নবজাগরণ-পাঠক-মেলা
সাগরকান্দি,  সাগরকান্দি (গ্রাম),  সামাজিক সংগঠন,  সুজানগর উপজেলা

নবজাগরণ পাঠক মেলা (নপম)

সুস্থ ধারার শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সুশিক্ষা চর্চার মাধ্যমে একটি সুশিক্ষিত, আলোকিত সমাজ গঠনে সবার সহযোগিতা প্রদানের নিমিত্ত্বে ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ১৩ জুন  পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নে নবজাগরণ পাঠক মেলা’র জন্ম।

এক নজরে নবজাগরণ পাঠক মেলা-

✪সংক্ষিপ্ত রূপ: নপম। 

✪বৈশিষ্ট্য: সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সমাজসেবা

✪মূলক সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।

✪প্রতিষ্ঠাতা: মো: রেজাউল করিম।

✪প্রতিষ্ঠার কাল: ২০১১ খ্রিস্টাব্দ।

✪মূলমন্ত্র: মানবতা আর সত্যের পক্ষে।

 

পটভূমি: দিনটি ছিলো ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুন রবিবার। অত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রেজাউল করিম শেখ সহপ্রতিষ্ঠাতা মো. আরিফুল ইসলাম, মো. সুরুজ হোসেন, মো. শরিফ খাঁন, মো. রুবেল বিশ্বাস ও মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ বসে ছিলেন সাগরকান্দি রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। বিচিত্র কথামালার মধ্যে আলোচিত হয় বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জন প্রসঙ্গে। আলোচনায় উঠে আসে অন্তঃসারশূন্য শিক্ষিত প্রজন্মের কথা। সমাজের নানা অসঙ্গতি সকলকে ভাবিত করে। এদিনই সুরুজ হোসেন আলোচনার সূত্র ধরে বিদ্যালয় মাঠে নিয়মিত একটি পত্রিকা নেওয়ার প্রস্তাব করেন। আরিফুল ইসলাম সম্মত হলে  রেজাউল করিম শেখ সে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ঐদিন রাতে শুধু পত্রিকা পড়ে যে  এ পরিবর্তন সম্ভব নয় উপলব্ধি করে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার চিন্তা করেন রেজাউল করিম শেখ।

পরের দিন ১৩ জুন রেজাউল করিম শেখ একটি সংগঠন স্থাপনের প্রস্তাব করলে সকলে সম্মত হন। এবং নবজাগরণ পাঠক মেলা নামে সংগঠনটিতে প্রাথমিক সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন রেজাউল করিম শেখ সহ মো. আরিফুল ইসলাম, মো. শরিফ খাঁন, মো. সুরুজ হোসেন, মো. রুবেল বিশ্বাস, মো. রাকিবুল হাসান, মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ। সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. রাকিবুল হাসান, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব বর্তায় রেজাউল করিম শেখ এর উপর। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. আরিফুল ইসলাম। এভাবেই একটি আলোর মশাল এগিয়ে চলে আলোকিত বন্দর অভিমুখে।

আরও পড়ুন বোনকোলা গ্রাম পরিচিতি

পরে ২০১২-২০১৬ পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন রেজাউল করিম শেখ। এ সময় পর্বে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. শরিফুল ইসলাম, মো. মিরাজ হোসেন, মো. রাসেল সরদার প্রমূখ। পরে ২০১৬-২০১৭ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মো. সুরুজ হোসেন। তখন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মো. আরিফুল ইসলাম (আরিফ)। পুনরায় ২০১৭ সালের মে মাসে কাউন্সিলের মাধ্যমে সভাপতির দায়িত্ব অর্পিত হয় রেজাউল করিম শেখ এর উপর, তখন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান মো. রমজান আলী খান। পরে তিনি পদত্যাগ করলে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মো. আরিফুল ইসলাম (আরিফ)। উল্লিখিত সময়পর্বে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন মো. সাখাওয়াত হোসেন, মো. শাহাদত হোসেন, মো. শরিফ খান (শাফি), মোছা. আফরোজা খাতুন প্রমূখ।

তৎপরবর্তীতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের কাউন্সিলে সভাপতি হিসেবে জনাব রেজাউল করিম শেখ পুনর্নিবাচিত হন এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান মো. রিপন আলী। বর্তমানে অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সন্দ্বীপ ঘোষ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাহী পরিষদে যুক্ত হয়েছেন মোছা. জারিন তাসনিম। এছাড়া পুনর্গঠিত স্থায়ী পরিষদ-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন সহপ্রতিষ্ঠাতা জনাব মো. সুরুজ হোসেন ও মো. আরিফুল ইসলাম।

উপদেষ্টা পরিষদ: প্রধান উপদেষ্টা কবি ও জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক জনাব আখতার জামান এর নেতৃত্বে তেরো সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদে দায়িত্ব পালন করছেন বিশিষ্ট গীতিকার ও সরকারি মহিলা কলেজ, পাবনা-এর প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল করিম, কথাসাহিত্যিক সমীর আহমেদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ঊর্ধ্বতন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা ফকির রহমত আলী, পাবনা জেলার জ্যেষ্ঠ আইনজীবি এ্যাড. মো. নুরুজ্জামান মুন্সী, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন, পাবনা জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মাদ খায়রুল কবীর, শহিদ বুলবুল সরকারি কলেজ-এর প্রভাষক মো. খাইরুল ইসলাম, হাবিবুবর রহমান টেক. এন্ড বিএম কলেজ-এর প্রভাষক মো. রবিউল ইসলাম, মৈত্রী মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র’র অর্থ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান, আমিনপুর থানা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. আলাউল হোসেন, কবি কেএম আশরাফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন এসো দেশকে ভালবাসি

নপম-এর সার্বিক কাজে গতি সঞ্চার করছেন বিশিষ্ট কবি ও গবেষক মজিদ মাহমুদ, শহীদ বুলবুল সরকারি কলেজ-এর উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নিশানুল হাবীব, বিশিষ্ট গীতিকার ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ-এর বাংলার অধ্যাপক মুহাম্মাদ আব্দুর রাজ্জাক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ব্যারিস্টার ইকবাল হোসাইন, সরকারি মহিলা কলেজ, পাবনা-এর সহযোগী অধ্যাপক রেহানা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রব, গবেষক ও সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুর রউফ, জনপ্রিয় শিক্ষক মো. শহীদুল্লাহ, রিক্তা রানী ঘোষ, সুব্রত চক্রবর্ত্তী, মোখলেসুর রহমান খান, স্বপন কু-ু,  রাজনীতিক আব্দুস সালাম মোল্লা, ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, নায়েব আলী সরদার, আব্দুল মাজেদ সরদার, রতন মোল্লা সহ অন্যান্য  দাতা ও শুভার্থীবৃন্দ।

কুইজ প্রতিযোগিতা: বিভিন্ন সময় কুইজ প্রতিযোগিতা, স্মরণীয় ব্যক্তিদের স্মৃতি বার্ষিকী পালনসহ নানাবিধ কর্মসূচী পালিত হয়ে আসছে ২০১১ সাল থেকে। 

বইমেলা: নপম কর্তৃক ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত  বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে সাগরকান্দিতে। এলাকাবাসী এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায় বইমেলা। ২০১৯ সালের বইমেলায় সাগরকান্দির ২৪জন স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করার সম্মান অর্জন করেছে নপম।

বিন্দু: রেজাউল করিমের বিচিত্র কর্ম পরিকল্পনায় ২০১২ সালে যুক্ত হয়  ভাঁজকাগজ ‘বিন্দু’। অদ্যাবধী ছোটকাগজ এবং ভাঁজকাগজ হিসেবে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়ে আসছে বিন্দু। 

শিখা একাডেমি: শিক্ষায় গুণগত মান অর্জন, মানবিক একটি সুশিক্ষিত, সুনাগরিক প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য কয়েকজন সদস্যের আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠা করেন শিখা একাডেমি। ২০১৬ সালে মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির জন্য ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করে শিখা একাডেমিকে বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরিণত করা হয়। বর্তমানে শিখা একাডেমি অত্র অঞ্চলে দরিদ্র, ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি সুশিক্ষা প্রদানে একটি রোড মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। 

আরও পড়ুন বোয়ালিয়া গ্রাম পরিচিতি

এসো পড়ি: বইপাঠ এর মাধ্যমে সমাজে জ্ঞানচর্চাকে প্রসারিত ও মননের উৎকর্ষকতা অর্জনের জন্য ‘এসো পড়ি’ শিরোনামে পাঠাভ্যাস তৈরীর কর্মসূচি চালু হয়েছে ২০১৬ সালে। ২০১৯ সালে এসো পড়িকে শাখা সংগঠন হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে।

ফুলকি: ২০১৮ সালে আত্ম-প্রকাশ করেছে শিল্প-সাহিত্যের ছোটকাগজ ফুলকি। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য চর্চার জন্য একটি ত্রৈমাসিক প্রকাশনা ফুলকি।

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ: নবজাগরণ পাঠক মেলা সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী গর্হিত কাজ থেকে তরুণ প্রজন্মকে বিরত রাখার জন্য বিভিন্ন প্রচার প্রচারণার পাশাপাশি কর্মশালা পরিচালনা করে থাকে। অত্র অঞ্চলের জনগোষ্ঠিকে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণে অংশীদার হওয়ার জন্য সর্বদা সচেষ্ট। বর্তমানে অল্প খরচে সবার জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। 

রক্তদান কর্মসূচি: মানবিক সেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে নপম-এ যুক্ত হয়েছে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদান কর্মসূচি- যার কর্ম পরিধি গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত; মূলত গ্রামীণ জনগোষ্ঠিকে রক্তদানে সচেতন করা হচ্ছে এ কর্মসূচির মাধ্যমে।

অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রম:

✔সজ্জন, আলোকিত ও গুণীজন সংবর্ধনা প্রদানের মাধ্যমে ভালো মানুষদের একত্রিত করে যাচ্ছে নপম। এমনকি ২০১৯ সালের বইমেলায় সাগরকান্দির ২৪জন স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করার সম্মান অর্জন করেছে নপম। 

আরও পড়ুন বিল গাজনার ইতিহাস

✔শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল সত্তার বিকাশে ব্যাপক ভিত্তিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০১২ বইমেলা থেকে চলমান সৃজনশীল প্রতিযোগিতাকে শ্রেণিবদ্ধ করে ২০১৫ সালে ‘সেরা প্রতিভা অন্বেষণ’ নামে স্বতন্ত্র কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়। ক্রম-উন্নয়নের মাধ্যমে বর্তমানে ‘সেরা প্রতিভা অন্বেষণ’ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য পাবনা জেলার বৃহত্তম সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ কার্যক্রম হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে। ২০২১ পর্বে সাতটি বিভাগে পাবনা জেলার বেড়া, সাঁথিয়া, সুজানগর, পাবনা সদর উপজেলা হতে বেশ কিছু বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ শত শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়।

✔২০২০-এর করোনা প্রাদুর্ভাবে নপম খুব দায়িত্বশীলতার সাথে দুর্যোগ মোকাবেলায় ভাইরাসের যথাযথ তথ্য প্রচার ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। এছাড়া প্রথম দফার লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর, শ্রমজীবি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বিপদগ্রস্থ প্রায় ২০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা করে নপম।  গণটিকা কার্যক্রম শুরু হলে বিনামূল্যে টিকা রেজিস্ট্রেশন ও অস্বচ্ছল মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে ওষুধ-সেবা শুরু করেছে নপম।

✔একই সময়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে সহায়তা করা হয়। মেরামত করা হয় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা। সহায়তা করা হয় দুঃস্থ বৃদ্ধাকে থাকার ঘর নির্মাণ করে। 

✔করোনায় কলেজগুলোর ভর্তি কার্যক্রম ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম অনলাইন ভিত্তিক হলে নপম শিক্ষার্থী ও ঐসমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকেও অনলাইন বিষয়ক সেবা প্রদান করে।

✔আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ঋণ ও সুদমুক্ত সঞ্চয় কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সঞ্চয়ী সদস্যদের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে সাধারণের হাতে ব্যবসার মালিকানা দেওয়া হবে এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।

 

ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলফেসবুক পেইজে

Facebook Comments Box

প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেন, সাহিত্য সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবেদিত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন "আমাদের সুজানগর"-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং "আমাদের সুজানগর" ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক। সুজানগর উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, শিক্ষা, মুক্তিযুদ্ধ, কৃতি ব্যক্তিবর্গ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে ভালোবাসেন।বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি স্বনামধন্য ওয়াশিং প্লান্টের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশনে কর্মরত আছেন। তিনি ১৯৯২ সালের ১৫ জুন পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত হাটখালী ইউনিয়নের সাগতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!