সাদা-কাগজে-প্রেম
এ কে আজাদ দুলাল (গল্প),  গল্প,  সাহিত্য

সাদা কাগজে প্রেম

সাদা কাগজে প্রেম

এ কে আজাদ দুলাল

 

জীবনানন্দ দাসের প্রিয় কার্তিক মাস প্রায় শেষ প্রান্তর। একটু একটু শীত অনুভব হচ্ছে। ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে একটা বিষয় পরীক্ষা হয়েছে। কোভিড-১৯ এর কারণে প্রায় আঠার মাস জীবন থেকে ঝরে গেছে গোটা দেশের শিক্ষার্থীদের। শুধু বাংলাদেশেই নয় সারা  পৃথিবীতে একই সমস্যা। বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে না খুলতেই পরীক্ষা। সব কিছু যেন নতুন নতুন মনে হচ্ছে। ক্যাম্পাস আগের মত প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তবুও যেন আলোবিহীন রোদ। 

লাবনীর আজ দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষা চলছে। শেষ হবে সেই বিকেল পাঁচটায়। মানে সন্ধ্যায়। পরীক্ষা হল হতে বের হতে আরও পনের মিনিট বাকী। তখন সূর্যমামা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করবেন। তাই হলো। পরীক্ষা শেষ করে যখন বের হলো তখন সন্ধ্যা। বন্ধুরা সবাই বের হয়েছে। বর্ষার বাবা-মা এসেছেন ক্যাম্পাসে। আজ রাতেই চলে যাবেন। বর্ষা হলে থাকে। তাই সন্ধ্যাকালীন ক্যাম্পাসে পিঠা খাওয়ার নিমন্ত্রণ। লাবনীর প্রিয় বন্ধু বর্ষা। সবাই মিলে ছয়-সাত জন এবং সঙ্গে আছেন হোস্ট বর্ষার বাবা-মা। মাঠের এক পাশে পিঠা তেরি হচ্ছে আর ছেলে-মেয়েরা গোলাকারে বসে মজা করে পিঠা খাচ্ছে আর আড্ডা দিচ্ছে। এটাই বিশ্ববিদ্যালয়ের চমকপদ জীবন। বর্ষা তার বাবা-মা সহ বন্ধুদের নিয়ে একপাশে বসে তিন রকমের পিঠার অর্ডার দিয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে বাবা-মাকে পরিচয় করিয়ে দিলো।

লাবনী এক নজরে দেখে নিলো বর্ষার বাবা-মাকে। মনে মনে ভাবল বর্ষার বাবা-মা বেশ ভাল। বর্ষার মা কথা বলে যাচ্ছেন। কার বাড়ী কোথায় ইত্যাদি ইত্যাদি। লাবনী এর মধ্যে আড় চোখে বান্ধবীর বাবাকে দেখে নিয়েছে। মনে হচ্ছে চেহারাটা অতি পরিচিত। কিন্তু এটা কখনো সম্ভবপর নয়। বর্ষাদের বাড়ী আর তার বাড়ী এক জেলায় নয়। তার বাবা বলেছিলেন এ রকম হতেই পারে। কারণ এমন কিছু মানুষ আছেন তাদের সাথে কোন দিন দেখা- সাক্ষাৎ নেই কিন্তু দেখামাত্র মনে হবে অতি পরিচিত। হঠাৎ চিন্তার বাধা পেল মার মোবাইল ফোন রিংটোনে।

__লাবনী, পরীক্ষা তো অনেক আগেই শেষ হয়েছে। এখন কোথায়?

__মা, পিঠা খাচ্ছি আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি। পরীক্ষা ভাল হয়েছে। দারুণ একটা মজার কাহিনী আছে পরে বলবো, এখন রাখি।

আরও পড়ুন গল্প হাইয়া আলাল ফালাহ

বলেই ফোন কেটে দিয়ে আবার আড্ডায় যোগ দিল। লাবনীর মনে একটাই প্রশ্ন বর্ষার বাবাকে সে কোথায় দেখেছে। না, ইতোপূর্বে সে কখন তাকে দেখেনি। চোখে বুদ্ধির দ্বীপ্তি। দেখেই মনে হচ্ছে প্রচুর পড়াশুনা করেন। কথা কম বলেন, শোনেন বেশী। সবার কথা মন দিয়ে শুনে যাচ্ছেন। পিঠা খাওয়া শেষ করে সবাই বিদায় নিলেন। বর্ষার বাবা-মা রাতের ট্রেনে ঢাকায় ফিরবেন। লাবনী খেয়াল করেছে বর্ষার বাবা প্রায় একঘন্টার মধ্যে তিনবার কথা বলেছেন মোট দশ মিনিট। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের ছাত্র ছিলেন। তাদের সময়ের কিছু স্মৃতিচারণ করলেন। অসাধারণ বাচনভঙ্গি এবং জ্ঞানের ভান্ডার। লাবনীর মনে ধরেছে। বর্ষা ঠিক ওর বাবার মত। এ বয়সে অনেক কিছু শিখেছে। ও গর্ব করে বলে বাবা আমার বড় শিক্ষক আর মা গাইডলাইন। বর্ষার বাবা ইতোমধ্যে লাবনীকে বার তিনেক অন্তর্দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাহলে কি লাবনীকে আগে কোথাও দেখেছে? অসম্ভব।

হলে গিয়ে ফ্রেস হয়ে ডাইনিং-এ রাতে খাবার খেয়ে ফিরে এসে তার মার সাথে  মোবাইল কথা বলা শুরু করলো। প্রতিদিন এই সময় প্রায় আধা ঘন্টা মা-মেয়ের মধ্যে মোবাইলে কথা হয়। আজ একটু বেশি সময় নিলো। বর্ষার বাবার ব্যাপারে বলতেই হবে, তা না হলে লাবনীর পেটের ভাত হজম হবে না।

__মা, একটা মজার ব্যাপার ঘটেছে।

__বেশ, কি এমন মজার কথা শুনি?

__আমার বন্ধু বর্ষার কথা তো তোমাকে বলেছি।

__তা বলেছিলে বটে। এখন আবার কি হলো?

__ওর বাবা-মা আমাদের সঙ্গে পিঠা খাওয়ার নিমন্ত্রণ করেছিলেন এবং তারা আজ রাতেই ঢাকায় ফিরে যাবেন।

__এখানে তো কোনো মজার কিছু দেখছি না।

__মা, বর্ষার বাবাকে দেখে  আমার মনে হলো এই ভদ্রলোককে আগে কোথাও দেখেছি। কিন্তু কিছুতেই মনে পড়ছে না।

__দেখ, আগে যেটা কখনো দেখা হয়নি, সেটা মনে পড়বে কেমন করে? এটা মনের ভুল। হয়ত কোন এক সময় বর্ষার সঙ্গে ক্যাম্পাসে দেখেছিস।

আরও পড়ুন গল্প সোনালী

__না মা, এই প্রথম এসেছেন। আগে বর্ষা তার বড় ভাই আর মা সঙ্গে এসেছিল। ওনি এই প্রথমবার এলেন।

__তা বেশ ভাল। ভদ্রলোকের বয়স কত হবে?

__হঠাৎ বয়সের প্রশ্ন কেন? বয়স যাইহোক না কেন, এক সময় মেয়েরা ক্ষণিকের জন্য হলেও প্রেম নিবেদন করেছে।

__তুই কি ভদ্রলোকের ক্ষণিকের জন্য প্রেমে পড়ে গেলি নাকি?

__তা হয়ত পড়েছি।

__দ্যাখ, এমন ঘটনা কিন্তু অনেক ঘটেছে।

__জানি  মা। মেয়ের বান্ধবীর সাথে প্রেম তারপর বিয়ে। প্রেম অন্ধ। বিকেলে ভোরের ফুল। বলেই লাবনী খিল খিল করে হেসে উঠলো।

__থাক, বড্ড শেয়ানা হচ্ছিস। অনেক হয়েছে। পরীক্ষা কেমন হয়েছে?

__ভাল হয়েছে সোনা মা। মজা করলাম। তবে বর্ষা বাবা আসলেই আকর্ষণী ব্যক্তি। শ্রদ্ধা করার মত মানুষ। মা রাখি। ভাল থেকো।

__শোন, শোন। তা ভদ্র লোকের নাম কি?

__আশিক। 

বলেই লাবনী মোবাইল ফোন হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। লাবনীর মা অজান্তে আশিক নামটি উচ্চারণ করলো।

লাবনীর সাথে কথা বলার সময় অবচেতনে  মন চলে গিয়েছিল আজ হতে ত্রিশ বছর আগের সবেমাত্র যৌবনে পা দিয়েছে এমন একটা সময়ে। মেয়ের সাথে কথা বলার সাথে সাথে স্মৃতির পটে দৃশ্যগুলো একে একে ভেসে উঠলো।

দশম শ্রেণির ছাত্রী। সবার মত চঞ্চল নয়। ধীর স্থীর নরম স্বভাবের কিন্তু লেখাপড়া বেশ মনোযোগী এবং মিডিয়াম ছাত্রী। বড় ভাইয়ের  বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ। বাবা ব্যাংকার, মা গৃহিণী। বড় ভাইয়ের কাছে ইংরেজী আর অংক বুঝে নিতো। বাসায় কোন টিউটর রাখার অবস্থা ছিল না। তার বড় আরো দু’জন মার গর্ভের মানব সন্তান অকালে ঝড়ে যায়। তাই বড় ভাই আসাদের চেয়ে প্রায় দশ বছরের কনিষ্ঠ। ছোট আর একমাত্র বোন বলে একটু বেশি পাত্তা পেতো।

বড় ভাইয়ের  বন্ধু আশিক তাদের বাসায় প্রতি সপ্তাহে ছুটির দিনে বেড়াতে আসতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে দু’জনই চাকরির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। সারাদিন বন্ধুর বাসায় সময় কাটিয়ে রাতের খাবার খেয়ে চলে যেতেন।

আরও পড়ুন গল্প ওরা তেরোজন

ভাইকে একটা অংক সমাধান করার জন্য বলাতে ভাই একটু বিরক্তি প্রকাশ করেছিল। এ কারণে কথা বলা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হাজার চেষ্টা করেও বড় ভাই তার বোনকে বাগে আনতে পারেনি। বড্ড জেদি ছিল।

ছুটির দিন আশিক আসতেই বন্ধু আসাদ বললো, 

__আশিক  অভিমানী মুন্নীকে কিছুতেই অভিমান ভাঙ্গাতে সক্ষম হচ্ছি না। জেদ ধরে আছে। তিনি আমার কাছে অংক, ইংরেজি, বাংলা আর পড়বেন না।

__মনে হয় এ তিনটি বিষয়ে তিনি পন্ডিত। সুতরাং এ নিয়ে কোনো চিন্তার কারণ দেখছি না। যার চিন্তা তাকেই করতে দিলে ভাল হবে। কথায় বলে না, সাপ যখন গর্তে ঢোকে সোজা হয়ে ঢোকে।

__দোস্ত, দারুণ বলেছিস।

কথাগুলো শুনে রাগ হয়েছিল, জেদ হয়েছিল। প্রতিজ্ঞা করে নিজেই আপ্রাণ চেষ্টা করে পড়াশুনা করে যাচ্ছিল। মাঝে মধ্যে বড় ভাইয়ের কাছে সাহায্য নিত আর বাংলা-ইংরেজি গ্রামার  আশিক ভাইয়ের সাহায্য নিত। এখনো মনে পরে পড়ার চেয়ে আশিক ভাইয়ের মুখের দিকে বেশি সময় চেয়ে থাকত মুন্নী নামের মেয়েটি। সন্তর্পনে আশিকের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ছিল। এ যেন- আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান।

এসএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত এই ভাবে মুন্নীকে সাহায্য করেছিল আশিক। এরই মধ্যে মুন্নী নামের মেয়েটি ভাইয়ের বন্ধুর একতরফা প্রেমে হাবুডুবু খেতে শুরু করেছিল। ভাইয়ের বন্ধু আশিক কিছুটা টের পেয়েছিল, মুন্নি তার প্রেমে পড়েছে। নাবালিকা। অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে-মেয়েরা এ বয়সে এমন কান্ড ঘটিয়ে থাকে। তবে আগের মত বন্ধুর বাড়ীতে আসা একটু কমিয়ে দিয়েছিল। পরীক্ষা পর্যন্ত মাঝে মাঝে কিছু প্রশ্ন সমাধান করে দিয়ে যেতো। একেবারে বাদ দিতে পারেনি। বন্ধুর বোন, এছাড়া ওর বাবা-মা আশিককে খুব স্নেহ করতেন। ছুটির দিনে সারাদিন বাড়ীর ছেলের মত কাটিয়েছে এ বাসায়। কিন্তু বাসার একমাত্র অপ্রাপ্ত বয়সী মেয়ে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন গল্প তৃতীয় স্বাক্ষী

পড়ার প্রতি আগ্রহটা ভাটা পরে গেছে। হোমওয়ার্ক ফাঁকি দিতে শুরু করেছে। সামনে আর মাত্র একমাস এসএসসি পরীক্ষা। আশিকের মান-সম্মানের প্রশ্ন। লেখাপড়ায় কেমন যেন উদাসীনতা। মাঝে মধ্যে হরিণ চোখে করুণ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে। সে চাহনী কেমন যেন আবেদনময়ী। আশিক বুঝতে পারে। বিষয়টি তাকেই সমাধান করতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে মেয়েটি প্রচণ্ড মানসিকভাবে আঘাত পাবে। তাছাড়া এই পরিবারের সাথে  এত দিনের সম্পর্ক নষ্ট করা অমানবিক হবে। আশিক বড় ভায়ের মত ছোট বোনকে সাহায্য করেছে মাত্র।

এ দিকে পরীক্ষা শেষ। আসাদ-আশিকের চাকরি হয়ে গেছে। চাকরিতে যোগদানের আগে দেখা করতে এসেছিল বন্ধুর মা-বাবার সাথে। মফস্বল শহরে সরকারী কলেজে ইতিহাসের শিক্ষক। দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর বিদায় নিতে যাবে এমন সময় মুন্নী এসে বললো তার কথা আছে। আশিক বুঝেছিল। আড়ালে ডেকে নিয়ে একখানা বই উপহার দিয়েছিল। বাসায় এসে বই খুলে দেখে তিন পৃষ্ঠায় শব্দে শব্দে সাজানো মনের কথা। বয়সে কম হলে কি হবে আবেগের ভাষায় ভালবাসার শব্দে পরিপূর্ণ চিঠিখানা। এ রকম প্রেমপত্র পড়ে যে কোন যুবকের মাথা খারাপ হতে বাধ্য। শুুধু তাই নয়, রাতের ঘুম হারাম হবে। আর পত্র লেখিকাকে  মন-প্রাণ দিয়ে ভালবাসতে বাধ্য হবে। মেয়েরা প্রেমে পড়লে এমনই হয়। অল্প বয়সে মেয়েরা বুদ্ধিমতী হয়। এক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম নয়। তাকে বুঝাতে হবে এটা সম্ভবপর নয়। বুদ্ধিমান আশিক বুঝাতে সঙ্গম হয়েছিল। তাই চিঠির উত্তর দিয়েছিল।

শুধু একটি বাক্যে পত্রের জবাব দিয়েছিলেন, “সাদা কাগজে প্রেম সীমাবদ্ধ  থাক।” তারপর আর আশিকের সঙ্গে কোনদিন সাক্ষাৎ ঘটেনি। অনেকটাই অভিমান নিয়ে কাটিয়েছে এ ত্রিশটা বছর। তার মেয়ে অতীত স্মৃতি মনে করিয়ে দিল ক্ষণিকের জন্য। গুণ গুণ করে গেয়ে উঠলো, “আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি।”

আরও পড়ুন গল্প ভাঙা গড়ার টান

সেই আশিকের সঙ্গে  মুন্নী নামের মেয়েটির একমাত্র মেয়ে লাবনীর সাথে কাকতালীয়ভাবে  দেখা হয়ে গেল ঠিক ত্রিশ বছর পর। আশিক তার ফুটন্ত যৌবনের প্রথম আকর্ষণীয় প্রেমিক। মায়ের মনের  সাথে মেয়ের মন অনেকটাই মিল, আর এটাকেই মানুষ আত্মীক সম্পর্ক বলে থাকে। এই জন্যই মেয়ে লাবনী আশিককে দেখেই মনে হয়েছিল ইতোপূর্বে এই ভদ্র লোককে কোথাও দেখেছে।

 

ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলফেসবুক পেইজে

সাদা কাগজে প্রেম

Facebook Comments Box

প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেন, সাহিত্য সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবেদিত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন "আমাদের সুজানগর"-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং "আমাদের সুজানগর" ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক। সুজানগর উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, শিক্ষা, মুক্তিযুদ্ধ, কৃতি ব্যক্তিবর্গ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে ভালোবাসেন।বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি স্বনামধন্য ওয়াশিং প্লান্টের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশনে কর্মরত আছেন। তিনি ১৯৯২ সালের ১৫ জুন পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত হাটখালী ইউনিয়নের সাগতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!