDA) যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো  হয় এবং তাকে ইয়েমেনের ইতিমধ্যে মৃতপ্রায় কৃষি গবেষণা পদ্ধতিকে শক্তিশালী করার জন্য বিশ্ব ব্যাংকের আরেকটি অর্থনৈতিক প্রকল্পে পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি সেখানে ৩ বছর কাজ করেন। পারিবারিক কারণে আর কাজ করতে পারেন নি। এরপর তিনি বিশ্ব ব্যাংক, জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের  (IFAD)  স্বল্পকালীন পরামর্শদাতা হিসাবে কাজ করেন।

আরও পড়ুন লোকসাহিত্য বিশারদ মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন

এরপর তিনি ফিলিপাইনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট  (IRRI) এর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গবেষণা প্রকল্পের সমন্বয়ের  দায়িত্ব পালনের জন্য আমন্ত্রণ পান। ৩ বছরের বেশি সময় কাজ করার পর ২০০৫ সালে ইথিওপিয়াতে তিনি কানাডিয়ান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (CIDA) একটি প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদী পরামর্শক এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু শীগ্রই আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট তাকে আবার যোগদান কর‍তে বলে। ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্রতিনিধি (হেড অফ মিশন) হিসেবে বাংলাদেশে যোগদান করেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত কাজ করেন। যখন তিনি চলতি চাকরি থেকে অবসর নেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে ৪২ বছর কেটে গেছে কৃষি গবেষণায়। ৪২ বছরের সম্মানজনক পেশায়। ২০১৩ সাল থেকে ডঃ আবেদীন স্বল্প-মেয়াদী পরামর্শদাতা হিসেবে বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করে যাচ্ছেন।

অবদান: ড. আবেদীন কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। 

আন্তজার্তিকভাবে ড. আবেদীন বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনে কাজ করেছেন। এসব দেশে কৃষকদের সাথে কাজের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের গুণগত মান উন্নয়ন, কৃষকদের জন্য লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন; কৃষকদের মাঝে দ্রুত প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেয়া ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ অবদান রেখেছেন। 

বাংলাদেশে বিভিন্ন ভৌগলিক পরিবেশের জন্য শস্যক্রম ও বসতবাড়িতে সারা বছরের সবজি ঊৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে নেতৃত্ব প্রদান করেন। কৃষকের জন্য লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তিনি বাংলাদেসশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ সরেজমিন গবেষণা বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন, যা প্রতিষ্ঠিত হয়। তার নেতৃত্বে এই বিভাগের সফলতা দেশের অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানেও প্রতিষ্ঠিত হয়।  ছোট ও প্রান্তিক কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তিনি ফার্মিং সিস্টেমস গবেষণা কার্যক্রম চালু করেন। বাংলাদেশে বন-কৃষি গবেষণার তিনি একজন পথিকৃৎ। তিনি বিনা চাষে আলু উৎপাদনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। জানামতে তিনিই প্রথম বানংলাদেশে সুগার বীট চাষের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। তিনি ধান চাষের জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায়  ড্রাম সীডার প্রযুক্তি প্রবর্তন  করেন।

আরও পড়ুন বাংলাদেশের বইমেলার প্রবর্তক সরদার জয়েনউদ্দীন

লাগসই প্রযুক্তি ঊদ্ভাবনের জন্যে তিনি বিজ্ঞানীদের মান উন্নয়নের ও সুষ্ঠ পরিবেশ সৃষ্টির প্রবক্তা। তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ নিয়মিত গবেষণা পর্যালোচনা ও সমন্বিত গবেষণা পরিকল্পনা প্রবর্তন করেন যা এখনও চলমান।

বাংলাদেশ ব্যাংক এ সামুদ্রিক শৈবাল ও ছোট কৃষকের জন্য ফুল চাষের কার্যক্রম শুরু করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন।

ড. আবেদীন সামাজিক ও পেশাজীবী সংস্থায় খুবই সক্রিয়। তিনি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এর   প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। তিনি একজন রোটারিয়ান যারা মানব জীবনের গুণগত মান উন্নয়নে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি এ  দেশে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিয়ে জাতীয় আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান বিসেফ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। 

সুজানগর উপজেলার কামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যারা অনুদান দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। তিনি হাটখালী ইউনিয়নের কাশিমনগর শ্রীপুরে ‘ড. জয়নুল আবেদীন নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ নামে একটা বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি বাংলাদেশের কৃষকদের বিশেষ করে সুজানগর উপজেলার কৃষকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।

 

ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলফেসবুক পেইজে
Facebook Comments Box

প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেন, সাহিত্য সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবেদিত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন "আমাদের সুজানগর"-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং "আমাদের সুজানগর" ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক। সুজানগর উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, শিক্ষা, মুক্তিযুদ্ধ, কৃতি ব্যক্তিবর্গ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে ভালোবাসেন।বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি স্বনামধন্য ওয়াশিং প্লান্টের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশনে কর্মরত আছেন। তিনি ১৯৯২ সালের ১৫ জুন পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত হাটখালী ইউনিয়নের সাগতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!