মুহম্মদ-মনসুর-উদ্দীন-২য়-পর্ব
কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গবেষক,  মুরারীপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাগরকান্দি,  সাহিত্য

অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন (২য় পর্ব)

অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন (২য় পর্ব)  

 

কর্ম জীবন: অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন ১৯২৯ সালে অস্থায়ী স্কুল সাব-ইন্সপেক্টর পদে যোগদান করেন। তিন বছর চাকরি করার পর ১৯৫১ সাল পর্যন্ত ঢাকা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (স্কুল শাখা), হাওড়া জেলা স্কুল, চট্টগ্রাম সরকারি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ এবং সিলেটের মুরারিচাঁদ কলেজে শিক্ষকতা করেন। ১৯৫২ সালে ছয় মাসের জন্য তিনি ঢাকায় সরকার পরিচালিত মাহে নও মাসিকপত্রের সম্পাদক ছিলেন। ঐ বছরেরই শেষ দিকে সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে লন্ডন যান। সম্মেলনে ‘Bengali Folksong’ নামে একটি প্রবন্ধ পাঠ করে তিনি সকলের প্রশংসা অর্জন করেন। ঐ সম্মেলনে ফোকলোর বিশেষজ্ঞ হিসেবে গণ্য হওয়ায় তাঁকে International Folksongs Council-এর সদস্যপদ প্রদান করা হয়। লন্ডন থেকে ফিরে ঐ বছরই তিনি ঢাকা কলেজে বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন এবং ১৯৫৯ সালে অবসর গ্রহণ করেন। অবসর গ্রহণের পূর্বে তিনি বেশ কিছুদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের খন্ডকালীন অধ্যাপক ছিলেন।

লেখালেখিতে হাতেখড়ি: বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে খলিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরেন্দ্রনাথ সেন তাঁকে সাহিত্য চর্চায় শুধু উৎসাহিতই করেননি, বইপত্র দিয়েও সাহায্য করেছেন। কবিতা লেখার চেষ্টা তখন থেকেই। এরপর তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে পড়ার সময় সাহিত্য চর্চার কারণে সহপাঠীদের মধ্যে ‘কবি সাহেব’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম ‘বেদুইন মুসলমান’। পরে সাম্যবাদী, প্রাচী ইত্যাদি পত্রিকায় তাঁর আরও কিছু কবিতা প্রকাশিত হয়। দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় কলকাতা থেকে প্রকাশিত প্রবাসী পত্রিকা তাঁকে লালনগীতির সঙ্গে পরিচিত করায়। পত্রিকাটির ঐ সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংগৃহীত লালনের গান ছাপা হয়, যা কিশোর কবি মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন লালনের গান সংগ্রহে অনুপ্রেরণা জোগায়। পরবর্তী সময়ে প্রত্যক্ষ অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছ থেকে।
আহমদ শরীফের ভাষায়, ‘নব যৌবনে রবীন্দ্রনাথের স্নেহধন্য ও অবনীন্দ্রনাথের আদরপুষ্ট হয়েছিলেন।’

আরও পড়ুন জ্যোতির্বিজ্ঞানী মোহাম্মাদ আবদুল জব্বার

সংগ্রহ: মুহম্মদ মনসুরউদ্দীনের  প্রথম সংগ্রহ ছিল সুজানগরের  মুরারীপুর গ্রামের প্রেমদাস বৈরাগীর কাছ থেকে সংগৃহীত লালনের একটি গান, তা পাঠিয়ে দেন প্রবাসীতে যা ছাপা হয় ১৩৩০ সালের আশ্বিন সংখ্যায়। তিনি স্কুল জীবন থেকেই লোকগীতি সংগ্রহ শুরু করেন। লালন গীতির সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য লোকগীতি সংগ্রহের কাজে তিনি মনোনিবেশ করেন। ছায়েমউদ্দীন ওরফে ছামু ছিলেন তার প্রতিবেশী। তার কাছ থেকে তিনি কিছু গান সংগ্রহ করেন। এছাড়া নায়েব আলী মোল্লা, ন্যাংড়া মোল্লা, আব্দুল জব্বার ওরফে জবা’র কাছ থেকে সংগৃহীত পল্লী গানের সঙ্গে যুক্ত হয়। 

ফরিদপুর জেলার রাজবাড়ীর খাসচর-এর কানু সরদারের কাছ থেকে প্রথম পাগল কানাই এর গান সংগ্রহ করেন। একই গ্রামের জাবেদ আলীর কাছ থেকে প্রথম একটি বারোমাসী উদ্ধার করেছিলেন। ছাত্রজীবনে অধ্যয়নের ও পরবর্তীকালে অধ্যাপনার অবসরে তিনি পদ্মার চরাঞ্চল এবং পাবনা-ফরিদপুর-কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে গান, ছড়া, ধাঁধা, প্রবাদ, গল্প ইত্যাদি লোকসাহিত্যের অনেক উপাদান সংগ্রহ করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় ফোকলোর চর্চা দেশের সুধীমহলের স্বীকৃতি লাভ করে। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদ থেকে ছয় হাজারের মতো লোকগান সংগ্রহ করেন।

বাংলা লোকসাহিত্য সংগ্রহ করে তিনি ‘ভোরের পাখি’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। বাংলাদেশ ফোকলোর পরিষদ, লালন পরিষদ (কেন্দ্রীয় সংসদ), লালন একাডেমী (কুষ্টিয়া), হরিশপুর লালন একাডেমী, পাঞ্জু শাহ সেবা সংস্কৃতি সংঘ ইত্যাদি সংস্থার উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষকরূপে মনসুরউদ্দীন আজীবন কাজ করে গেছেন। ১৯৭৮ সালের ৯ মার্চ বাংলাদেশ ফোকলোর পরিষদ মনসুরউদ্দীনকে সংবর্ধিত করে। তাঁর জীবন উৎসর্গীকৃত ছিল লোকসাহিত্য সংগ্রহে।

আরও পড়ুন বাংলাদেশে বইমেলার প্রবর্তক সরদার জয়েনউদ্দীন

হারামণির সর্বশেষ খণ্ডের (ত্রয়োদশ) ভূমিকায় যার সাক্ষ্য মেলে: ‘বাংলাদেশের আনাচে কানাচে যে পল্লী-গানের কত অসংখ্য মণিমুক্তা লুক্কায়িত রহিয়াছে তাহা বলিয়া শেষ করা যায় না। গত ষাট বৎসর ধরিয়া এই পল্লী-গানের সন্ধানে ঘুরিয়াছি, ছাত্রজীবনে ও সরকারি কর্মজীবনের ফুরসতে এবং অবসর জীবনে। তাহাতে এই দৃঢ় ধারণা জন্মিয়াছে যে আমাদের দেশ মহৎ এবং ইহার লোকসংগীত সমাচার বিশ্বে আদর পাইবার যোগ্য।’

একে একে সংগ্রহ করেন পল্লী বাংলার লোক কবিদের অনন্য রত্নরাজি। ছাত্রত্বে, কর্মজীবনে কিংবা চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর সব সময় উন্মুখ থেকেছেন লোকসংগীত সংগ্রহ করে জাতিকে উপহার দেওয়ার মহান ব্রতে। তাঁর অনুসন্ধানী চোখ আর তীক্ষ্ম শ্রবণেন্দ্রিয় খুঁজে ফিরত কোথায় বাজে লালনের একতারা, কোন পথে হেঁটে যায় একাকী বাউল, কোথাকার কোন অজপাড়াগাঁয়ের বিয়েবাড়ি মুখর হয় মেয়েলি গানে, কোথায় বেজে ওঠে বারোমাসি গান। তিনি মনেপ্রাণে ছিলেন  বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি, বিশেষত লোকসংস্কৃতির একজন একনিষ্ঠ অনুরাগী।

সাহিত্য সাধনা: অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন লোকসাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় প্রবন্ধ রচনা করে ভারতী, প্রবাসী, ভারতবর্ষ, বঙ্গীয় সাহিত্যপরিষৎ পত্রিকা, বিচিত্রা, মোহাম্মদী  প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশ করেন।

চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে সচেষ্ট হন। সারা জীবনের শ্রম সাধনায় যে পল্লী সম্পদ তিনি সংগ্রহ করেছিলেন, সেগুলো প্রকাশের জন্য তিনি তৎপর হয়ে উঠেছিলেন।  তাঁর সবচেয়ে বড় এবং অক্ষয় কীর্তি হলো  ‘হারামণি’। দীর্ঘ সময়ব্যাপী লোকসাহিত্য সংগ্রহের ফসল এটি। মোট ১৩ খণ্ডে প্রকাশিত হয় এই লোকসঙ্গীত সংকলনটি। এটি সংকলন ও সম্পাদনা করে তিনি প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেন। প্রতিটি খন্ডের সম্পাদনায় তিনি আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও গভীর পান্ডিত্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।

আরও পড়ুন আব্দুল গণি হাজারী

মুজমনসুর উদ্দীনের কয়েকটি মৌলিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তার মধ্যে তিন খন্ডে প্রকাশিত ‘বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা’ তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এর প্রথম খণ্ড হাসি প্রকাশনালয় থেকে প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। রতন পাবলিশার্স  এর পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত সংস্করণ ১৯৬৫ সালে প্রকাশ করে। দ্বিতীয় খণ্ড হাসি প্রকাশনালয় থেকে ১৩৭১ বঙ্গাব্দে বের হয়। গ্রন্থটি প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় খন্ডে একত্রে রতন পাবলিশার্স থেকে ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থের প্রথম খণ্ড তার ‘পরলোকগত পিতার রূহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে’ দ্বিতীয় খন্ড ‘কনিষ্ঠা ভগিনী বুড়ীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে’ এবং তিন খন্ড একত্রে ‘পরলোকগত পিতার মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে’ উৎসর্গ করা হয়েছে।

বাংলা সাহিত্যের মুসিলম সাধকদের এটি একটি তথ্যবহুল ইতিহাস।  মনসুর উদ্দীন শিবলী নোমানীর ‘আলমগীর আওরঙ্গজেব পর একনজর’ গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ করেন। সোসাইটি ফর পাকিস্তান স্টাডিজ অনূদিত গ্রন্থটি’ ‘আওরঙ্গজেব’ শিরোনামে ১৯৭০ সালে প্রকাশ করে। ইরানের সাতাশজন বিখ্যাত কবির জীবনী সম্বলিত গ্রন্থ ‘ইরানের কবি’ তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি ১৩৭৫ বঙ্গাব্দে (১৯৬৮ সাল) প্রকাশ করে। এর প্রচ্ছদপট এঁকেছেন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী আবদুর রহমান চুঘতাই। ‘অধ্যাপক ব্রাউন ও পারস্য সাহিত্যের ইতিহাস’ শীর্ষক একটি সুলিখিত ও তথ্যপূর্ণ নিবন্ধ এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি তার ‘মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে’ গ্রন্থটি উৎসর্গ করেছেন। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ: শিরনী (১৯৩১), ধানের মঞ্জরী (১৯৩৩), আগরবাতী (১৯৩৮) তাঁর রচিত মোট গ্রন্থসংখ্যা ৪২টি।

আরও পড়ুন অশোক কুমার বাগচী

প্রকাশনা:

লোকসাহিত্য:

  • ১৩ খন্ডে সংগৃহীত লুপ্ত ও লুপ্তপ্রায় লোকসাহিত্যের সংকলন হারামনি
  • লোককাহীনির সংকলন শিরণী (১৯৩২ খ্রি.)
  • হাসি অভিধান
  • বাংলা ইডিয়ম সংকলন (১৯৫৭ খ্রি.)  

উপন্যাস:

  • সাতাশে মার্চ  

বঙ্গ সাহিত্যের ইতিহাস:

  • বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা, ৩খন্ড একত্রে (১৯৮১ খ্রি.)  

গানের সংকলন:

  • শত গান (১৯৬৭ খ্রি.)
  • ইরানের কবি (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ)
  • আওরঙ্গজেব (অনুবাদ, ১৯৭০ খ্রি.)  

রূপকথা সংকলন:

  • ঠকামি (১৯৫৯ খ্রি.)
  • মুসকিল আসান (২য় সংস্করণ ১৯৫৯ খ্রি.)  

অন্যান্য:

  • হাসির পড়া (১৯৬৩ খ্রি.)  

সম্মাননা: ষাটের দশকে তিনি ‘হারমণি মজলিসে’র একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। মূলত এ অনুষ্ঠানটি হয়েছিল মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার তেরশ্রী হাইস্কুলে। এই স্কুলের শিক্ষক মৌলভী আশরাফ উদ্দীন আহমদের উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান, ডা. এম এন নন্দী প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এখানে সারাদিন, পল্লী গানের আসর বসে। মনসুর উদ্দীনও আমন্ত্রিত হন এবং এখানেই তিনি এক সারিন্দা বাদককে আবিষ্কার করেন এবং ঢাকা রেডিওতে তাকে দিয়ে প্রোগ্রাম করান। এখানেই আবদুর রহমান ঠাকুর নামক একজন উৎসাহী যুবককে পান এবং বাংলা একাডেমিতে লোকসাহিত্য সংগ্রাহক পদে নিয়োগের সুপারিশ করেন। আবদুর রহমান ঠাকুর লোকসাহিত্য সংগ্রাহক পদে নিযুক্তি পান।

আরও পড়ুন কবি, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক আনন্দ বাগচী

ফরিদপুরের মঙ্গল বয়াতীকেও তিনি ঢাকাস্থ বাসায় এনেছিলেন। মঙ্গল বয়াতী ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভায় মনসুর উদ্দীনের আনুকূল্যে লালন এবং পাগলা কানাইয়ের গান পরিবেশন করেন এবং সুখী সমাজে পরিচিতি লাভ করেন। অমূল্য সব কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দেশে-বিদেশে পেয়েছেন অনন্য সব সম্মান, স্বীকৃতি, সংবর্ধনা, পদক। বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন-

  • বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৫ খ্রি.)
  • শেরে বাংলা জাতীয় পুরস্কার ও স্বর্ণপদক (১৯৮০ খ্রি.)
  • মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮২ খ্রি.)
  • একুশে পদক (১৯৮৩ খ্রি.)
  • নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক (১৯৮৩ খ্রি.) 
  • স্বাধীনতা পদক (১৯৮৪ খ্রি.) 
  • রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডি.লিট (১৯৮৭ খ্রি।) উপাধিতে ভূষিত হন। 
আরও পড়ুন অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন-
১ম পর্ব
৩য় পর্ব
৪র্থ পর্ব
 

ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলফেসবুক পেইজে

অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন (২য় পর্ব)

Facebook Comments Box

প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেন, সাহিত্য সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবেদিত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন "আমাদের সুজানগর"-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং "আমাদের সুজানগর" ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক। সুজানগর উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, শিক্ষা, মুক্তিযুদ্ধ, কৃতি ব্যক্তিবর্গ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে ভালোবাসেন। বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি স্বনামধন্য ওয়াশিং প্লান্টের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশনে কর্মরত আছেন। তিনি ১৯৯২ সালের ১৫ জুন পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত হাটখালী ইউনিয়নের সাগতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!