একাদশ-শ্রেণিতে-ভর্তির-আবেদন-প্রক্রিয়া
উচ্চ-মাধ্যমিক বিদ্যালয়,  পড়াশোনা,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ২০২২

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ২০২২

সাধারণ নির্দেশনা:
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সকল কলেজ/মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ/সমমান শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে (অনলাইন) আবেদন করা যাবে।
  • ৮ ডিসেম্বর হতে ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখের মধ্যে একাদশ/সমমান শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে (অনলাইন) আবেদন করা যাবে।
  • ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (কলেজ/মাদ্রাসা) আবেদনের জন্য বিকাশ/নগদ /রকেট/সোনালী ব্যাংক/উপায়/ট্যাপ/ওকে ওয়ালেট -এর মাধ্যমে ১৫০/- (সার্ভিস চার্জ ব্যতিত) আবেদন ফি প্রদান করতে হবে।
  • প্রথমবার আবেদনের সময় শিক্ষার্থীকে নিজের/অভিভাবকের একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেটি শিক্ষার্থীর Contact Number হিসেবে বিবেচিত হবে। Contact Number টি শিক্ষার্থীর জন্য অতীব গুরত্বপূর্ণ কেননা পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সকল যোগাযোগ ও আবেদনের জন্য কিংবা আবেদন সংশোধনের জন্য এই Contact Number টির প্রয়োজন হবে। এই নম্বরের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়া অত্যাবশ্যক। অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রদান করতে হবে এবং তাঁর (যাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রদান করছেন) সাথে শিক্ষার্থীর সম্পর্ক উল্লেখ করতে হবে। ভর্তির সময় এন্ট্রিকৃত জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর যাচাই করা হতে পারে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (অভিভাবকের) এন্ট্রি করা থাকলে ভর্তি প্রক্রিয়া সহজতর হবে।
  • একাধিক শিক্ষার্থীর আবেদনে একই Contact Number ব্যবহার করা যাবে না অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষার্থীর Contact Number ভিন্ন ভিন্ন হতে হবে। Contact Number টি পরিবর্তন করা যাবে না, তাই এক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যাতে এটি ভুল না হয়।
  • ইন্টারনেটে (অনলাইন) আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিফট/ভার্সন/গ্রুপ অনুযায়ী তার পছন্দক্রম সরাসরি ইনপুট দিতে পারবে (অর্থাৎ এন্ট্রি করতে পারবে) এবং সেই অনুযায়ী তার পছন্দক্রম বিবেচ্য হবে।
  • ফলাফল প্রদানের পূর্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৮ ডিসেম্বর হতে ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২) ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বার কলেজের পছন্দক্রম ও কলেজ পরিবর্তন করা যাবে।
আরও পড়ুন সুজানগর উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের এসএসসি দাখিল পরীক্ষার ফলাফল২০২২
আবেদনের ফি প্রদান পদ্ধতি:

অনলাইনে আবেদনের পূর্বে শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র রকেট/বিকাশ/নগদ/সোনালী ই-সেবা/সোনালী ওয়েব পেমেন্ট ব্যবহার করে অন-লাইনের আবেদন ফি SMS এর মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। প্রার্থীকে তার এসএসসি/সমমানের পরীক্ষার বোর্ড, পাশের সাল, রোল নম্বর এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার ১৫০/- টাকা ফি জমা প্রদান করতে হবে।

  • বিকাশের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি:

বিকাশে-আবেদন-ফি প্রদান

ফি সঠিকভাবে জমা হলে প্রার্থীর মোবাইলে নিশ্চিতকরণের একটি Transaction ID সহ SMS যাবে।

  • রকেটের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি:

রকেটের-মাধ্যমে-ফি-প্রদান

  • নগদের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতি:

নগদের-মাধ্যমে-ফি-প্রদান-পদ্ধতি:

অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি:
  • রকেট/বিকাশ/নগদ/সোনালী ই- সেবা/ সোনালী ওয়েব পেমেন্ট এর মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি ১৫০ টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত ওয়েবসাইট (www.xiclassadmission.gov.bd)-এ  Apply Now -এ Click করতে হবে। এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে। আবেদনকারীর দেয়া তথ্য সঠিক হলে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA দেখতে পাবেন।
  • এরপর শিক্ষার্থীর Contact Number (ফি প্রদানের সময় প্রদত্ত মোবাইল নম্বর) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা দিতে হবে।
  • অতঃপর তাঁকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সন Select করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি  কলেজ/মাদরাসা Select করতে পারবে। এই ফরমে আবেদনকারী তার সকল আবেদনের পছন্দক্রমও নির্ধারণ করতে পারবে।
  • এরপর আবেদনকারী “Preview Application” Button-এ ক্লিক করলে তার আবেদনকৃত কলেজসমূহের তথ্য ও পছন্দক্রম দেখতে পারবেন।
  • Preview-এ দেখানো তথ্যসমূহ সঠিক থাকলে আবেদনকারী “Submit” Button-এ ক্লিক করবেন।
  • আবেদনটি সফলভাবে Submit করা হলে আবেদনকারী তাঁর প্রদত্ত Contact Number-এর মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ SMS পাবেন এবং যাতে একটি সিকিউরিটি কোড (Security Code) থাকবে। এই Security Code টি গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে, যা পরবর্তীতে আবেদন সংশোধন ও ভর্তি  সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।
  • আবেদনকারী চাইলে তাঁর আবেদনসমূহের তথ্যাদিসহ উক্ত ফরমটি Download করে প্রিন্ট (Print) নিতে পারবেন।

উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দেওয়ার পরও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি পরীক্ষার GPA দেখতে না পেলে, তাকে আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা দেওয়ার Transaction ID টি এন্ট্রি দিতে হবে এবং ফি প্রদানের জন্য তিনি যেই অপারেটর (অর্থাৎ রকেট/বিকাশ/নগদ/সোনালী ই-সেবা, সোনালী ওয়েব পেমেন্ট) ব্যবহার করেছে তা Select করতে হবে। পরবর্তীতে ৩০ মিনিট পর ইন্টারনেটে আবেদন করার জন্য পূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে অনুসরণ করতে হবে।

আরও পড়ুন ব্লগ  সাধারণ ওয়েবসাইট কি?

১ম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ: ৩১/১২/২০২২ (রাত ৮টায়)

শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন: ০১/০১/২০২৩ থেকে ০৮/০১/২০২৩ (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের নির্বাচন এবং আবেদন বাতিল হবে এবং তাকে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে)

২য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ: ০৯/০১/২০২৩ থেকে ১০/০১/২০২৩ পর্যন্ত

পছন্দক্রম অনুযায়ী ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ: ১২/০১/২০২৩ (রাত ৮টায়)

২য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন: ১৩/০১/২০২৩ থেকে ১৩/০১/২০২৩ (রাত ৮টা পর্যন্ত) (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের নির্বাচন এবং আবেদন বাতিল হবে)

৩য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ: ১৬/০১/২০২৩

পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ: ১৮/০১/২০২৩ (রাত ৮:০০ টায়)

৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ: ১৮/০১/২০২৩ (রাত ৮:০০ টায়)

৩য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন: ১৯/০১/২০২৩ থেকে ২০/০১/২০২৩ পর্যন্ত (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ৩য় পর্যায়ের নির্বাচন এবং আবেদন বাতিল হবে)

ভর্তির সময়সীমা: ২২/০১/২০২৩ থেকে ২৬/০১/২০২৩ পর্যন্ত।

ক্লাশ শুরু: ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ (বুধবার)

ভর্তির যোগ্যতা:
  • ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে দেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে নীতিমালার অন্যান্য বিধানাবলি পূরণ সাপেক্ষে কোন কলেজ/সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ / সমমান শ্রেণিতে ভর্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে। এছাড়া উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলতি বছরে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য বছরের শিক্ষার্থীরাও ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে।
প্রার্থী নির্বাচন:

সাধারণ বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:

  • বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যে কোনটি। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী অন্য গ্রুপে একবার ভর্তি হওয়ার পর পরবর্তীতে আর বিজ্ঞান গ্রুপে প্রত্যাবর্তন করতে পারবে না।
  • মানবিক গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যে কোনটি এবং ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক গ্রুপের যে কোনটি।

মাদ্রাসা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:

  • বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান, সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটিং
  • সাধারণ গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটি
  • মুজাব্বিদ গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটি
  • দাখিল (ভোক) গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বোর্ডের বিজ্ঞান, সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ গ্রুপের যে কোনটি

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে:

  • এসএসসি (ভোক)/দাখিল (ভোক) গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যে কোনটি ।
  • যে কোন বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী গার্হস্থ্য অর্থনীতি ও সংগীত গ্রুপ এর যে কোনটি ।
  • সকল বোর্ড এর সকল গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ইসলামিক স্টাডিজ-এ আবেদন করতে পারবে।
মেধামান নির্ধারণ:
  • একাদশ/সমমান শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা- ২০২২ অনুসরণপূর্বক ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও মেধামান নির্ণয় করা হবে। আবেদনকারীদের বিভিন্ন কলেজ / মাদরাসা / সমমানের প্রতিষ্ঠানে আবেদন ঐ প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট গ্রুপ/শিফট / ভার্সন, আসন সংখ্যা, পছন্দক্রম এর ভিত্তিতে মেধ্যমান নির্ধারণপূর্বক একজন আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত করা হবে।
  • কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৩% আসন সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। ৫% আসন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে ২% কোটা সংরক্ষিত থাকবে। উপর্যুক্ত কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে কোটার আসন কার্যকরী থাকবে না, অর্থাৎ উক্ত আসনে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। যদি আবেদনকারী সংখ্যা বেশি হয় সেক্ষেত্রে তাদের নিজেদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী দপ্তর প্রধানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজস্ব দপ্তরের প্রধান হলে সেক্ষেত্রে তাঁর একধাপ উপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী যে মহানগর / বিভাগ/জেলায় কর্মরত থাকবেন তার সন্তান সে মহানগর / বিভাগ / জেলায় ভর্তির জন্য বিবেচিত হবেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সনদ দাখিল করতে হবে। যে সকল শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
  • এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-র ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।
  • সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করা হবে। তাছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করা হবে
  • বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/ জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
  • মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
  • এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ একই হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইকরে উন্নত জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।
  • স্কুল এন্ড কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে স্ব স্ব বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শূন্য আসনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে।
ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, প্রকাশ এবং মাইগ্রেশন:

মোট ৩ (তিন) টি পর্যায়ে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। প্রাথমিক নিশ্চায়ন সাপেক্ষে কলেজ নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায় সমূহে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া চালনা করা হবে অর্থাৎ প্রাথমিক নিশ্চায়নের পরও একজন শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচন পরিবর্তন হতে পারে। প্রতি পর্যায়ে পছন্দক্রমানুযায়ী অটোমাইগ্রেশন হবে এবং মাইগ্রেশন সর্বদাই পছন্দক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে।

  • একজন শিক্ষার্থী তার আবেদনের সময় দেয়া কলেজ পছন্দক্রম ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল, কোটা ইত্যাদির ভিত্তিতে শুধুমাত্র ১টি কলেজেই সিলেকশন পাবে।
  • নির্বাচিত শিক্ষার্থী নিজেই অনলাইনে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ৩২৮/- (তিন শত আটাশ) টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়ন করবেন।
  • প্রত্যেক নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ৩২৮/- (তিন শত আটাশ) টাকা জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীর Selection ও আবেদন বাতিল হবে। আবেদন বাতিলকৃত শিক্ষার্থী ইচ্ছা করলে পরবর্তী পর্যায়ের জন্য পুনরারা আবেদন ফি জমা দিয়ে নতুন ভাবে আবেদন করতে পারবে।
  • যে সকল শিক্ষার্থী আবেদনকৃত কোন কলেজেই সিলেকশন পাবে না তারা পুনরায় আবেদন ফি ব্যতীত এবং যারা ইতিপূর্বে কোন কলেজেই আবেদন করে নাই তারা আবেদন ফি জমা দেয়া সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।
  • ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের পর নির্দিষ্ট তারিখে শিক্ষার্থীদেরকে SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে। তাছাড়াও শিক্ষার্থীগণ ভর্তির ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd থেকে ভর্তির বিস্তারিত ফলাফল জানতে পারবে।
কলেজে ভর্তি:

নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ভর্তি ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ডাউনলোড করে তা নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করবেন। অতঃপর ভর্তির জন্য নির্ধারিত তারিখে শিক্ষার্থী কলেজে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদিত ফি জমা দিয়ে ভর্তি হবে এবং কলেজ ভর্তির চূড়ান্ত নিশ্চায়ন করবে।

তথ্যসূত্র: www.xiclassadmission.gov.bd

 

ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলফেসবুক পেইজে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া ২০২২

Facebook Comments Box

প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেন, সাহিত্য সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবেদিত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন "আমাদের সুজানগর"-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং "আমাদের সুজানগর" ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক। সুজানগর উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, শিক্ষা, মুক্তিযুদ্ধ, কৃতি ব্যক্তিবর্গ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে ভালোবাসেন। বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি স্বনামধন্য ওয়াশিং প্লান্টের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশনে কর্মরত আছেন। তিনি ১৯৯২ সালের ১৫ জুন পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত হাটখালী ইউনিয়নের সাগতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!