নাজিরগঞ্জ

নাজিরগঞ্জ

  • আবদুল-গনি-হাজারী-৩য়-পর্ব
    নওয়াগ্রাম,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    আবদুল গনি হাজারী (৩য় পর্ব)

    আবদুল গনি হাজারী (৩য় পর্ব)   আবদুল গনি হাজারীর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘‘জাগ্রত প্রদীপ’’ প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালের নভেম্বর মাসে। এ গ্রন্থেও কবি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি, বক্তব্য ও কবিভাষার উৎকৃষ্টতর উত্তরণের স্বাক্ষর রেখেছেন। মূলত এ কাব্যগ্রন্থেই তাঁর কবিপ্রতিভার পূর্ণতা প্রকাশ পেয়েছে। এ গ্রন্থের নামকবিতা ‘জাগ্রত প্রদীপ’-এ পাওয়া যায় মুমূর্ষ পিতাকে ঘিরে অসহায় সন্তানদের করূণ প্রার্থনার বিষন্নরুপ। পুরো কবিতাটির মধ্যে একটি নাটকীয় পরিবেশ বিরাজিত। এ কবিতাটির মধ্যে একজন যথার্থ কবির স্বরূপ প্রকাশিত হয়েছে। এ দীর্ঘ কবিতাটির শেষের পংক্তিগুলো সহসা আমাদের দৃষ্টি ফিরিয়েছে মৃত্যু অতীত রহস্যোলোকের প্রতি, নৈরাশ্যের অন্ধকার থেকে বিশ্বাসের আলোতে- ‘তোমাদের পিতাকে চড়িয়ে দিরাম সংশয়ের ভ্রুভঙ্গে প্রত্যয়ের অস্থিতে, বন্ধা রাত্রির উন্মুখ গর্ভে…

  • আবদুল-গনি-হাজারী-২য়-পর্ব
    নওয়াগ্রাম,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    আবদুল গনি হাজারী (২য় পর্ব)

    আবদুল গনি হাজারী (২য় পর্ব)   কাব্য মূল্যায়ন: আবদুল গনি হাজারীর কাব্য-প্রতিভা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে কবি শামসুর রাহমান বলেছেন,‘‘ ‘সামান্য ধন’ অসমান্য খ্যাতি অর্জন করতে পারে নি। এই গ্রন্থে আবদুল গনি হাজারীর কাব্যকৃতি তেমন উজ্জ্বল নয় যদিও প্রথম বইতেই তাঁর কোনো কোনো বৈশিষ্ট্য কাব্যরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। কিন্তু ‘সূর্যের সিঁড়ি’ প্রকাশিত হবার পরে এই কবির শক্তি সম্পর্কে কারো মনে কোনো দ্বিধা রইল না। একজন শক্তিশালী বিদগ্ধ কবি হিসেবে আবদুল গনি হাজারীর প্রতিষ্ঠিত হলেন পাঠক সমাজে।’’ তিনি জীবনের অধিকাংশ সময় বাস করেছেন কলকাতা ও ঢাকা শহরে। ফলে নাগরিক-জীবনের চালচিত্র প্রধানভাবে তাঁর কবিতার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। সৈয়দ আলী আহসান লিখেছেন, “নগর…

  • নাজিরগঞ্জ,  নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের ইতিহাস ও ঐতিহ্য,  মুক্তিযুদ্ধ,  মুক্তিযুদ্ধে সুজানগর

    নাজিরগঞ্জে পাকবাহিনীর ফেরি ধ্বংস

    নাজিরগঞ্জে পাকবাহিনীর ফেরি ধ্বংস ১৯৭১ সালের ২৪ অক্টোবর, রোববার। পাবনা জেলার সুজানগর থানার নাজিরগঞ্জে আমরা অবস্থান করছি। …নদীর একদম পাড়ে নাজিরগঞ্জ তহসিল অফিসের পাকা বিল্ডিং। যেকোনো সময় নদীতে ভেঙে পড়তে পারে এ রকম অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। অফিসের কাছাকাছি এক বাড়িতে আমি, দুলাল, শামছুল, রাজ্জাক, সামাদ ভাই, হাবিব, ইসমত, হুমায়ুন, হান্নান, তোফা, হাই, মোস্তফা, হেলাল, মাহতাব, জমির, ছাদেকসহ প্রায় ৩০ জন সেখানে অবস্থান করছি। আরও কিছু মুক্তিযোদ্ধা আমাদের থেকে একটু দূরে বিভিন্ন বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। পরপর কয়েক রাত ধরে অপারেশন চলছে। তাই সবাই খুব ক্লান্ত, কিছু বিশ্রামের দরকার। আশপাশের কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে ছুটি পাঠানো হয়েছে। সকালে দুলালের সঙ্গে সুজানগর থানার ম্যাপ নিয়ে…

  • সরদার-জয়েনউদ্দীন-৪র্থ-পর্ব
    কামারহাট,  নাজিরগঞ্জ,  বই পর্যালোচনা,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সরদার জয়েনউদ্দীন (৪র্থ পর্ব)

    সরদার জয়েনউদ্দীন (৪র্থ পর্ব)   সাহিত্য মূল্যায়ন: কথাসাহিত্যিক সরদার জয়েনউদ্দীনের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘নয়ান ঢুলী’ নিয়ে আলোচনা করলে দেখা যায়, তিনি বাংলা সাহিত্যের কতটা শিখরে উঠেছিলেন, যদিও তাঁকে নিয়ে সেভাবে প্রায় আলোকপাত করা হয় না। নয়ান ঢুলী গল্পগ্রন্থের করালী, ভাবী গল্প পর্যালোচনা- করালী করালী চিরদিনের মতো জামেলাকে হারাল। এভাবেই সরদার জয়েনউদ্দীন ‘করালী’ গল্পের পরিণতি দেখিয়েছেন। জমিদার-সামন্ত বাবুরা কীভাবে সাধারণ মানুষকে নাজেহাল করেছে এবং ঘরের ইজ্জত নিয়ে বেইজ্জত করেছে তার একটা ছবি এই গল্পে চিত্রায়িত হয়েছে। ঘরে বউ নিয়ে শুয়ে ছিল কিন্তু হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখে জামেলা হাওয়া। কোথায় গেল, বুঝে উঠতে পারে না। দৌড়ে যায় কাছারিতে, তাও পায় না। লোকজন উত্তেজিত…

  • সরদার-জয়েনউদ্দীন-৩য়-পর্ব
    কামারহাট,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সরদার জয়েনউদ্দীন (৩য় পর্ব)

    সরদার জয়েনউদ্দীন (৩য় পর্ব) সরদার জয়েনউদ্দীনের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় ষোলোটি। এ ছাড়াও বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে নানা পত্রপত্রিকায় তাঁর  ছড়া ও কবিতা, এমনকি ছোট গল্প । গ্রন্থ তালিকা: গল্পগ্রন্থ: নয়ান ঢুলী (১৯৫২ খ্রি.) বীর কণ্ঠীর বিয়ে (১৯৫৫ খ্রি.) খরস্রোত (১৯৫৫ খ্রি.) বেলা ব্যানার্জীর প্রেম (১৯৬৮ খ্রি.) অষ্টপ্রহর (১৯৭৩ খ্রি.) উপন্যাস: নীল রং রক্ত (১৯৫৬ খ্রি.) পান্নামতি (১৯৬৪ খ্রি.) আদিগন্ত (১৯৬৫ খ্রি.) অনেক সূর্যের আশা (১৯৬৬ খ্রি.) বেগম শেফালী মির্জা (১৯৬৮ খ্রি.) বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ (১৯৭৫ খ্রি.) শিশুসাহিত্য: উল্টো রাজার দেশ আমরা তোমাদের ভুলব না অবাক অভিযান পুরস্কার ও সম্মাননা: উপন্যাসের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭ খ্রি.) আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৭…

  • খোন্দকার-হুমায়ূন-কবীর
    কামারহাট,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    খোন্দকার হুমায়ূন কবীর

    খোন্দকার হুমায়ূন কবীর ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে  পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম খোন্দকার আকবর হোসেন। মায়ের নাম মোছা: মনোয়ারা খাতুন। পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সাংবাদিকতা দিয়ে পেশাজীবন শুরু হলেও সে পেশায় বেশিদিন থাকা হয়নি। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত রয়েছেন। পাশাপাশি লেখালেখি করে চলেছেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি লেখালেখি শুরু করেন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাগাজিনে তাঁর একাধিক রচনা ছাপা হয়েছে। আরও পড়ুন লোকসাহিত্য বিশারদ মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন ছড়া কবিতা লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে তিনি বেশকিছু ছোটগল্পও লিখেছেন। “মৌচাকে ঢিল” পত্রিকায় একসময় নিয়মিত গল্প লিখতেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন কাগজে…

  • সরদার-জয়েনউদ্দীন-২য়-পর্ব
    কামারহাট,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সরদার জয়েনউদ্দীন (২য় পর্ব)

    সরদার জয়েনউদ্দীন (২য় পর্ব) সাহিত্য কর্ম: জীবিকা অর্জনের পাশাপাশি সরদার জয়েনউদ্দীন স্বীয় জীবনকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন বিচিত্র প্রেক্ষাপটে। কখনো আনন্দে, কখনো বেদনায়, কখনো অপমান, উপেক্ষায়, আবার কখনো সম্মানের বরমাল্যে। গ্রামে জন্মেছিলেন তিনি, তাই গ্রামের মানুষকে নিয়ে রচিত তাঁর গল্প-উপন্যাস পাঠক হৃদয়কে নিবিড়ভাবে স্পর্শ করে। এ কারণেই পঞ্চাশ দশকে রচিত গ্রামীণ ক্যানভাসে চিত্রিত তাঁর গল্পগুচ্ছ বিপুলভাবে পাঠকনন্দিত। চেনা চরিত্র এবং চেনা কাহিনীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে তাঁর অসাধারণ গল্প সম্ভার। অতি সাধারণ, অতি তুচ্ছ, অতি ক্ষুদ্র অবহেলিত গ্রামের জনমানুষ তাঁর অধিকাংশ গল্পের কুশীলব। তিনি যাদের অন্তরঙ্গ আলোকে দেখেছেন, যাদের নিবিড়ভাবে চিনেছেন, কথাশিল্পে সেসব চরিত্র নিয়ে তাঁর কায়কারবার। গ্রামের মানুষের সুখ-দুঃখ, ব্যথা-বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা…

  • সরদার-জয়েনউদ্দীন-১ম-পর্ব
    কামারহাট,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সরদার জয়েনউদ্দীন (১ম পর্ব)

    সরদার জয়েনউদ্দীন (১ম পর্ব )   বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকে, ভাষা ও সংস্কৃতির ক্রান্তিকালে বাংলা সাহিত্যে সরদার জয়েনউদ্দীনের দীপ্র আবির্ভাব। কথাসাহিত্যের ভ‍ূবনে একটি উজ্জ্বল নাম সরদার জয়েনউদ্দীন। সাংবাদিকতা এবং সাহিত্যের জগতে সরদার জয়েনউদ্দীন সর্বদা ছিলেন প্রগতির পক্ষে, মানবতার পক্ষে। একসময়, পঞ্চাশ-ষাটের দশকে, ঢাকার সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চায় অবশ্য উচ্চার্য নাম ছিল সরদার জয়েন উদ্দীন, কিন্তু পরিবর্তমান রুচি ও সমাজ স্রোতে এখন তিনি প্রায়-বিস্মৃত এক নাম। তবে যারা সৎ পাঠক, তাদের চেতনায় জয়েনউদ্দীন সর্বদা জেগে থাকবেন। কেননা তার সাহিত্যে আছে গণমানুষের মুক্তি-আকুতির কথা। তিনি ছিলেন একাধারে একজন ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও সম্পাদক। তিনিই বাংলাদেশে বইমেলার প্রবর্তক।  বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি…

  • আবদুল-গনি-হাজারী-১ম-পর্ব
    নওয়াগ্রাম,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    আবদুল গনি হাজারী (১ম পর্ব)

    আবদুল গনি হাজারী (১ম পর্ব)   পঞ্চাশ দশকে বাংলাসাহিত্যের একজন প্রচার বিমুখ কবির নাম আবদুল গনি হাজারী (১৯২১-১৯৭৬ খ্রি.)। তিনি ছিলেন একাধারে একজন কবি, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের দক্ষ সংগঠক। বহুমুখী প্রতিভার সমন্বয় ঘটেছিল তাঁর মধ্যে।  সংবাদপত্রের শিল্পোন্নয়নে তিনি ছিলেন নিবেদিত প্রাণ।  তিনি ছিলেন একজন সমাজ সচেতন কবি। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ইউনেস্কো পুরস্কার ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন। জন্ম: আবদুল গনি হাজারী  ১৯২১ খ্রিস্টাব্দের ১২ জানুয়ারি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের  নওয়াগ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে  জন্মগ্রহণ করেন।  পারিবারিক জীবন:  আবদুল গনি হাজারীর পিতা ইজ্জত উল্লাহ হাজারী। চার ভাই ও দুই…

  • কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গোপালপুর (নাজিরগঞ্জ),  নাজিরগঞ্জ,  মুক্তিযোদ্ধা,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    খলিফা আশরাফ

    খলিফা আশরাফ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন ক্যাডারের একজন সাবেক কর্মকর্তা। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী, সম্মুখ সমরে যুদ্ধকালীন কমান্ডার। তিনি জীবন ঘনিষ্ঠ একজন কবি এবং গল্পকার। জন্ম: খলিফা আশরাফ  ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ১লা জানুয়ারি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।  পারিবারিক জীবন: প্রাগ্রসর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বাবা মরহুম গোলাম হোসেন খলিফা আর কলকাতা পড়ুয়া মা আঞ্জুমান আরার উদার শাণিত প্রজ্ঞা, নৈয়ায়িকতা তাঁর মানসিক গঠনকে পুষ্ট, ঋদ্ধ এবং জীবনঘনিষ্ঠ করেছে।  স্ত্রী সাঈদা আশরাফ একজন মহিলা উদ্যোক্তা, তার প্রতিষ্ঠানের নাম ‘আঙ্গিনা’। তিনি বিভিন্ন নারী সংগঠন, মহিলা সমিতি, মাইডাস, ওমেন ওয়াচ বাংলাদেশ প্রভৃতি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।…

  • তাইব-হাজারী
    নওয়াগ্রাম,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    মো. তাইব হাজারী

    মো. তাইব হাজারী একজন গল্পকার ও কবি হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। তার লেখা গল্প ও কবিতাসমূহ জাতীয় পত্রিকাগুলোর সাহিত্য পাতায় নিয়মিত ছাপা হচ্ছে।  জন্ম: মো. তাইব হাজারী ২০০০ খ্রিস্টাব্দের ১০ অক্টোবর পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রাম গ্রামের সম্ভ্রান্ত হাজারী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।  পারিবারিক জীবন: পিতা মো. আমিনুল হক হাজারী ও মাতা মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।  শিক্ষাজীবন: মো. তাইব হাজারীর শিক্ষাজীবন শুরু হয় স্থানীয় ৩২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা শেষ করে ভর্তি হন উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে…

  • ইনামুল-হাসান-মিসবাহ
    নাজিরগঞ্জ,  মালফিয়া,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    ইনামুল হাসান মিসবাহ

    ইনামুল হাসান মিসবাহ ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ ডিসেম্বর পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের  মালফিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  পারিবারিক জীবন: বাবা মো. আব্দুস সাত্তার শেখ। তিনি চার ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় একমাত্র ভাই। তার ছোট তিন বোন রয়েছে।  শিক্ষা জীবন: প্রাথমিক জীবন কেটেছে গ্রামেই।মালফিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েক শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পরে  ভর্তি হন মালিফা হাফেজিয়া মাদরাসায়। সেখান থেকে হাফেজী শেষ (২০০৪-২০০৮ খ্রি.) করে উচ্চ শিক্ষার জন্য চলে যান কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা গ্রামে অবস্থিত ইদ্রিস আলী বিশ্বাস ইসলামিয়া মাদরাসায়।  সেখানে দীর্ঘ এগারো বছর সময় ব্যয় করে দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) শেষ করে মুফতী (২০০৮-২০১৯ খ্রি.) হন। কর্মজীবন: ইনামুল হাসান মিসবাহ…

  • জিন্নাত-আরা-রোজী
    নওয়াগ্রাম,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    জিন্নাত আরা রোজী

    জিন্নাত আরা রোজী এ সময়ের একজন জনপ্রিয় কবি হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। পাশাপাশি গল্প, ছড়া লিখেও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাঁর লিখা বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকগুলোতে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।  জন্ম: জিন্নাত আরা রোজী ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দের ২রা অক্টোবর পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রামের এক সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবারের খান বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: পিতা মো. সৈয়দ আলী খান, মাতা মোছা. আমেনা খাতুন। আট ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ। স্বামী আবুল কাশেম, পেশায় কনসালটেন্ট। তিনি দুই সন্তানের জননী। ছেলে মাহিন জাকারিয়া, মেডিকেল শেষ বর্ষের ছাত্র। মেয়ে নাঈমা জিনাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২য় বর্ষের ছাত্রী।  শিক্ষাজীবন: উদয়পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু, এরপর পাবনা…

  • শফিক-নহোর
    নওয়াগ্রাম,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    শফিক নহোর

    শফিক নহোর এ সময়ের  জনপ্রিয় একজন গল্পকার হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। বিভিন্ন সময় লেখকের লেখা গল্প , প্রবন্ধ, কবিতা জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ হচ্ছে নিয়মিত। তিনি প্রতিনিয়ত অণুগল্প, ছোট গল্প ও কবিতা লিখে চলেছেন। জন্ম:  গল্পকার শফিক নহোর  ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ নভেম্বর (২৭ কার্তিক ১৩৯৩ বঙ্গাব্দ) পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রাম এর শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।    পারিবারিক জীবন: পিতা মহহুম মো. আব্দুল মাজেদ আলী শেখ এবং মাতা মহহুমা মোছা. হামেদা খাতুন। তিনি সাত বোন ও  পাঁচ ভাইয়ের ভেতর সবার ছোট। তিনি ২০১০ খ্রিস্টাব্দে সুমি খাতুনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুই কন্যা সন্তান। শেখ সাহেরা ইসলাম…

  • চঞ্চল-চৌধুরী
    কামারহাট,  কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  নাজিরগঞ্জ,  সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

    অভিনেতা, মডেল, শিক্ষক ও গায়ক চঞ্চল চৌধুরী

    চঞ্চল চৌধুরী একাধারে একজন অভিনেতা, মডেল, শিক্ষক ও গায়ক। তিনি টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র দুই মাধ্যমেই অভিনয় করে থাকেন।  হাস্যরস অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। সেরা অভিনেতা বিভাগে একটি দর্শক জরিপ পুরস্কার ও দুটি সমালোচক পুরস্কার বিজয়সহ মোট বারোটি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। জন্ম: চঞ্চল চৌধুরী ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের ১লা জুন পাবনার জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  পারিবারিক জীবন: চঞ্চল চৌধুরীর পিতা রাধা গোবিন্দ চৌধুরী এবং মাতা নমিতা চৌধুরী। পাঁচ বোন ও তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। স্ত্রীর শান্তা। তিনি একজন ডাক্তার এবং একটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষক।…

error: Content is protected !!