শহিদ-আব্দুস-সাত্তার
কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  ভাষা সৈনিক

শহিদ আব্দুস সাত্তার

ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনে শহিদ আব্দুস সাত্তার

আমিরুল ইসলাম রাঙা

 

বাঙালি জাতির শত সহস্র বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে বলার মতো তিনটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়। একটি বাহান্নর ভাষা আন্দোলন, দ্বিতীয়টি ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন এবং তৃতীয়টি হলো একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এর আগে বাঙালি জাতির ইতিহাস শুধু পরাজয় এবং পরাধীনতার।

বিগত সাত দশকে বাঙালির প্রথম বিজয় হয়েছিল ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দের ভাষা আন্দোলনে। আটচল্লিশ থেকে বাহান্ন পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনে শত শত সংগ্রামী জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে পরিশেষে বাহান্নের একুশে ফেব্রুয়ারি সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত, শফিকদের জীবন বির্সজন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির বাংলা ভাষা। সেই থেকে বাঙালির হৃদয়ে স্থান করে নেয়,
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভূলতে পারি?

১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারি। এবার শুধু বাংলা ভাষা নয় বাঙালি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র শুরু করে পাকিস্তানের শাসকরা। ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঙালি জাতির নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ছয়দফা ঘোষণা করলে পাকিস্তানের শাসকরা তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলখানায় বন্দি করে।

১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তানি শাসকরা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে একটি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা শুরু করে। তাদের অভিযোগ ছিল শেখ মুজিবুর রহমান আগরতলায় ভারতের সাথে গোপন বৈঠক করে পাকিস্তান থেকে বিছিন্ন হওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল। সেই অপরাধের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে ৩৫ জন সামরিক, বেসামরিক অফিসার এবং রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা সেনানিবাসে আটক রাখা হয়।

আরও পড়ুন পাবনায় প্রথম শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধ শহিদ বুলবুল

১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে ঢাকা জেলখানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর সামরিক বাহিনী জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে ঢাকা সেনানিবাসে নিয়ে যায়। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে ১৯শে এপ্রিল আগরতলা মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। পাকিস্তানি শাসকরা অতিদ্রুত সময়ে বিচার কাজ শেষ করে অভিযুক্তদের ফাঁসি দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল।

এমতাবস্থায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানব্যাপী শুরু হয় গণ-আন্দোলন। ছাত্র-শ্রমিক-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শুরু করে আন্দোলন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার, শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি এবং প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খানের পদত্যাগ দাবি করে গোটা দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র আন্দোলন। গোটা পূর্ব বাংলা হরতাল, মিটিং এবং মিছিলে মিছিলে প্রকম্পিত হয়।

আটষট্টি থেকে উনসত্তর। গণ-আন্দোলন রূপ নেয় গণ-অভ্যুত্থানে। ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ২০শে জানু্যারি ঢাকার রাজপথে পুলিশের গুলিতে শহিদ হয় আসাদ। ২৪শে জানুয়ারি শহিদ হয় ঢাকার নবকুমার ইন্সটিটিউটের দশম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান। ঐ একই দিন মকবুল, রুস্তম এবং আলমগীর শহিদ হন। গণ-আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। গণ-আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে শহর থেকে গ্রামে এবং কলেজ থেকে স্কুলে। তখন গণ-আন্দোলনে মিছিল করেনি এমন ছাত্র বা ছাত্রীর সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। আন্দোলনে শুধু ছাত্র নয়, কোথাও কোথাও শিক্ষকরাও নেমে পড়েছিলেন রাজপথে।

১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসে আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বন্দি সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করা হয়। ১৮ই ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন। কেঁপে উঠে পাকিস্তানের দশ বছরের শাসক জেনারেল আইয়ুব খানের গদি। ১৯ই, ২০শে, ২১শে ফেব্রুয়ারি গণ-আন্দোলনের শেষ দিন। ২১শে ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলার সুজানগরে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন স্থানীয় হাইস্কুলের (সুজানগর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়) দশম শ্রেণির ছাত্র আব্দুস সাত্তার। তীব্র আন্দোলনের মুখে ২২শে ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেওয়া হয়। ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ ছাত্র-জনতার সমাবেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এরপর আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করে। সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খান অন্তর্বতী সরকার গঠন করে এবং জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন সুজানগর উপজেলার একমাত্র খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক আজিজুর রহমান

আমরা কি জানি,  গণ-আন্দোলনের শুরুতে ঢাকার নবকুমার ইন্সটিটিউটের দশম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান জীবন উৎসর্গ করেছিলেন আর শেষ দিন জীবন উৎসর্গ করেন সুজানগর হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র আব্দুস সাত্তার? আমার ধারণা দেশের শূন্য দশমিক এক ভাগ মানুষও জানে না, উনিশশো ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনে শহিদ বীর আব্দুস সাত্তারের কথা। এমনকি গণ-আন্দোলনের শহিদ আব্দুস সাত্তারের কথা তাঁর নিজ জেলাতেও বিস্মৃতির আড়ালে ঢাকা পড়ে আছে। ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনে শহিদ আসাদ, শহিদ মতিউর, শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক, শহিদ ড. শামসুজ্জোহার নাম যেভাবে উচ্চারিত হয় তেমনভাবে বলা হয় না শহিদ রুস্তম, শহিদ মকবুল, শহিদ আলমগীর এবং শহিদ আব্দুস সাত্তারের নাম।

শহিদ-আব্দুস-সাত্তার-মিলনায়তন
শহিদ আব্দুস সাত্তার মিলনায়তন, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা।

ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহিদ আব্দুস সাত্তারের মৃত্যুবার্ষিক ৫৩ বছর অতিক্রম করেছে । শহিদ আব্দুস সাত্তারকে নিয়ে কখনো কোনো অনুষ্ঠানে স্মরণ করা হয় কিনা জানি না। যেমন অনেক মানুষ জানে না ৫৩ বছর পূর্বে পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মিলনায়তনটি যার নামে নামকরণ করা হয়েছে সেই শহিদ আব্দুস সাত্তারের কথা। তেপান্ন বছরে এখানে কর্মরত হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী, লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী,  হয়তো কোনো দিনই জানতে পারেনি শহিদ আব্দুস সাত্তার কবে কোথায় কিভাবে শহিদ হয়েছিলেন?

পাবনা শহর থেকে কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে শহিদ আব্দুস সাত্তারের জন্মস্থান। তিনি ছিলেন গণ-আন্দোলনে পাবনা জেলার মধ্যে একমাত্র শহিদ। যেদিন সুজানগরে শহিদ আব্দুস সাত্তারকে গুলি করে হত্যা করা হয় – সেদিন পাবনা শহরে হাজার হাজার ছাত্র জনতা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ চত্বরে সমবেত হয়ে মিছিল করেছিল। পাবনা জেলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রনেতৃবৃন্দ সুজানগর থেকে শহিদ আব্দুস সাত্তারের লাশ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছিল। সেদিন ছাত্রনেতাদের দাবিতে এডওয়ার্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ অডিটোরিয়ামটি শহিদ আব্দুস সাত্তার মিলনায়তন এবং কলেজের মেইন হোস্টেলটি শহিদ ড. শামসুজ্জোহা ছাত্রাবাস হিসেবে নামকরণের ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক কমরেড প্রসাদ রায়

১৯৬৯ সালে পাবনা সদরের ভাঁড়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মন্তাজ আলীর উদ্যোগে ভাউডাঙ্গা গ্রামে স্থাপন করেন শহিদ আব্দুস সাত্তার প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি স্বাধীনতার পর সরকারিকরণ করা হয়। বর্তমানে উক্ত বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, শহিদ আব্দুস সাত্তারের ছোট ভাই মো. আব্দুল ওহাব। তাঁর কাছেই জানা যায় শহিদ আব্দুস সাত্তারের জীবনবৃত্তান্ত।

শহিদ আব্দুস সাত্তার ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে পাবনা সদরের ভাঁড়ারা ইউনিয়নের আতাইকান্দা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আছির উদ্দিন মন্ডল এবং মাতা রাবেয়া খাতুন। তাঁরা পাঁচ ভাই এবং চার বোন। ভাইদের মধ্যে আব্দুস সাত্তার ছিলেন বড়। কোলাদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা সম্পন্ন করে দুবলিয়া জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হন। এরপর ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে সুজানগর হাইস্কুলে (বর্তমানে সুজানগর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়) নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন। নিজগ্রাম থেকে স্কুল পাঁচ / ছয় কিলোমিটার দূরে হওয়ায় সুজানগর বাজার এলাকায় জনৈক বাসেদ মাস্টারের বাড়িতে লজিং থাকতেন। আটষট্টি এবং উনসত্তরের গণআন্দোলনের কারণে পড়াশোনার চেয়ে মিটিং মিছিলে বেশি সময় ব্যয় করতেন।

সুজানগর-থানার-পাশে-শহিদ-আব্দুস-সাত্তারের-কবর
সুজানগর থানার পাশে শহিদ আব্দুস সাত্তারের কবর

ঊনসত্তরের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল শুক্রবার। স্কুলের সহপাঠীদের সাথে সারারাত জেগে ভোরবেলায় প্রভাত ফেরি করে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শুরু করেন মিছিল। বেলা বাড়ার সাথে বাড়তে থাকে মিছিলে মানুষের সংখ্যা। সবার শ্লোগান তখন একটা। জেলের তালা ভাঙ্গবো – শেখ মুজিবকে আনবো। আইয়ুব খানের গদিতে – আগুন জ্বালো একসাথে। একপর্যায়ে মানুষের ঢল বাড়ার সাথে – ক্ষোভ বেড়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে ছাত্র জনতা। অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইংলিশ বা উর্দুতে লেখা সাইনবোর্ড ভাংচুর করে। পুলিশ বাধা দিলে মিছিলকারীরা উত্তেজিত হয়ে থানা ভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এমনি একটি সময়ে অবাঙালি কিছু পুলিশ সদস্য মিছিলের উপর গুলি করে। মিছিলের সম্মুখভাগে থাকা আব্দুস সাত্তার গুলিবিদ্ধ হয় এবং তাৎক্ষণিক মৃত্যুবরণ করেন। এরপর দিনভর তাঁর লাশ নিয়ে আন্দোলনকারী জনতা মিছিল সমাবেশ করে সুজানগর হাইস্কুল চত্বরে তাঁকে সমাহিত করেন।

আরও পড়ুন ভাষাসৈনিক আনোয়ারুল হক

১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই মে বঙ্গবন্ধু দুইদিনের সফরে পাবনা আসেন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উৎসাহে শহিদ আব্দুস সাত্তারের বাবাকে বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়। ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী বঙ্গবন্ধুকে বলেন, ইনি হলেন ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনে সুজানগরে পুলিশের গুলিতে নিহত শহিদ আব্দুস সাত্তারের পিতা। এমন পরিচয়ে বঙ্গবন্ধু উঠে দাঁড়িয়ে শহিদ আব্দুস সাত্তারের পিতাকে জড়িয়ে ধরেন। বিস্তারিত ঘটনা শোনার পর বঙ্গবন্ধু বলেন উঠেন, আমার জীবন বাঁচাতে এই মাসুম বাচ্চাটি জীবন উৎসর্গ করেছেন। বলুন আমি কি করতে পারি? আপনি আমার কাছে কি চান? বঙ্গবন্ধুর এমন কথা শোনার পর শহিদ আব্দুস সাত্তারের বাবা বলে উঠেন, আমার ছেলের জীবনের বিনিময়ে আমি কিছু চাই না। শুধু আপনারা আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন। এ কথা শোনার পর ঘরভর্তি সবাই আবেগতাড়িতভাবে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিলেন।

শহিদ আব্দুস সাত্তারের মৃত্যুর তেপান্ন বছর অতিক্রান্ত হলেও, এমন একটি নিঃস্বার্থ পরিবারের জন্য দেশ এবং জাতি কেউ তাঁদের জন্য কিছু করেনি। সহযোগিতা তো দূরের কথা সহানুভূতি পাওয়া থেকেও তাঁরা বঞ্চিত।

পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে অবস্থিত শহিদ আব্দুস সাত্তার মিলনায়তনের পাশে শহিদের জীবনবৃত্তান্ত দিয়ে একটি নামফলক স্থাপন করা হোক। সুজানগর উপজেলা পরিষদ বা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহিদ আব্দুস সাত্তারের সমাধিস্থলে গণ-আন্দোলনের একটি স্মারক স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করে শহিদের জীবনবৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করা হোক।
পরিশেষে পাবনা জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, অতিদ্রুততম সময়ের মধ্যে গণ-আন্দোলনে জেলার একমাত্র শহিদ আব্দুস সাত্তারের জীবনবৃত্তান্ত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রেরণ করে আগামী বছর স্বাধীনতা বা একুশে পদক প্রদান করার সুপারিশ করা হোক।

শহিদ স্মৃতি অমর হোক – শহিদ আব্দুস সাত্তার অমর হোক।

ঘুরে আসুন আমাদের সুজানগর এর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলফেসবুক পেইজে
Facebook Comments Box

'আমাদের সুজানগর' সাহিত্য সংস্কৃতি বিকাশ এবং সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত একটি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন। 'আমাদের সুজানগর' সংগঠনের মুখপত্র "আমাদের সুজানগর" ওয়েব ম্যাগাজিন। ওয়েব এড্রেস: www.amadersujanagar.com মেইল এড্রেস: editor.amadersujanagar@gmail.com

error: Content is protected !!